ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে পুরস্কার দিয়ে নোবেল কমিটি মূলত ট্রাম্পের ক্ষমতা ও হস্তক্ষেপের ধারণাকেই ‘শান্তি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
স্ট্রিম ডেস্ক

হোয়াইট হাউস যখন নোবেল কমিটিকে অভিযুক্ত করেছিল ‘রাজনীতিকে শান্তির উপরে স্থান দেওয়ার’ জন্য—কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পুরস্কার দেয়নি—তখনও ট্রাম্প প্রশাসন আসলে সন্তুষ্ট ছিল। কারণ, পুরস্কারটি গেছে ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদোর হাতে। ট্রাম্প ও মাচাদো দুজনই এক ধরনের দক্ষিণপন্থী কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই প্রেসিডেন্ট দ্রুত তাঁকে অভিনন্দন জানান, আর মাচাদোও পাল্টা সেই পুরস্কার ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেন।
ভেনেজুয়েলার কট্টর দক্ষিণপন্থী বিরোধী নেত্রী হিসেবে মাচাদো দীর্ঘদিন ধরে এমন এক ধরনের ‘শান্তির’ পক্ষে কাজ করেছেন, যা দেশটির গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করেছে। ২০০২ সালে তিনি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজের বিরুদ্ধে এক সামরিক অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি এমন এক বিরোধী জোট গড়েন, যার লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং দেশটিকে আবারও ধনিকশাসিত ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া।
এই প্রচেষ্টার মধ্যে ছিল সহিংস বিক্ষোভ সংগঠিত করা, সড়ক অবরোধ, প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর হামলা, অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, এবং জনগণের এক বৃহৎ অংশকে আতঙ্কিত করা। সম্প্রতি তিনি তথাকথিত ‘মুক্তি’-র নামে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে অনুরোধ করেন ভেনেজুয়েলাকে বোমা হামলার মাধ্যমে ‘মুক্ত’ করতে—যার মাধ্যমে তিনি গাজার গণহত্যারও প্রকাশ্যে সমর্থন জানান।

মাচাদোর আন্তর্জাতিক পরিচিতি গড়ে উঠেছে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অভিজাতদের সহায়তায়। তাঁরা তাঁকে এক ‘স্বাধীনতার সংগ্রামী’ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যদিও তাঁর কার্যক্রম বারবার দেশটিকে অস্থিতিশীল করেছে। তাঁর ভাবমূর্তি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কাছে আকর্ষণীয়, যেখানে ডানপন্থী জনতাবাদীরা এখন ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করে কমিটি আসলে এই সাজানো ভাবমূর্তিকেই বৈধতা দিয়েছে। তারা পশ্চিমা ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে যে, ‘গণতন্ত্র’ বলতে কী বোঝাবে তা নির্ধারণ করার অধিকার কেবল পশ্চিমেরই রয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—এটা কেবল নোবেল কমিটির ভুল সিদ্ধান্ত নয়, বরং এমন এক পদক্ষেপ যা ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক হস্তক্ষেপ ও শক্তি প্রদর্শনের পথ খুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে লাতিন আমেরিকায় বন্দুকনির্ভর কূটনীতি আবারও জোরদার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভেনেজুয়েলার জন্য এর মানে হচ্ছে—সহিংসভাবে সরকার পরিবর্তনের ঝুঁকি এখন আরও বেড়ে গেছে।

