পিউ রিসার্চের জরিপ
স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বের ৩৬টি দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব রাখেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার। তাদের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৭৯ শতাংশ মানুষের মনোভাব ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক।
চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মে অবধি চালানো এই জরিপের ফলাফল গত ৪ জুন প্রকাশ করেছে পিউ।
জরিপ অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে গড়ে ৬৭ শতাংশ মানুষ ইসরায়েল সম্পর্কে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন, বিপরীতে ইতিবাচক মনোভাব মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষের। বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এবং ইউরোপের দেশগুলোতে এই নেতিবাচক মনোভাব অনেক বেশি।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে ৭৯ শতাংশের মধ্যে ৬৮ শতাংশের মনোভাবই ‘অত্যন্ত নেতিবাচক’। এই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ৮৭ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে পাকিস্তানে। জরিপে ইসরায়েল সম্পর্কে সবচেয়ে কম ২৮ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে ভারতে। বৈশ্বিক পরিসরে সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে তুরস্কে।
ইসরায়েলের প্রধান মিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ৬০ শতাংশ মানুষ ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে, এর মধ্যে ২৮ শতাংশের মনোভাব ‘অত্যন্ত নেতিবাচক’।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে এই মনোভাবে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট; যেখানে ৮৩ শতাংশ উদারপন্থী বা বামপন্থীরা ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, সেখানে রক্ষণশীল বা ডানপন্থীদের মধ্যে এই হার মাত্র ৩৭ শতাংশ।
এ ছাড়া উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে বয়স্ক ও ডানপন্থীদের তুলনায় তরুণদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি ক্ষোভ বেশি। যেমন হাঙ্গেরিতে ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের ৭২ শতাংশই ইসরায়েলের প্রতি অসন্তুষ্ট, অথচ ৫০ ঊর্ধ্বদের মধ্যে এই হার ৪৫ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, স্পেন ও সুইডেনের মতো দেশগুলোতে প্রতি ১০ জন বামপন্থীর মধ্যে ৯ জনই ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।
জরিপে অংশগ্রহণকারী বেশির ভাগ মানুষই জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর তাঁদের আস্থা নেই। বাংলাদেশে ৭৬ শতাংশ মানুষ তাঁর ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন, এর মধ্যে ৬২ শতাংশের নেতানিয়াহুর ওপর একবিন্দুও আস্থা নেই।
পাকিস্তানে এই অনাস্থার হার ৮৮ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৫৫ শতাংশ। তবে ভারতের মাত্র ২৭ শতাংশ মানুষ নেতানিয়াহুর প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন, বিপরীতে ৩৪ শতাংশ মানুষ তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
পিউ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তুলনায় এই বছর ইসরায়েলের প্রতি মানুষের নেতিবাচক মনোভাব আরও বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আর্জেন্টিনায় গত বছর ৪৬ শতাংশ মানুষ ইসরায়েল নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব রাখতেন, যা এই বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ শতাংশে। একইভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় নেতানিয়াহুর প্রতি অনাস্থার হার গত বছরের ৬৪ শতাংশের তুলনায় বেড়ে হয়েছে ৭৬ শতাংশ।

বিশ্বের ৩৬টি দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব রাখেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার। তাদের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৭৯ শতাংশ মানুষের মনোভাব ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক।
চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ মে অবধি চালানো এই জরিপের ফলাফল গত ৪ জুন প্রকাশ করেছে পিউ।
জরিপ অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে গড়ে ৬৭ শতাংশ মানুষ ইসরায়েল সম্পর্কে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন, বিপরীতে ইতিবাচক মনোভাব মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষের। বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এবং ইউরোপের দেশগুলোতে এই নেতিবাচক মনোভাব অনেক বেশি।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে ৭৯ শতাংশের মধ্যে ৬৮ শতাংশের মনোভাবই ‘অত্যন্ত নেতিবাচক’। এই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ৮৭ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে পাকিস্তানে। জরিপে ইসরায়েল সম্পর্কে সবচেয়ে কম ২৮ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে ভারতে। বৈশ্বিক পরিসরে সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে তুরস্কে।
ইসরায়েলের প্রধান মিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ৬০ শতাংশ মানুষ ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে, এর মধ্যে ২৮ শতাংশের মনোভাব ‘অত্যন্ত নেতিবাচক’।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে এই মনোভাবে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট; যেখানে ৮৩ শতাংশ উদারপন্থী বা বামপন্থীরা ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, সেখানে রক্ষণশীল বা ডানপন্থীদের মধ্যে এই হার মাত্র ৩৭ শতাংশ।
এ ছাড়া উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে বয়স্ক ও ডানপন্থীদের তুলনায় তরুণদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি ক্ষোভ বেশি। যেমন হাঙ্গেরিতে ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের ৭২ শতাংশই ইসরায়েলের প্রতি অসন্তুষ্ট, অথচ ৫০ ঊর্ধ্বদের মধ্যে এই হার ৪৫ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, স্পেন ও সুইডেনের মতো দেশগুলোতে প্রতি ১০ জন বামপন্থীর মধ্যে ৯ জনই ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।
জরিপে অংশগ্রহণকারী বেশির ভাগ মানুষই জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর তাঁদের আস্থা নেই। বাংলাদেশে ৭৬ শতাংশ মানুষ তাঁর ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন, এর মধ্যে ৬২ শতাংশের নেতানিয়াহুর ওপর একবিন্দুও আস্থা নেই।
পাকিস্তানে এই অনাস্থার হার ৮৮ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৫৫ শতাংশ। তবে ভারতের মাত্র ২৭ শতাংশ মানুষ নেতানিয়াহুর প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন, বিপরীতে ৩৪ শতাংশ মানুষ তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন।
পিউ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তুলনায় এই বছর ইসরায়েলের প্রতি মানুষের নেতিবাচক মনোভাব আরও বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আর্জেন্টিনায় গত বছর ৪৬ শতাংশ মানুষ ইসরায়েল নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব রাখতেন, যা এই বছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ শতাংশে। একইভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় নেতানিয়াহুর প্রতি অনাস্থার হার গত বছরের ৬৪ শতাংশের তুলনায় বেড়ে হয়েছে ৭৬ শতাংশ।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর ইসরায়েলের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির আশঙ্কায় মিত্রদেশটিকে ‘চরম’ নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (৬ জুন) এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। শনিবার (৬ জুন) যন্তর মন্তরে পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির বিরুদ্ধে এই সমাবেশে যোগ দিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের হামলায় দক্ষিণ লেবাননে শুক্রবার অন্তত ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএর তথ্যের ভিত্তিতে সিএনএন এই হিসাব দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে ভারতে ফিরেছেন। আজ শনিবার (৬ জুন) স্থানীয় সময় বেলা ১১তার দিকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে