স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণমাধ্যমে ভুয়া খবর প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এই প্রবণতা এতটাই বেড়েছে যে মূলধারার শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমেও ভুয়া খবরের ছড়াছড়ি। গতকাল শনিবার (২৮ জুন) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত সেমিনারে এক গবেষণা প্রবন্ধে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
গবেষণাটি করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ (ইবিএলআইসিটি) প্রকল্পের পরামর্শক মামুন অর রশীদ। তিনি জানান, তাঁর গবেষণার শিরোনাম,‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক অপতথ্যের গতিপ্রকৃতি’।
গবেষক মামুন অর রশীদের গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমগুলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ খবর প্রকাশের চেয়ে ভাইরাল হওয়ার দিকেই মনোযোগ বেশি দিচ্ছে।
এ ধরনের খবর গণমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে। ভাইরাল খবরের বাণিজ্যিক ও আর্থিক মূল্য বিবেচনায় এমনটা করা হচ্ছে বলে গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামুন অর রশীদ জানান, তিনি তাঁর গবেষণায় দেখেছেন, ভুয়া খবর প্রকাশের পর খবর প্রত্যাহারের তালিকায় প্রথম দিকে রয়েছে প্রথম আলো, দৈনিক কালবেলা, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক যুগান্তর, ডেইলি স্টার, ঢাকা পোস্ট, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজসহ বেশ কিছু গণমাধ্যম।
মামুন অর রশীদ বলেন, ‘এটি আমার নিজস্ব গবেষণাকর্ম, গত জানুয়ারি থেকে চলতি জুন মাস নাগাদ গবেষণায় এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।’
গবেষণাকর্মটি জার্নালে প্রকাশের জন্য আরও তথ্য হালনাগাদ করা হচ্ছে বলেও জানান এই গবেষক।
গবেষণায় ফ্যাক্ট-চেক সাইট থেকে নেওয়া ছয় মাসের স্ক্যাপ ডেটা, মূলধারার গণমাধ্যমের ৬৯৪টি পৃথক ডেডলিংকসহ পাঁচটি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমে ভুয়া খবর প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। এই প্রবণতা এতটাই বেড়েছে যে মূলধারার শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমেও ভুয়া খবরের ছড়াছড়ি। গতকাল শনিবার (২৮ জুন) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত সেমিনারে এক গবেষণা প্রবন্ধে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
গবেষণাটি করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ (ইবিএলআইসিটি) প্রকল্পের পরামর্শক মামুন অর রশীদ। তিনি জানান, তাঁর গবেষণার শিরোনাম,‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক অপতথ্যের গতিপ্রকৃতি’।
গবেষক মামুন অর রশীদের গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমগুলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ খবর প্রকাশের চেয়ে ভাইরাল হওয়ার দিকেই মনোযোগ বেশি দিচ্ছে।
এ ধরনের খবর গণমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে। ভাইরাল খবরের বাণিজ্যিক ও আর্থিক মূল্য বিবেচনায় এমনটা করা হচ্ছে বলে গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামুন অর রশীদ জানান, তিনি তাঁর গবেষণায় দেখেছেন, ভুয়া খবর প্রকাশের পর খবর প্রত্যাহারের তালিকায় প্রথম দিকে রয়েছে প্রথম আলো, দৈনিক কালবেলা, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক যুগান্তর, ডেইলি স্টার, ঢাকা পোস্ট, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজসহ বেশ কিছু গণমাধ্যম।
মামুন অর রশীদ বলেন, ‘এটি আমার নিজস্ব গবেষণাকর্ম, গত জানুয়ারি থেকে চলতি জুন মাস নাগাদ গবেষণায় এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।’
গবেষণাকর্মটি জার্নালে প্রকাশের জন্য আরও তথ্য হালনাগাদ করা হচ্ছে বলেও জানান এই গবেষক।
গবেষণায় ফ্যাক্ট-চেক সাইট থেকে নেওয়া ছয় মাসের স্ক্যাপ ডেটা, মূলধারার গণমাধ্যমের ৬৯৪টি পৃথক ডেডলিংকসহ পাঁচটি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পোস্ট ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয়ের অনার্স কোর্স বাতিল হচ্ছে। ফটোকার্ডে আরও বলা হয়েছে, পাঠ্যক্রমে যুক্ত হবে এআই, সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ডিভোর্সের পর কেউ দায়িত্ব না নেওয়ায় শিশু সন্তানকে এতিমখানায় ফেলে গেছেন জন্মদাতা বাবা-মা।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
৩ দিন আগে
ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কারামুক্তির পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন আইভী।
৪ দিন আগে