বন্দরে আটকা ৫৪ হাজার কনটেইনার
স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে দ্রুত চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সংস্থাটি বলেছে, বন্দরের চলমান অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে দেশের রপ্তানি, আমদানি, বিনিয়োগ এবং ভোক্তা বাজার—সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিসিসিআই জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের লাইফলাইন হিসেবে বিবেচিত। দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি ও রপ্তানি পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়। স্বাভাবিক সময়ে বন্দর দিয়ে প্রতি মাসে গড়ে ২ লাখ ৬০ হাজার টিইইউ এবং প্রতিদিন প্রায় ৯ হাজার টিইইউ কনটেইনার খালাস হয়ে থাকে।
তবে গত বুধবার থেকে বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছে। এতে পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন প্রতি কনটেইনারে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ (ডেমারেজ ও স্টোরেজ চার্জ) দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার।
সংগঠনটির মতে, এ অচলাবস্থার সবচেয়ে বড় আঘাত পড়ছে রপ্তানি খাতে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় রপ্তানি আদেশ বাতিল বা অন্য দেশে স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও কিছু আন্তর্জাতিক ক্রেতা সাময়িকভাবে ডেলিভারির সময় বাড়াতে সম্মত হয়েছেন, তবে সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে ডিসিসিআই।
এদিকে আসন্ন রমজান মাস সামনে রেখে আমদানী করা ভোগ্যপণ্যের খালাসে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দিলে স্থানীয় বাজারে পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। এতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।
ঢাকা চেম্বার আরও জানায়, বন্দরের এই অনাকাঙ্ক্ষিত অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কার্যক্রমে পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে শিল্প উৎপাদন, সরবরাহ চেইন এবং বিনিয়োগ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এ প্রেক্ষাপটে ঢাকা চেম্বার মনে করে, চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে সমস্যার সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে ব্যবসায়ী সমাজ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছে ডিসিসিআই।

দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে দ্রুত চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সংস্থাটি বলেছে, বন্দরের চলমান অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে দেশের রপ্তানি, আমদানি, বিনিয়োগ এবং ভোক্তা বাজার—সব ক্ষেত্রেই মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিসিসিআই জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের লাইফলাইন হিসেবে বিবেচিত। দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ আমদানি ও রপ্তানি পণ্য এই বন্দরের মাধ্যমে খালাস হয়। স্বাভাবিক সময়ে বন্দর দিয়ে প্রতি মাসে গড়ে ২ লাখ ৬০ হাজার টিইইউ এবং প্রতিদিন প্রায় ৯ হাজার টিইইউ কনটেইনার খালাস হয়ে থাকে।
তবে গত বুধবার থেকে বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৪ হাজার কনটেইনার পণ্য বন্দরে আটকা পড়েছে। এতে পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন প্রতি কনটেইনারে অতিরিক্ত ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ (ডেমারেজ ও স্টোরেজ চার্জ) দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার।
সংগঠনটির মতে, এ অচলাবস্থার সবচেয়ে বড় আঘাত পড়ছে রপ্তানি খাতে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ সম্ভব না হওয়ায় রপ্তানি আদেশ বাতিল বা অন্য দেশে স্থানান্তরের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও কিছু আন্তর্জাতিক ক্রেতা সাময়িকভাবে ডেলিভারির সময় বাড়াতে সম্মত হয়েছেন, তবে সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহে যেতে পারেন—এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে ডিসিসিআই।
এদিকে আসন্ন রমজান মাস সামনে রেখে আমদানী করা ভোগ্যপণ্যের খালাসে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দিলে স্থানীয় বাজারে পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। এতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।
ঢাকা চেম্বার আরও জানায়, বন্দরের এই অনাকাঙ্ক্ষিত অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কার্যক্রমে পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে শিল্প উৎপাদন, সরবরাহ চেইন এবং বিনিয়োগ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এ প্রেক্ষাপটে ঢাকা চেম্বার মনে করে, চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে সমস্যার সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে ব্যবসায়ী সমাজ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছে ডিসিসিআই।

পবিত্র রমজান উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি শুরু করছে টিসিবি।
৯ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসল টাকার মতো দেখতে ‘নমুনা নোট’ ব্যবহার করে ভিডিও বা প্রচার চালালে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৫ ঘণ্টা আগে
ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভা আহ্বানের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। নবনির্বাচিত সরকারের শপথের আগে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনৈতিক ও স্বার্থের সংঘাত বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে গত জানুয়ারি মাসেই ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, ডাল ও খেজুরসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিপুল পরিমাণে আমদানি করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, কেবল চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়েই ৯ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকার পণ্য দেশে এসেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে