স্টিভ সালগ্রা রেমা

ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি, ভিডিও ও ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আকাশে পাল্টাপাল্টি হামলার শিরোনামের আড়ালে অনলাইনে ঘুরছে নেতাদের মৃত্যু, বেঁচে থাকা, টার্গেট ধ্বংস, বিমানবন্দরে হামলা, এমনকি শেষকৃত্যের মতো দৃশ্যের দাবিও। এসব কনটেন্টকে যুদ্ধের দৃশ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, ফ্যাক্টচেক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একাধিক ঘটনায় উৎস, সময় ও স্থান মিলছে না। এসব পোস্ট সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ফেসবুকের পোস্ট ও রিলস আকারে।
নেতাদের মৃত্যু ও জীবিত থাকা নিয়ে গুজব
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরও সামাজিক মাধ্যমে তার বেঁচে থাকার দাবি করে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি সাম্প্রতিক কোনো বার্তা নয়; এটি ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া তার ভাষণ, যা গত ১২ ফেব্রুয়ারির।
আবার, ফেসবুকে ছড়ানো একটি ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে যে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখনো জীবিত এবং এটি ভারতে নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি ড. আব্দুল মজিদ হাকিম ইলাহির বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রচার করা হয়েছে। তবে ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, ভিডিওটি মূল ৪ মিনিটের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ এবং সেখানে কোথাও খামেনির জীবিত থাকার দাবি করা হয়নি; বরং বক্তব্যের শুরুতেই তার মৃত্যুর ঘটনায় সমবেদনা জানানো হয়।

কাতারভিত্তিক আল-জাজিরাকে সূত্র দেখিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, আল জাজিরার ওয়েবসাইটে এমন কোনো প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো দাবি বা বক্তব্যও মেলেনি। ফলে আল-জাজিরার নাম ব্যবহার করে বানোয়াট সূত্র দাঁড় করিয়ে এই মৃত্যুর দাবিটি ছড়ানো হয়েছে।
যুদ্ধে পুরোনো ভিডিওকে নতুন দাবি হিসেবে প্রচার
চলমান সংঘাতকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি যে কৌশলটি চোখে পড়েছে, তা হলো পুরোনো বা ভিন্ন ঘটনার ভিডিওকে বর্তমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের দৃশ্য হিসেবে প্রচার করা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইসরায়েলে ইরানের হামলার দৃশ্য দাবি করে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি ইসরায়েলে কোনো হামলার নয়। এটি ২০২৫ সালের এপ্রিলে সিরিয়ার আল-বাব শহরের একটি পেট্রোল পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা।

একইভাবে, ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করে ইরান ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ড্রোন বহর ছুড়েছে দাবিতে একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, ভিডিওটি সাম্প্রতিক সংঘাতের নয় এবং ২০১৯ সাল থেকেই ইন্টারনেটে রয়েছে।
ইরানের হামলায় ইসরায়েলি সেনারা ভয়ে পালাচ্ছে দাবিতে আরেকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিডিওটি ইরান-ইসরায়েল চলমান সংঘাতের নয়, বরং ২০২৪ সালের অক্টোবরে লেবানান-ইসরায়েল সংঘাতের সময়কার।
ফেসবুকে তেল আবিবে অস্ত্রের ডিপোতে ইরানি মিসাইল আঘাত করেছে দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, এটি হামলার ভিডিও নয়, ২০২৪ সালের ২৬ অক্টোবর তেল আবিব-ইয়াফোর একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের পুরনো ফুটেজ। রিভার্স ইমেজ সার্চে News 12-এর ভেরিফায়েড এক্স পোস্ট এবং ‘War Intel’ অ্যাকাউন্টের একই দিনের পোস্টে একই ভিডিও মিলে যায়।
এছাড়া , ইসরায়েলের বেন গুয়রিয়ন বিমানবন্দরে ইরান বোমা হামলা করেছে দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন বলছে, ভিডিওটি ইসরায়েলের নয়; ২০২৫ সালের ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমেরিকান এয়ারলাইনসের বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে আগুন লাগার দৃশ্য। রিভার্স ইমেজ সার্চে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ৫১ সেকেন্ডের মূল ভিডিওটির ৩ থেকে ৪০ সেকেন্ড অংশের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটি হুবহু মিলে যায়।
এমনকি দুবাইয়ে হামলা দাবিতে ইসরায়েলের আয়রন ডোম ব্যবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের পুরোনো ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।
এআই-নির্মিত ভুয়া দৃশ্য প্রচার
এই সংঘাতে চোখে দেখাকে বিশ্বাসযোগ্য বানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাবহার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহ উদ্ধার দাবিতে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়েছে। ফ্যাক্টচেক বলেছে, দৃশ্যটি বাস্তব নয়; ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি । একই ধারায়, নিহত খামেনির ছবি দাবিতে ফেসবুকে ছড়ানো আরেকটি ছবি সম্পর্কে ফ্যাক্ট ওয়াচ জানিয়েছে, ছবিটি অন্তত জানুয়ারি থেকেই ইন্টারনেটে পাওয়া যায় এবং একাধিক এআই শনাক্তকারী টুল এটিকে এআই-জেনারেটেড হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের দৃশ্য দাবিতে দুটি ছবি ফেসবুকে ছড়ানো হয়। তবে ইরান সরকার বা আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য বা ছবি পাওয়া যায়নি। ছবিগুলোতে অসংগতি, গুগল জেমিনির এআই জলছাপ এবং এআই শনাক্তকারী প্ল্যাটফর্মের বিশ্লেষণে এগুলো কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়ার শক্ত প্রমাণ মিলেছে।