আসলে মাচাদো নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ফলে ভেনেজুয়েলায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ আরও বাড়তে পারে। নিউইয়র্ক টাইমস-এর কলাম লেখক ব্রেট স্টিফেন্সও তাঁর এই যুদ্ধংদেহী অবস্থানের প্রতিধ্বনি করেছেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ মাচাদো আগে থেকেই ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কথিত অবৈধ ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ সমর্থন দিয়েছেন। ট্রাম্পের আক্রমণের হুমকিতে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া এমন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, যা ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে এবং লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছে।
এই সতর্কবার্তা ইতিমধ্যেই সত্য প্রমাণিত হচ্ছে। গত বুধবার নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করে যে ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার সরকারকে অস্থিতিশীল করতে সিআইএর গোপন অভিযান অনুমোদন করেছে। এই তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে আশঙ্কাটি নিশ্চিত হয়েছে—মাচাদোকে ‘শান্তির প্রতীক’ হিসেবে পুরস্কৃত করা আসলে ওয়াশিংটনকে নতুনভাবে ভেনেজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের পথে উৎসাহিত করেছে। কার্যত নোবেল কমিটি এমন এক নৈতিক আড়াল তৈরি করেছে, যা সেই হস্তক্ষেপগুলোকেই বৈধতা দেয়। অথচ সেগুলোর নিন্দাই শান্তি পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্য।
অন্যভাবে বললে, মাচাদোকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সমস্যাটা শুধু এটুকু নয় যে, এটি ‘শান্তি’-র ধারণাকেই উপহাস করে। এর মাধ্যমে নোবেল কমিটি ট্রাম্পীয় এক ধোঁকাবাজিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যেখানে সহিংসতাকেই শান্তি হিসেবে দেখানো হয়—এবং সেই শান্তির নামে কর্তৃত্ববাদকে ‘গণতন্ত্র’ হিসেবে প্রচার করা হয়। বিরোধীদের তখন স্বাধীনতার শত্রু হিসেবে চিত্রিত করা হয়, যাদের নির্মূল করাকে বৈধ মনে করা হয়। ফলে এই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত এমন এক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখে, যা ধনীদের সুবিধা দেয়, আর সাধারণ মানুষকে আরও দুঃসহ জীবনে ঠেলে দেয়।
এই দিক থেকে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র মাচাদোর কাছে ততটাই অপ্রাসঙ্গিক, যতটা ট্রাম্পের কাছেও। দক্ষিণপন্থী কর্তৃত্ববাদের লক্ষ্য ও কৌশল সমগ্র আমেরিকা মহাদেশে প্রায় একই রকম—রাজনৈতিক ক্ষমতা ধনী অভিজাতদের হাতে কেন্দ্রীভূত রাখা। এর মাধ্যমে তারা পুরোনো ব্যর্থ অর্থনৈতিক নীতি পুনরায় চালু করে, যা ধনীদের পক্ষেই সম্পদের পুনর্বণ্টন ঘটায় এবং শ্রমজীবী মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ ও সরকারি সেবায় রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ কমায়।
অতএব, একজন এমন নেত্রীকে শান্তি পুরস্কার দেওয়া—যিনি গণতন্ত্রের মুখোশ পরে সহিংস হস্তক্ষেপ ও দরিদ্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালান—শুধু ভেনেজুয়েলার জন্য নয়, পুরো মহাদেশ ও বিশ্বের জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক।

হোয়াইট হাউস যখন নোবেল কমিটিকে অভিযুক্ত করেছিল ‘রাজনীতিকে শান্তির উপরে স্থান দেওয়ার’ জন্য—কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পুরস্কার দেয়নি—তখনও ট্রাম্প প্রশাসন আসলে সন্তুষ্ট ছিল। কারণ, পুরস্কারটি গেছে ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদোর হাতে। ট্রাম্প ও মাচাদো দুজনই এক ধরনের দক্ষিণপন্থী কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই প্রেসিডেন্ট দ্রুত তাঁকে অভিনন্দন জানান, আর মাচাদোও পাল্টা সেই পুরস্কার ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেন।
ভেনেজুয়েলার কট্টর দক্ষিণপন্থী বিরোধী নেত্রী হিসেবে মাচাদো দীর্ঘদিন ধরে এমন এক ধরনের ‘শান্তির’ পক্ষে কাজ করেছেন, যা দেশটির গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করেছে। ২০০২ সালে তিনি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজের বিরুদ্ধে এক সামরিক অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। ব্যর্থ হওয়ার পরও তিনি এমন এক বিরোধী জোট গড়েন, যার লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারকে অস্থিতিশীল করা এবং দেশটিকে আবারও ধনিকশাসিত ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া।
এই প্রচেষ্টার মধ্যে ছিল সহিংস বিক্ষোভ সংগঠিত করা, সড়ক অবরোধ, প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর হামলা, অর্থনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, এবং জনগণের এক বৃহৎ অংশকে আতঙ্কিত করা। সম্প্রতি তিনি তথাকথিত ‘মুক্তি’-র নামে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কাছে অনুরোধ করেন ভেনেজুয়েলাকে বোমা হামলার মাধ্যমে ‘মুক্ত’ করতে—যার মাধ্যমে তিনি গাজার গণহত্যারও প্রকাশ্যে সমর্থন জানান।

মাচাদোর আন্তর্জাতিক পরিচিতি গড়ে উঠেছে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক অভিজাতদের সহায়তায়। তাঁরা তাঁকে এক ‘স্বাধীনতার সংগ্রামী’ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যদিও তাঁর কার্যক্রম বারবার দেশটিকে অস্থিতিশীল করেছে। তাঁর ভাবমূর্তি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কাছে আকর্ষণীয়, যেখানে ডানপন্থী জনতাবাদীরা এখন ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করে কমিটি আসলে এই সাজানো ভাবমূর্তিকেই বৈধতা দিয়েছে। তারা পশ্চিমা ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে যে, ‘গণতন্ত্র’ বলতে কী বোঝাবে তা নির্ধারণ করার অধিকার কেবল পশ্চিমেরই রয়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—এটা কেবল নোবেল কমিটির ভুল সিদ্ধান্ত নয়, বরং এমন এক পদক্ষেপ যা ট্রাম্পকে আরও বেশি সামরিক হস্তক্ষেপ ও শক্তি প্রদর্শনের পথ খুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে লাতিন আমেরিকায় বন্দুকনির্ভর কূটনীতি আবারও জোরদার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভেনেজুয়েলার জন্য এর মানে হচ্ছে—সহিংসভাবে সরকার পরিবর্তনের ঝুঁকি এখন আরও বেড়ে গেছে।

