স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনের এক দিন আগেই প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বাজেটের সম্ভাব্য আকার, কর ও শুল্কের হারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকাশ্যে চলে আসে। এ ঘটনার আইনি বাধ্যবাধকতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মিশ্র মত জানিয়েছেন দেশের অর্থনীতিবিদেরা।
প্রস্তাবিত বাজেট আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
জাতীয় বাজেট রাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অর্থনৈতিক দলিল। নিয়ম অনুযায়ী, বাজেট ঘোষণার আগে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাজেট প্রস্তাবনা আগে সংসদে উপস্থাপিত হয়। মূলত ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩’ এবং ‘সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯’-এর আওতায় বাজেটের কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়।
এ ছাড়া তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর ৭(ক) ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে পারে এমন যুক্তিতে বাজেট-পূর্ববর্তী তথ্য প্রকাশ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বা এনবিআরের কর্মকর্তারা ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’-এর ৫ নম্বর ধারার অধীনে শপথবদ্ধ থাকেন, যার লঙ্ঘন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
বাজেটের তথ্য আগেভাগে ফাঁস হওয়ার অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপ বা ইআরজির নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ সাজ্জাদ জহির মনে করেন, সাধারণ চর্চা হিসেবে বাজেটের বক্তব্য আগে প্রকাশ হওয়া অনুচিত। তিনি বলেন, ‘তথ্যের অসামঞ্জস্যতা তৈরি হলে বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যদি নির্দিষ্ট কিছু মানুষ আগে থেকে জেনে যায় যে কাল কোনো পণ্যের দাম বাড়বে, তবে তারা আজই মজুতদারি শুরু করবে।’
তবে তিনি এও বলেন, ‘যদি তথ্যটি সবার কাছে একই সঙ্গে পৌঁছায় এবং তা সত্য হয়, তবে এর খুব একটা প্রভাব পড়ে না। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে আসা তথ্য যদি নিছক অনুমাননির্ভর হয় এবং মূল বাজেটের সঙ্গে এর অসংগতি থাকে, তবে বাজারে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হবে।’ এ ছাড়া মুদ্রার অবমূল্যায়ন বা নোট বাতিলের মতো সংবেদনশীল সিদ্ধান্তগুলো কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গেই বাস্তবায়ন করা উচিত বলে তিনি মত দেন।
অন্যদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। তাঁর মতে, জাতীয় বাজেট জনস্বার্থে, জনগণের অর্থে ও জনগণের কাছে জবাবদিহি সাপেক্ষে প্রণীত একটি দলিল। বাজেট কোনো গোপন দলিল না, বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত হওয়াও বাঞ্ছনীয়। এর মালিকানাও জনগণের, যদিও এর সবই সংসদে জনপ্রতিনিধিদের আলোচনা ও বিতর্ক সাপেক্ষে চুডান্ত হবে।
তিনি বলেন, বাজেট প্রক্রিয়ার শুরু থেকে অনুমোদন ও বাস্তবায়নসহ শেষ পর্যন্ত যত বেশি জনগণের জন্য উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক হবে ততোই বৈশ্বিক উত্তম চর্চার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। অতএব সংসদে উপস্থাপনের আগে যদি বাজেট প্রকাশ হয়ে থাকে এবং তা যদি সরকার তথা অর্থমন্ত্রীর অজ্ঞাতে বা বিনা অনুমতিতেও হয়ে থাকে তাও ব্লেসিং ইন ডিজগাইজ বা অপ্রত্যাশিত সুফল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে তিনি মনে করেন, সরকারের অজ্ঞাতে আগে প্রকাশের পেছনে যদি কোনো মহলের বিশেষ উদ্দেশ্য থেকে থাকে এবং এর ফলে কোনো বিশেষ মহল বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে যারা জড়িত ছিল তাদের জবাবদিহি অপরিহার্য। অন্যদিকে এ ঘটনাকে উন্মুক্ত বাজেট চর্চার দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করে ভবিষ্যতেও আনুষ্ঠানিকভাবেই এমন উন্মুক্ততার চর্চা অনুসরণের উদ্যোগ নেয়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. দীন ইসলামও বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে দেখছেন। তাঁর মতে, বাজেট নিয়ে অতিরিক্ত গোপনীয়তার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, ‘আজ অর্থমন্ত্রী সংসদে যা উত্থাপন করবেন, তা মূলত একটি প্রস্তাবনা। এরপর সংসদে এটি নিয়ে প্রায় ২০ দিন আলোচনা হবে, সংযোজন-বিয়োজন হবে। তারপর এটি আইনে পরিণত হয়ে জুলাই থেকে কার্যকর হবে।’
ড. দীন ইসলাম আরও জানান, শেয়ারবাজার বা ব্যাংকিং খাতের মতো অতি সংবেদনশীল বিষয় ছাড়া সাধারণ শুল্কের তথ্য আগে জানাজানি হলে অর্থনীতিতে বড় কোনো সংকট তৈরি হয় না। তিনি বাজেটে স্বচ্ছতা ও অংশীদারিত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘বাজেট যেহেতু জনগণের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে, তাই এই ডকুমেন্টগুলো যত বেশি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে, পলিসিগুলো তত বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলে সেই আইনটিই সংশোধন করা উচিত বলে আমি মনে করি।’

জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনের এক দিন আগেই প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বাজেটের সম্ভাব্য আকার, কর ও শুল্কের হারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকাশ্যে চলে আসে। এ ঘটনার আইনি বাধ্যবাধকতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মিশ্র মত জানিয়েছেন দেশের অর্থনীতিবিদেরা।
প্রস্তাবিত বাজেট আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
জাতীয় বাজেট রাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল অর্থনৈতিক দলিল। নিয়ম অনুযায়ী, বাজেট ঘোষণার আগে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাজেট প্রস্তাবনা আগে সংসদে উপস্থাপিত হয়। মূলত ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩’ এবং ‘সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৯’-এর আওতায় বাজেটের কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়।
এ ছাড়া তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর ৭(ক) ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে পারে এমন যুক্তিতে বাজেট-পূর্ববর্তী তথ্য প্রকাশ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বা এনবিআরের কর্মকর্তারা ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’-এর ৫ নম্বর ধারার অধীনে শপথবদ্ধ থাকেন, যার লঙ্ঘন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
বাজেটের তথ্য আগেভাগে ফাঁস হওয়ার অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপ বা ইআরজির নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ সাজ্জাদ জহির মনে করেন, সাধারণ চর্চা হিসেবে বাজেটের বক্তব্য আগে প্রকাশ হওয়া অনুচিত। তিনি বলেন, ‘তথ্যের অসামঞ্জস্যতা তৈরি হলে বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যদি নির্দিষ্ট কিছু মানুষ আগে থেকে জেনে যায় যে কাল কোনো পণ্যের দাম বাড়বে, তবে তারা আজই মজুতদারি শুরু করবে।’
তবে তিনি এও বলেন, ‘যদি তথ্যটি সবার কাছে একই সঙ্গে পৌঁছায় এবং তা সত্য হয়, তবে এর খুব একটা প্রভাব পড়ে না। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে আসা তথ্য যদি নিছক অনুমাননির্ভর হয় এবং মূল বাজেটের সঙ্গে এর অসংগতি থাকে, তবে বাজারে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হবে।’ এ ছাড়া মুদ্রার অবমূল্যায়ন বা নোট বাতিলের মতো সংবেদনশীল সিদ্ধান্তগুলো কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গেই বাস্তবায়ন করা উচিত বলে তিনি মত দেন।
অন্যদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। তাঁর মতে, জাতীয় বাজেট জনস্বার্থে, জনগণের অর্থে ও জনগণের কাছে জবাবদিহি সাপেক্ষে প্রণীত একটি দলিল। বাজেট কোনো গোপন দলিল না, বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত হওয়াও বাঞ্ছনীয়। এর মালিকানাও জনগণের, যদিও এর সবই সংসদে জনপ্রতিনিধিদের আলোচনা ও বিতর্ক সাপেক্ষে চুডান্ত হবে।
তিনি বলেন, বাজেট প্রক্রিয়ার শুরু থেকে অনুমোদন ও বাস্তবায়নসহ শেষ পর্যন্ত যত বেশি জনগণের জন্য উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক হবে ততোই বৈশ্বিক উত্তম চর্চার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। অতএব সংসদে উপস্থাপনের আগে যদি বাজেট প্রকাশ হয়ে থাকে এবং তা যদি সরকার তথা অর্থমন্ত্রীর অজ্ঞাতে বা বিনা অনুমতিতেও হয়ে থাকে তাও ব্লেসিং ইন ডিজগাইজ বা অপ্রত্যাশিত সুফল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে তিনি মনে করেন, সরকারের অজ্ঞাতে আগে প্রকাশের পেছনে যদি কোনো মহলের বিশেষ উদ্দেশ্য থেকে থাকে এবং এর ফলে কোনো বিশেষ মহল বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে যারা জড়িত ছিল তাদের জবাবদিহি অপরিহার্য। অন্যদিকে এ ঘটনাকে উন্মুক্ত বাজেট চর্চার দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করে ভবিষ্যতেও আনুষ্ঠানিকভাবেই এমন উন্মুক্ততার চর্চা অনুসরণের উদ্যোগ নেয়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. দীন ইসলামও বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে দেখছেন। তাঁর মতে, বাজেট নিয়ে অতিরিক্ত গোপনীয়তার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, ‘আজ অর্থমন্ত্রী সংসদে যা উত্থাপন করবেন, তা মূলত একটি প্রস্তাবনা। এরপর সংসদে এটি নিয়ে প্রায় ২০ দিন আলোচনা হবে, সংযোজন-বিয়োজন হবে। তারপর এটি আইনে পরিণত হয়ে জুলাই থেকে কার্যকর হবে।’
ড. দীন ইসলাম আরও জানান, শেয়ারবাজার বা ব্যাংকিং খাতের মতো অতি সংবেদনশীল বিষয় ছাড়া সাধারণ শুল্কের তথ্য আগে জানাজানি হলে অর্থনীতিতে বড় কোনো সংকট তৈরি হয় না। তিনি বাজেটে স্বচ্ছতা ও অংশীদারিত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘বাজেট যেহেতু জনগণের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে, তাই এই ডকুমেন্টগুলো যত বেশি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে, পলিসিগুলো তত বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলে সেই আইনটিই সংশোধন করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
.png)

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত শেষে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে ইউনিটটি থেকে জাতীয় গ্রিডে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
৩৪ মিনিট আগে
গণঅধিকার পরিষদ নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জেরে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুফতি আমির হামজার গাড়িতে হামলা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে এই সংঘর্ষ হয়।
৪৩ মিনিট আগে-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
২ ঘণ্টা আগে