ভিডিওর ক্ষেত্রেও একই কৌশল দেখা যায়। আমেরিকান জাহাজ মিসাইল দিয়ে ইরান ধ্বংস করেছে দাবিতে ছড়ানো একটি ভিডিও সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক বলছে, ভিডিওটি বাস্তব নয়, এআই দিয়ে সিমুলেটেড।
এদিকে, নেতানিয়াহুর হেডকোয়ার্টার ও বাসভবনে ইরানের মিসাইল হামলা দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক করে দেখা যায়, ভিডিওটি নেসেট ভবনে বিস্ফোরণের এআই-নির্মিত ক্লিপ; এতে ধারাবাহিক দৃশ্যগত অসঙ্গতি (ধসের পর আবার ভবন দাঁড়ানো) দেখা যায়। হাইভ মডারেশন ও ডিপফেক শনাক্তকরণ টুলের বিশ্লেষণেও ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলা হয়েছে।

ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা দাবি, ভিডিও ও ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আকাশে পাল্টাপাল্টি হামলার শিরোনামের আড়ালে অনলাইনে ঘুরছে নেতাদের মৃত্যু, বেঁচে থাকা, টার্গেট ধ্বংস, বিমানবন্দরে হামলা, এমনকি শেষকৃত্যের মতো দৃশ্যের দাবিও। এসব কনটেন্টকে যুদ্ধের দৃশ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, ফ্যাক্টচেক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একাধিক ঘটনায় উৎস, সময় ও স্থান মিলছে না। এসব পোস্ট সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ফেসবুকের পোস্ট ও রিলস আকারে।
নেতাদের মৃত্যু ও জীবিত থাকা নিয়ে গুজব
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরও সামাজিক মাধ্যমে তার বেঁচে থাকার দাবি করে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি সাম্প্রতিক কোনো বার্তা নয়; এটি ইসলামি বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া তার ভাষণ, যা গত ১২ ফেব্রুয়ারির।
আবার, ফেসবুকে ছড়ানো একটি ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে যে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখনো জীবিত এবং এটি ভারতে নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি ড. আব্দুল মজিদ হাকিম ইলাহির বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রচার করা হয়েছে। তবে ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, ভিডিওটি মূল ৪ মিনিটের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ এবং সেখানে কোথাও খামেনির জীবিত থাকার দাবি করা হয়নি; বরং বক্তব্যের শুরুতেই তার মৃত্যুর ঘটনায় সমবেদনা জানানো হয়।

কাতারভিত্তিক আল-জাজিরাকে সূত্র দেখিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, আল জাজিরার ওয়েবসাইটে এমন কোনো প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো দাবি বা বক্তব্যও মেলেনি। ফলে আল-জাজিরার নাম ব্যবহার করে বানোয়াট সূত্র দাঁড় করিয়ে এই মৃত্যুর দাবিটি ছড়ানো হয়েছে।
যুদ্ধে পুরোনো ভিডিওকে নতুন দাবি হিসেবে প্রচার
চলমান সংঘাতকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি যে কৌশলটি চোখে পড়েছে, তা হলো পুরোনো বা ভিন্ন ঘটনার ভিডিওকে বর্তমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের দৃশ্য হিসেবে প্রচার করা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইসরায়েলে ইরানের হামলার দৃশ্য দাবি করে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি ইসরায়েলে কোনো হামলার নয়। এটি ২০২৫ সালের এপ্রিলে সিরিয়ার আল-বাব শহরের একটি পেট্রোল পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা।

