স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর কুড়িলে বকেয়া বেতন ও ভাতার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন ইউরোজোন ফ্যাশনের শ্রমিকরা। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসেন। এতে বাড্ডা-উত্তরা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র যানজট লেগে থাকে বিকাল চারটা পর্যন্ত। পরে পুলিশের তৎপরতায় স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
তবে, এবারই প্রথম নয়। এর আগেও কয়েকবার সড়ক অবরোধ করেছেন ইউরোজোনের শ্রমিকরা। ২০২৪ সালের ১৫ মে ঘটে একই ঘটনা। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা হলে, কাজে ফিরেন শ্রমিকরা। তবে, বেশিদিন টিকেনি সেই সমঝোতা। গত জুলাইয়ের ২৮ তারিখ (সোমবার) ইউরোজোন ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কে জি মোরশেদকে তাঁর কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করেন শ্রমিকরা। পরে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করেন।
তখন শ্রমিকরা দাবি করেন, পাওনা বেতন-ভাতা না দিয়েই ইউরোজোন বিক্রি করে দিচ্ছে মালিকপক্ষ। তবে শ্রমিকদের এমন অভিযোগকে ‘গুজব’বলে মন্তব্য করেন জি কে মোরশেদ।
গণমাধ্যমকে মোরশেদ বলেন, ‘শ্রমিকদের কিছু যৌক্তিক দাবি ছিল। শ্রম দপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সেগুলো আমরা মেনে নিয়েছি। বর্তমানে ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য চালানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইউরোজোন। এমন পরিস্থিতিতে কারখানা বিক্রি করার কোনো প্রশ্নই আসে না।’
এই ঘটনার এক মাস পার হতেই আবার রাস্তা অবরোধ করলেন ইউরোজোনের শ্রমিকরা। এদিকে ইউরোজোন ফ্যাশন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মেম্বার।
এসব বিষয়ে জানতে বিজিএমইএ-এর লেবার সেলের অতিরিক্ত সচিব রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘অর্ডার ছিল না তাই মালিকপক্ষ ফ্যাক্টরিটা লেঅফ (সাময়িক বন্ধ) ঘোষণা করতে চেয়েছিল। শ্রমিকদের পাওনাও মিটানোর কথা ছিল এবং তাঁদের তারিখও দেওয়া হয়।’
রফিক আরও বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা একটা মিটিং করেছি। শ্রমিকরা কী কী পাবে, তাঁদের ব্যপারে সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। আর ফ্যাক্টরিটা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হয়কি, আমাদের দেশে শ্রমিক ফেডারেশনের অভাব নাই। রেজিস্টার্ড, আনরেজিস্টার্ড ফেডারেশন। তারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করে। এক ফেডারেশন এসে সিদ্ধান্ত করে যায়। তখন আরেক ফেডারেশন এসে বলে, তোমরা আন্দোলন করো। এর চেয়ে বেশি টাকা পাইয়ে দিবো।’
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান স্ট্রিমকে বলেন, ‘মালিকপক্ষ কারখানাটা বন্ধ করতে চাচ্ছে। শ্রমিকদের টাকা দেওয়ার ব্যাপারে তারিখও দিয়েছে। মালিক চায় তিন কিস্তিতে টাকা দিতে। সেপ্টেম্বরে একটা, অক্টোবরে একটা আর নভেম্বরে একটা। তবে শ্রমিকরা সব টাকা একসঙ্গে সেপ্টেম্বরেই পেতে চায়। এ জন্যই তারা আন্দোলনে নেমেছে।’
শ্রমিকদের কিসের টাকা পান প্রশ্ন করলে আতিক বলেন, ‘শ্রমিকদের বেতনের টাকা ক্লিয়ার আছে। এটা হলো সার্ভিস বেনিফিটের টাকা। এটাই মূল টাকা। কারো কারো ছুটির টাকা পাওনা থাকতে পারে।’
কারখানা বন্ধ হচ্ছে কেন প্রশ্নে আতিক বলেন, ‘আমাদের একটা মিটিং হয়েছে। যা জানতে পারলাম, মালিক ফ্যাক্টরিটা আর কন্টিনিউ করতে পারছে না। তার বায়ার, কাজ নাই।’
ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। মালিকের বক্তব্য হলো, সে কিস্তিতে টাকা দিবে। কিন্তু শ্রমিকরা এটা মানতে চাচ্ছে না। ফলে তাঁরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তীব্র যানজট শুরু হয়। পরে আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মধ্যস্ততা করি। বিকাল চারটার পর থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এসব বিষয়ে জানতে ইউরোজোন ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কে জি মোরশেদকে বারবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ করা হলেও তা তিনি দেখেননি।

রাজধানীর কুড়িলে বকেয়া বেতন ও ভাতার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন ইউরোজোন ফ্যাশনের শ্রমিকরা। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসেন। এতে বাড্ডা-উত্তরা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র যানজট লেগে থাকে বিকাল চারটা পর্যন্ত। পরে পুলিশের তৎপরতায় স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