আসলে মাচাদো নিজেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ফলে ভেনেজুয়েলায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ আরও বাড়তে পারে। নিউইয়র্ক টাইমস-এর কলাম লেখক ব্রেট স্টিফেন্সও তাঁর এই যুদ্ধংদেহী অবস্থানের প্রতিধ্বনি করেছেন। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ মাচাদো আগে থেকেই ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কথিত অবৈধ ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ সমর্থন দিয়েছেন। ট্রাম্পের আক্রমণের হুমকিতে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া এমন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, যা ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে এবং লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটিয়েছে।
এই সতর্কবার্তা ইতিমধ্যেই সত্য প্রমাণিত হচ্ছে। গত বুধবার নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশ করে যে ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার সরকারকে অস্থিতিশীল করতে সিআইএর গোপন অভিযান অনুমোদন করেছে। এই তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে আশঙ্কাটি নিশ্চিত হয়েছে—মাচাদোকে ‘শান্তির প্রতীক’ হিসেবে পুরস্কৃত করা আসলে ওয়াশিংটনকে নতুনভাবে ভেনেজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের পথে উৎসাহিত করেছে। কার্যত নোবেল কমিটি এমন এক নৈতিক আড়াল তৈরি করেছে, যা সেই হস্তক্ষেপগুলোকেই বৈধতা দেয়। অথচ সেগুলোর নিন্দাই শান্তি পুরস্কারের মূল উদ্দেশ্য।
অন্যভাবে বললে, মাচাদোকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সমস্যাটা শুধু এটুকু নয় যে, এটি ‘শান্তি’-র ধারণাকেই উপহাস করে। এর মাধ্যমে নোবেল কমিটি ট্রাম্পীয় এক ধোঁকাবাজিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যেখানে সহিংসতাকেই শান্তি হিসেবে দেখানো হয়—এবং সেই শান্তির নামে কর্তৃত্ববাদকে ‘গণতন্ত্র’ হিসেবে প্রচার করা হয়। বিরোধীদের তখন স্বাধীনতার শত্রু হিসেবে চিত্রিত করা হয়, যাদের নির্মূল করাকে বৈধ মনে করা হয়। ফলে এই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত এমন এক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখে, যা ধনীদের সুবিধা দেয়, আর সাধারণ মানুষকে আরও দুঃসহ জীবনে ঠেলে দেয়।
এই দিক থেকে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র মাচাদোর কাছে ততটাই অপ্রাসঙ্গিক, যতটা ট্রাম্পের কাছেও। দক্ষিণপন্থী কর্তৃত্ববাদের লক্ষ্য ও কৌশল সমগ্র আমেরিকা মহাদেশে প্রায় একই রকম—রাজনৈতিক ক্ষমতা ধনী অভিজাতদের হাতে কেন্দ্রীভূত রাখা। এর মাধ্যমে তারা পুরোনো ব্যর্থ অর্থনৈতিক নীতি পুনরায় চালু করে, যা ধনীদের পক্ষেই সম্পদের পুনর্বণ্টন ঘটায় এবং শ্রমজীবী মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ ও সরকারি সেবায় রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ কমায়।
অতএব, একজন এমন নেত্রীকে শান্তি পুরস্কার দেওয়া—যিনি গণতন্ত্রের মুখোশ পরে সহিংস হস্তক্ষেপ ও দরিদ্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালান—শুধু ভেনেজুয়েলার জন্য নয়, পুরো মহাদেশ ও বিশ্বের জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক।

এটি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের বক্তব্য। সম্প্রতি তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে নকল প্রতিরোধ নিয়ে কথা বলার সময় মন্তব্যটি করেছিলেন। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক ‘ট্রল’। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তো বটেই, নানা বয়সী মানুষ দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের আদল
১২ ঘণ্টা আগে
‘রবলক্স’ এই প্রজন্মের শিশুদের কাছে কেবল একটি গেম নয়, বরং এক বিশাল ডিজিটাল বিচরণক্ষেত্র যা সৃজনশীলতার আবরণে ঢাকা। তবে এর জনপ্রিয়তার আড়ালে দানা বেঁধেছে নানাবিধ সাইবার ঝুঁকি। এই গেম আমাদের অতীতের ‘ব্লু হোয়েল’ বা ‘মোমো চ্যালেঞ্জ’-এর মতো আত্মঘাতী ও ভয়ংকর গেমগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। বিশেষ করে জেনার
১৮ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এবং আন্তঃজেলা রুটে বাসযাত্রীদের জন্য নতুন ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
যেখানে কংগ্রেসের সমর্থন পাওয়া অনিশ্চিত, সেখানে ট্রাম্প কি অতীতের প্রেসিডেন্টদের মতো কোনো আইনি ফাঁকফোকর খুঁজবেন? নাকি সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করেই এই যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন তিনি?
২ দিন আগে