একইভাবে, ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করে ইরান ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ড্রোন বহর ছুড়েছে দাবিতে একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, ভিডিওটি সাম্প্রতিক সংঘাতের নয় এবং ২০১৯ সাল থেকেই ইন্টারনেটে রয়েছে।
ইরানের হামলায় ইসরায়েলি সেনারা ভয়ে পালাচ্ছে দাবিতে আরেকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিডিওটি ইরান-ইসরায়েল চলমান সংঘাতের নয়, বরং ২০২৪ সালের অক্টোবরে লেবানান-ইসরায়েল সংঘাতের সময়কার।
ফেসবুকে তেল আবিবে অস্ত্রের ডিপোতে ইরানি মিসাইল আঘাত করেছে দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। ফ্যাক্টচেকে দেখা যায়, এটি হামলার ভিডিও নয়, ২০২৪ সালের ২৬ অক্টোবর তেল আবিব-ইয়াফোর একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের পুরনো ফুটেজ। রিভার্স ইমেজ সার্চে News 12-এর ভেরিফায়েড এক্স পোস্ট এবং ‘War Intel’ অ্যাকাউন্টের একই দিনের পোস্টে একই ভিডিও মিলে যায়।
এছাড়া , ইসরায়েলের বেন গুয়রিয়ন বিমানবন্দরে ইরান বোমা হামলা করেছে দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন বলছে, ভিডিওটি ইসরায়েলের নয়; ২০২৫ সালের ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমেরিকান এয়ারলাইনসের বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে আগুন লাগার দৃশ্য। রিভার্স ইমেজ সার্চে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ৫১ সেকেন্ডের মূল ভিডিওটির ৩ থেকে ৪০ সেকেন্ড অংশের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটি হুবহু মিলে যায়।
এমনকি দুবাইয়ে হামলা দাবিতে ইসরায়েলের আয়রন ডোম ব্যবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের পুরোনো ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।
এআই-নির্মিত ভুয়া দৃশ্য প্রচার
এই সংঘাতে চোখে দেখাকে বিশ্বাসযোগ্য বানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাবহার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহ উদ্ধার দাবিতে ফেসবুকে একটি ছবি ছড়িয়েছে। ফ্যাক্টচেক বলেছে, দৃশ্যটি বাস্তব নয়; ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি । একই ধারায়, নিহত খামেনির ছবি দাবিতে ফেসবুকে ছড়ানো আরেকটি ছবি সম্পর্কে ফ্যাক্ট ওয়াচ জানিয়েছে, ছবিটি অন্তত জানুয়ারি থেকেই ইন্টারনেটে পাওয়া যায় এবং একাধিক এআই শনাক্তকারী টুল এটিকে এআই-জেনারেটেড হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এছাড়া, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যের দৃশ্য দাবিতে দুটি ছবি ফেসবুকে ছড়ানো হয়। তবে ইরান সরকার বা আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য বা ছবি পাওয়া যায়নি। ছবিগুলোতে অসংগতি, গুগল জেমিনির এআই জলছাপ এবং এআই শনাক্তকারী প্ল্যাটফর্মের বিশ্লেষণে এগুলো কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়ার শক্ত প্রমাণ মিলেছে।

ভিডিওর ক্ষেত্রেও একই কৌশল দেখা যায়। আমেরিকান জাহাজ মিসাইল দিয়ে ইরান ধ্বংস করেছে দাবিতে ছড়ানো একটি ভিডিও সম্পর্কে ফ্যাক্টচেক বলছে, ভিডিওটি বাস্তব নয়, এআই দিয়ে সিমুলেটেড।
এদিকে, নেতানিয়াহুর হেডকোয়ার্টার ও বাসভবনে ইরানের মিসাইল হামলা দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। ফ্যাক্টচেক করে দেখা যায়, ভিডিওটি নেসেট ভবনে বিস্ফোরণের এআই-নির্মিত ক্লিপ; এতে ধারাবাহিক দৃশ্যগত অসঙ্গতি (ধসের পর আবার ভবন দাঁড়ানো) দেখা যায়। হাইভ মডারেশন ও ডিপফেক শনাক্তকরণ টুলের বিশ্লেষণেও ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলা হয়েছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এবং জামায়াত আমিরের ফাইজার সঙ্গে দেখা করার দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
৫ দিন আগে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় ট্রাকচালককে বিএনপির একজন নেতা প্রকাশ্যে মারধর করেছেন (১,২)। কোথাও কোথাও তাকে শ্রমিক দলের নেতা বলেও উল্লেখ করা হয়।
৭ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি সিসিটিভি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে দাবি করা হয়, কুড়িগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ‘কুকুর সদৃশ রোবট’ দেখা গেছে (১,২,৩)। রাতের অন্ধকারে দুইটি আলো জ্বলা ‘চাকা-সদৃশ’ কিছু দ্রুত চলতে দেখা যাওয়ায় অনেকেই একে রোবট বলে প্রচার করেন।
১৩ দিন আগে
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্তালিনের নামে একটি উক্তি ভাইরাল হয়েছে। সেখানে লেখা— ‘যারা ভোট দেয় তারা নয়, যারা ভোট গণনা করে তারা সব নির্ধারণ করে।’ ছবিসহ উক্তিটি ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে স্ট্যাটাস, পোস্টার-ছবি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
১৫ দিন আগে