তবে, এবারই প্রথম নয়। এর আগেও কয়েকবার সড়ক অবরোধ করেছেন ইউরোজোনের শ্রমিকরা। ২০২৪ সালের ১৫ মে ঘটে একই ঘটনা। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা হলে, কাজে ফিরেন শ্রমিকরা। তবে, বেশিদিন টিকেনি সেই সমঝোতা। গত জুলাইয়ের ২৮ তারিখ (সোমবার) ইউরোজোন ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কে জি মোরশেদকে তাঁর কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করেন শ্রমিকরা। পরে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করেন।
তখন শ্রমিকরা দাবি করেন, পাওনা বেতন-ভাতা না দিয়েই ইউরোজোন বিক্রি করে দিচ্ছে মালিকপক্ষ। তবে শ্রমিকদের এমন অভিযোগকে ‘গুজব’বলে মন্তব্য করেন জি কে মোরশেদ।
গণমাধ্যমকে মোরশেদ বলেন, ‘শ্রমিকদের কিছু যৌক্তিক দাবি ছিল। শ্রম দপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সেগুলো আমরা মেনে নিয়েছি। বর্তমানে ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য চালানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইউরোজোন। এমন পরিস্থিতিতে কারখানা বিক্রি করার কোনো প্রশ্নই আসে না।’
এই ঘটনার এক মাস পার হতেই আবার রাস্তা অবরোধ করলেন ইউরোজোনের শ্রমিকরা। এদিকে ইউরোজোন ফ্যাশন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মেম্বার।
এসব বিষয়ে জানতে বিজিএমইএ-এর লেবার সেলের অতিরিক্ত সচিব রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘অর্ডার ছিল না তাই মালিকপক্ষ ফ্যাক্টরিটা লেঅফ (সাময়িক বন্ধ) ঘোষণা করতে চেয়েছিল। শ্রমিকদের পাওনাও মিটানোর কথা ছিল এবং তাঁদের তারিখও দেওয়া হয়।’
রফিক আরও বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা একটা মিটিং করেছি। শ্রমিকরা কী কী পাবে, তাঁদের ব্যপারে সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। আর ফ্যাক্টরিটা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হয়কি, আমাদের দেশে শ্রমিক ফেডারেশনের অভাব নাই। রেজিস্টার্ড, আনরেজিস্টার্ড ফেডারেশন। তারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য শ্রমিকদের বিভ্রান্ত করে। এক ফেডারেশন এসে সিদ্ধান্ত করে যায়। তখন আরেক ফেডারেশন এসে বলে, তোমরা আন্দোলন করো। এর চেয়ে বেশি টাকা পাইয়ে দিবো।’
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান স্ট্রিমকে বলেন, ‘মালিকপক্ষ কারখানাটা বন্ধ করতে চাচ্ছে। শ্রমিকদের টাকা দেওয়ার ব্যাপারে তারিখও দিয়েছে। মালিক চায় তিন কিস্তিতে টাকা দিতে। সেপ্টেম্বরে একটা, অক্টোবরে একটা আর নভেম্বরে একটা। তবে শ্রমিকরা সব টাকা একসঙ্গে সেপ্টেম্বরেই পেতে চায়। এ জন্যই তারা আন্দোলনে নেমেছে।’
শ্রমিকদের কিসের টাকা পান প্রশ্ন করলে আতিক বলেন, ‘শ্রমিকদের বেতনের টাকা ক্লিয়ার আছে। এটা হলো সার্ভিস বেনিফিটের টাকা। এটাই মূল টাকা। কারো কারো ছুটির টাকা পাওনা থাকতে পারে।’
কারখানা বন্ধ হচ্ছে কেন প্রশ্নে আতিক বলেন, ‘আমাদের একটা মিটিং হয়েছে। যা জানতে পারলাম, মালিক ফ্যাক্টরিটা আর কন্টিনিউ করতে পারছে না। তার বায়ার, কাজ নাই।’
ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। মালিকের বক্তব্য হলো, সে কিস্তিতে টাকা দিবে। কিন্তু শ্রমিকরা এটা মানতে চাচ্ছে না। ফলে তাঁরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তীব্র যানজট শুরু হয়। পরে আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মধ্যস্ততা করি। বিকাল চারটার পর থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে এসব বিষয়ে জানতে ইউরোজোন ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কে জি মোরশেদকে বারবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ করা হলেও তা তিনি দেখেননি।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে নিটওয়্যার খাতের জন্য কর-ভ্যাট সুবিধাসহ ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
৮ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগ্লির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (২৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
করদাতাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ই-ট্যাক্স রিটার্ন সিস্টেমের সঙ্গে ব্যাংক হিসাবের তথ্য সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আইসিএমএবি মিলনায়তনে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে
ভ্যাট ফাঁকি রোধ ও করের আওতা বাড়াতে দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্যে পর্যায়ক্রমে ‘কিউআর কোড’ বা আধুনিক ডিজিটাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর ফলে উৎপাদন পর্যায় থেকেই প্রতিটি পণ্যের তথ্য এনবিআরের কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে