কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সভা
স্ট্রিম প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাবে অর্থনীতির আসন্ন ধাক্কা সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংকে একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন দেশের শীর্ষ আট অর্থনীতিবিদরা। শনিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সভায় তারা জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তে বিকল্প উৎস সন্ধানের তাগিদ দিয়েছেন।
এসব অর্থনীতিবিদের ভাষ্যে, দাম বাড়লেও এখনই তা গ্রাহক পর্যায়ে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এতে মুল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে। দেশের যে রিজার্ভ রয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে। এখনই নীতি সুদহারে হাত না দিয়ে সংকট কেটে গেলে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য এটি কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।
সভায় অর্থনীতিবিদদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরী, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক ও বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ নাজমুস সাদাত খান।
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পাশাপাশি চার ডেপুটি গভর্নর ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নতুন গভর্নর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি যোগ দিয়ে নীতি সুদহার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে এক সদস্যের পদত্যাগ ও অর্থনীতিবিদদের বিরোধিতার মুখে সেই সভা ভেস্তে যায়। এর মধ্যে ইরানে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আগ্রাসন শুরু করে। প্রতিরোধে ইরান পাল্টা হামলা চালালে জ্বালানি সরবরাহ ও দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তা বুঝতে দেশের অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে সভার উদ্যোগ নেন গভর্নর।
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ডলারের ওপর আবারও চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি প্রবাসী আয়েও ধাক্কা আসতে পারে। এছাড়া জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরকারের নীতি হলো দেশের বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান তৈরি করা। এমন পরিস্থিতিতে কি ধরনের নীতি নেওয়া যায় ও সরকার কি করতে পারে, সভায় অর্থনীতিবিদদের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, গভর্নর জানিয়েছেন, তিনি সততার সঙ্গে কাজ করবেন। রাজনৈতিক চাপে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। ব্যাংকগুলোকেও রাজনৈতিক চাপে সিদ্ধান্ত না নিতে বলেছেন গভর্নর। পরে অর্থনীতিবিদরা জানান, এখন যে বৈশ্বিক চাপের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা এড়ানোর সুযোগ কম। কীভাবে কম ক্ষতি হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। বর্তমানে যে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ (রিজার্ভ), তা ধরে রাখতে হবে। রিজার্ভ থেকে ডলার খরচ করে আমদানি করা যাবে না। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আনা কঠিন হওয়ায় ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুর থেকে সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে হবে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এখনই তা ভোক্তা পর্যায়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এছাড়া বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিতে হবে।
তারা পরামর্শ দেন, বিশ্বব্যাংকসহ যত বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে, তা দ্রত ছাড় করার উদ্যোগ নিতে হবে। তেলের আমদানির জন্য ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে বাড়তি ঋণের উদ্যোগ নিতে হবে। শ্রমিকদের যাতায়াতে সমস্যার কারণে প্রবাসী আয় ধাক্কা আসতে পারে। তবে যারা আয় পাঠাতে চান, তাদের আনার ব্যবস্থাপনা আরও মসৃণ করতে হবে।
অর্থনীতিবিদরা বলেন, এখনো মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আরও বেড়ে যাক এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে সরকার ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে, তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সুদহার কমাতে এখনই নীতি সুদহার কমানে ঠিক হবে না। এজন্য যুদ্ধের পর পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যাক্তারা যাতে চাহিদামতো ঋণ পান, সেদিকে নজর দিতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাবে অর্থনীতির আসন্ন ধাক্কা সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংকে একগুচ্ছ পরামর্শ দিয়েছেন দেশের শীর্ষ আট অর্থনীতিবিদরা। শনিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সভায় তারা জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তে বিকল্প উৎস সন্ধানের তাগিদ দিয়েছেন।
এসব অর্থনীতিবিদের ভাষ্যে, দাম বাড়লেও এখনই তা গ্রাহক পর্যায়ে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এতে মুল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে। দেশের যে রিজার্ভ রয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে। এখনই নীতি সুদহারে হাত না দিয়ে সংকট কেটে গেলে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য এটি কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তারা।
সভায় অর্থনীতিবিদদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরী, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক ও বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ নাজমুস সাদাত খান।
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পাশাপাশি চার ডেপুটি গভর্নর ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নতুন গভর্নর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি যোগ দিয়ে নীতি সুদহার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে এক সদস্যের পদত্যাগ ও অর্থনীতিবিদদের বিরোধিতার মুখে সেই সভা ভেস্তে যায়। এর মধ্যে ইরানে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আগ্রাসন শুরু করে। প্রতিরোধে ইরান পাল্টা হামলা চালালে জ্বালানি সরবরাহ ও দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তা বুঝতে দেশের অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে সভার উদ্যোগ নেন গভর্নর।
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ডলারের ওপর আবারও চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি প্রবাসী আয়েও ধাক্কা আসতে পারে। এছাড়া জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সরকারের নীতি হলো দেশের বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান তৈরি করা। এমন পরিস্থিতিতে কি ধরনের নীতি নেওয়া যায় ও সরকার কি করতে পারে, সভায় অর্থনীতিবিদদের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়।
সভায় উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, গভর্নর জানিয়েছেন, তিনি সততার সঙ্গে কাজ করবেন। রাজনৈতিক চাপে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। ব্যাংকগুলোকেও রাজনৈতিক চাপে সিদ্ধান্ত না নিতে বলেছেন গভর্নর। পরে অর্থনীতিবিদরা জানান, এখন যে বৈশ্বিক চাপের আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা এড়ানোর সুযোগ কম। কীভাবে কম ক্ষতি হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। বর্তমানে যে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ (রিজার্ভ), তা ধরে রাখতে হবে। রিজার্ভ থেকে ডলার খরচ করে আমদানি করা যাবে না। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আনা কঠিন হওয়ায় ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুর থেকে সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে হবে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এখনই তা ভোক্তা পর্যায়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এছাড়া বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিতে হবে।
তারা পরামর্শ দেন, বিশ্বব্যাংকসহ যত বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে, তা দ্রত ছাড় করার উদ্যোগ নিতে হবে। তেলের আমদানির জন্য ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে বাড়তি ঋণের উদ্যোগ নিতে হবে। শ্রমিকদের যাতায়াতে সমস্যার কারণে প্রবাসী আয় ধাক্কা আসতে পারে। তবে যারা আয় পাঠাতে চান, তাদের আনার ব্যবস্থাপনা আরও মসৃণ করতে হবে।
অর্থনীতিবিদরা বলেন, এখনো মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। আরও বেড়ে যাক এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে সরকার ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে, তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সুদহার কমাতে এখনই নীতি সুদহার কমানে ঠিক হবে না। এজন্য যুদ্ধের পর পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যাক্তারা যাতে চাহিদামতো ঋণ পান, সেদিকে নজর দিতে হবে।

দুই দশক পর ক্ষমায় ফিরে ঝুঁকি নিল বিএনপি সরকার। জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রথম বাজেট দিয়ে উচ্চাশার বাণী শোনালেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৫ ঘণ্টা আগে
বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন গতিশীল এবং উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন খাতে উৎসে উল্লেখযোগ্য হারে কর কমানো এবং করপোরেট করহার দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রাখার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এই তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট এবং ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বেশ চ্যালেঞ্জিং।’
৮ ঘণ্টা আগে