স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজস্ব আদায়ে ১১ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা পিছিয়ে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের গবেষণা ও পরিসংখ্যান অনুবিভাগ থেকে প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২৬ মার্চ পর্যন্ত রাজস্ব আহরণের বিবরণী থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৫২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে, ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ঘাটতি আছে ৯৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। অবশ্য আগের অর্থবছরের একই সময়ের (মার্চ ২০২৫) তুলনায় আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রাজস্ব এসেছে স্থানীয় পর্যায়ের ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর খাত থেকে। এ খাতে ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ আদায় হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ১৩৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আয়কর ও ভ্রমণ কর মিলিয়ে রাজস্ব এসেছে ৯৮ হাজার ৫০১ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যেখানে প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ।
অন্যদিকে, আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ের শুল্ক-কর বা কাস্টমস খাত থেকে ৮০ হাজার ২২৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা আদায় হয়েছে এবং এ খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশে।
শুধু মার্চ মাসের একক হিসাব পর্যালোচনায় দেখা যায়, মোট রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৩৩ হাজার ৫২২ কোটি টাকা। যদিও এই মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০ হাজার কোটি টাকা। তবে গত বছরের একই সময়ের (মার্চ ২০২৫ সালে আদায় ৩২ হাজার ৬৪৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা) তুলনায় একক মাসে আদায় ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।
মার্চ মাসে খাতভিত্তিক আদায়ে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। এ মাসে ভ্যাট উপ-খাতে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং আয়কর উপ-খাতে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বিপরীতে, কাস্টমস উপ-খাতে রাজস্ব আহরণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে, যার ফলে এই খাতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক (-০ দশমিক ৮৮ শতাংশ)।

রাজস্ব আদায়ে ১১ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির পরও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা পিছিয়ে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের গবেষণা ও পরিসংখ্যান অনুবিভাগ থেকে প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২৬ মার্চ পর্যন্ত রাজস্ব আহরণের বিবরণী থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৫২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে, ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ঘাটতি আছে ৯৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। অবশ্য আগের অর্থবছরের একই সময়ের (মার্চ ২০২৫) তুলনায় আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রাজস্ব এসেছে স্থানীয় পর্যায়ের ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর খাত থেকে। এ খাতে ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ আদায় হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ১৩৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা। আয়কর ও ভ্রমণ কর মিলিয়ে রাজস্ব এসেছে ৯৮ হাজার ৫০১ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যেখানে প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ।
অন্যদিকে, আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ের শুল্ক-কর বা কাস্টমস খাত থেকে ৮০ হাজার ২২৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা আদায় হয়েছে এবং এ খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশে।
শুধু মার্চ মাসের একক হিসাব পর্যালোচনায় দেখা যায়, মোট রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৩৩ হাজার ৫২২ কোটি টাকা। যদিও এই মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০ হাজার কোটি টাকা। তবে গত বছরের একই সময়ের (মার্চ ২০২৫ সালে আদায় ৩২ হাজার ৬৪৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা) তুলনায় একক মাসে আদায় ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।
মার্চ মাসে খাতভিত্তিক আদায়ে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। এ মাসে ভ্যাট উপ-খাতে ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং আয়কর উপ-খাতে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বিপরীতে, কাস্টমস উপ-খাতে রাজস্ব আহরণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে, যার ফলে এই খাতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক (-০ দশমিক ৮৮ শতাংশ)।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মাথাপিছু আয় ৩ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সাময়িক হিসাবে এই তথ্য জানানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ১৯ বছর পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের ক্ষণ ঘনিয়ে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
১৩ ঘণ্টা আগে
আজ বুধবার (১০ জুন) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এর আগে ১-৩ জানুয়ারি পর্যন্ত একই ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল বছরের সর্বনিম্ন ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।
১৯ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইলেকট্রনিক খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে একদিকে যেমন দেশে তৈরি বিভিন্ন গৃহস্থালিসামগ্রী ও প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যের দাম কমতে পারে। অন্যদিকে দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা এবং বিলাসী পণ্য নিরুৎসাহিত করতে কিছু আমদানি করা পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
২ দিন আগে