স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়েছে। জুলাই থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩১১ কোটি টাকা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান (এলপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫৯ পয়সা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) প্রকাশের মাধ্যমে এই তথ্য জানায় আইসিবি।
আইসিবির এই লোকসানের পেছনে ‘একাধিক আর্থিক ও বাজারসংক্রান্ত’ কারণ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রথমত, ঋণ ও স্থির আয়ের বিনিয়োগ থেকে সুদ আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। দ্বিতীয়ত, শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিক্রি থেকে মূলধনী মুনাফা কমেছে এবং তৃতীয়ত, মেয়াদি আমানতের বিপরীতে সুদ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির অর্থায়ন ব্যয় বাড়িয়েছে। যদিও আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত খাতভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে এসব কারণ থেকেই মূলত লোকসান বেড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইসিবি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ ব্যাংক, যা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা, আন্ডাররাইটিং ও মার্চেন্ট ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন আর্থিক সেবা দিয়ে থাকে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
এক সময় আইসিবি ধারাবাহিকভাবে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে ২০২৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি লোকসানে পড়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা লোকসান করে, যা ছিল আইসিবির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বড় বার্ষিক লোকসান। সে সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৪ টাকা এবং কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়নি।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লোকসান ছিল ১৫৩ কোটি টাকা, যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৭৭ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস শেষে এই লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১১ কোটি টাকা, যা স্পষ্ট করে যে দ্বিতীয় প্রান্তিকেও আইসিবি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আইসিবির লোকসান ছিল আনুমানিক ১১৮ কোটি টাকা, যা বর্তমান সময়ের তুলনায় অনেক কম।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে আইসিবির বড় লোকসানের একটি বড় কারণ ছিল ৩ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি। বিনিয়োগের বাজারমূল্য কমে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির পোর্টফোলিওর মূল্য কমে যায় ৪ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর সময়ে ৯ বছর গড়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা করে নিট মুনাফা করেছে আইসিবি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪১৬ কোটি টাকা মুনাফা করলেও পরের বছর নিট মুনাফা ৮৫ শতাংশ কমে হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। এরপর ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত গড়ে আইসিবির নিট মুনাফা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৮১ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়েছে। জুলাই থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩১১ কোটি টাকা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান (এলপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫৯ পয়সা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) প্রকাশের মাধ্যমে এই তথ্য জানায় আইসিবি।
আইসিবির এই লোকসানের পেছনে ‘একাধিক আর্থিক ও বাজারসংক্রান্ত’ কারণ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রথমত, ঋণ ও স্থির আয়ের বিনিয়োগ থেকে সুদ আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। দ্বিতীয়ত, শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিক্রি থেকে মূলধনী মুনাফা কমেছে এবং তৃতীয়ত, মেয়াদি আমানতের বিপরীতে সুদ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির অর্থায়ন ব্যয় বাড়িয়েছে। যদিও আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত খাতভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে এসব কারণ থেকেই মূলত লোকসান বেড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইসিবি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ ব্যাংক, যা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা, আন্ডাররাইটিং ও মার্চেন্ট ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন আর্থিক সেবা দিয়ে থাকে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
এক সময় আইসিবি ধারাবাহিকভাবে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে ২০২৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি লোকসানে পড়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা লোকসান করে, যা ছিল আইসিবির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বড় বার্ষিক লোকসান। সে সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৪ টাকা এবং কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়নি।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লোকসান ছিল ১৫৩ কোটি টাকা, যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৭৭ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস শেষে এই লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১১ কোটি টাকা, যা স্পষ্ট করে যে দ্বিতীয় প্রান্তিকেও আইসিবি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আইসিবির লোকসান ছিল আনুমানিক ১১৮ কোটি টাকা, যা বর্তমান সময়ের তুলনায় অনেক কম।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে আইসিবির বড় লোকসানের একটি বড় কারণ ছিল ৩ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি। বিনিয়োগের বাজারমূল্য কমে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির পোর্টফোলিওর মূল্য কমে যায় ৪ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর সময়ে ৯ বছর গড়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা করে নিট মুনাফা করেছে আইসিবি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪১৬ কোটি টাকা মুনাফা করলেও পরের বছর নিট মুনাফা ৮৫ শতাংশ কমে হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। এরপর ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত গড়ে আইসিবির নিট মুনাফা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৮১ কোটি টাকা।

ব্যক্তি করদাতাদের জন্য ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আরও এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে সমস্যায় পড়া করদাতাদের জন্যও নির্দিষ্ট শর্তে কাগজে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগও বহাল রাখা হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
দেশের বাজারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন নিয়ে রাষ্ট্রীয় নীতি, বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় অগ্রাধিকারের কথা বলা হলেও; বাস্তবে শ্রমবাজারে নারীর অবস্থান এখনো গভীরভাবে অনানুষ্ঠানিক, ঝুঁকিপূর্ণ ও বৈষম্যপূর্ণ।
২০ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্পট গোল্ডের (তাৎক্ষণিক লেনদেন হওয়া স্বর্ণ) দাম প্রতি আউন্স (প্রায় ২ দশমিক ৪২ ভরি) ৫ হাজার ১৮১ দশমিক ৮৪ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে সোমবার প্রথমবারের মতো দাম ৫ হাজার ডলারের ‘মনস্তাত্ত্বিক সীমা’ অতিক্রম করেছিল।
১ দিন আগে