স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন সেনা সদস্য একজন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যাচ্ছেন।
The Student Journal নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টটিতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মন্তব্য পড়েছে ৫ হাজার ৭০০টি। আর ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে ১৯ হাজার বার।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি ভুয়া। প্রকৃতপক্ষে, এটি সীমান্তে মাইন পাতা বা বিএসএফের গুপ্তচর আটকের কোনো ভিডিও নয়।
ভিডিওটির কি-ফ্রেম ধরে অনুসন্ধানে যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ‘মুন্সিগঞ্জে কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ; পাকড়াও করলো সেনাবাহিনী’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনের দৃশ্যের সঙ্গে ফেসবুকে প্রচারিত ভিডিওর দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটিতে সীমান্ত, বিএসএফ, ভারতীয় গুপ্তচর, মাইন পাতা নিয়ে কোনো তথ্য নেই।
অর্থাৎ, অন্য ঘটনার সংবাদ ভিডিওর দৃশ্য ব্যবহার করে তাতে সীমান্তে ভারতীয় গুপ্তচর আটকের দাবি বসানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করেও মাইন পাতার সময় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের কোনো গুপ্তচরকে বিজিবি আটক করেছে, এমন তথ্য কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, বিজিবির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা সরকারি সূত্রে পাওয়া যায়নি।
স্ট্রিমের সাম্প্রতিক সীমান্ত–সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোতেও বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির টহল জোরদার ও আনসার-ভিডিপি মোতায়েনের তথ্য পাওয়া যায়। তবে মাইন পাততে আসা বিএসএফের গুপ্তচর আটকের কোনো তথ্য নেই। (১,২)
অর্থাৎ, ভিডিওটির ওপর বসানো দাবিটি সঠিক নয়। ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ব্যবহার করে মাইন পাততে আসা ভারতীয় গুপ্তচরকে বিজিবির আটকের দাবি প্রচার করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, মাইন পাতার জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের এক গুপ্তচরকে আটক করেছে বিজিবি। ভিডিওর ওপর বসানো লেখায় বলা হয়েছে, ‘সীমান্তে মাইন পাতার সময় ভারতীয় গুপ্তচর আটক।’
ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন সেনা সদস্য একজন ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যাচ্ছেন।
The Student Journal নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টটিতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মন্তব্য পড়েছে ৫ হাজার ৭০০টি। আর ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে ১৯ হাজার বার।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, দাবিটি ভুয়া। প্রকৃতপক্ষে, এটি সীমান্তে মাইন পাতা বা বিএসএফের গুপ্তচর আটকের কোনো ভিডিও নয়।
ভিডিওটির কি-ফ্রেম ধরে অনুসন্ধানে যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ‘মুন্সিগঞ্জে কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ; পাকড়াও করলো সেনাবাহিনী’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনের দৃশ্যের সঙ্গে ফেসবুকে প্রচারিত ভিডিওর দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটিতে সীমান্ত, বিএসএফ, ভারতীয় গুপ্তচর, মাইন পাতা নিয়ে কোনো তথ্য নেই।
অর্থাৎ, অন্য ঘটনার সংবাদ ভিডিওর দৃশ্য ব্যবহার করে তাতে সীমান্তে ভারতীয় গুপ্তচর আটকের দাবি বসানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করেও মাইন পাতার সময় বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী বিএসএফের কোনো গুপ্তচরকে বিজিবি আটক করেছে, এমন তথ্য কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, বিজিবির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা সরকারি সূত্রে পাওয়া যায়নি।
স্ট্রিমের সাম্প্রতিক সীমান্ত–সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোতেও বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির টহল জোরদার ও আনসার-ভিডিপি মোতায়েনের তথ্য পাওয়া যায়। তবে মাইন পাততে আসা বিএসএফের গুপ্তচর আটকের কোনো তথ্য নেই। (১,২)
অর্থাৎ, ভিডিওটির ওপর বসানো দাবিটি সঠিক নয়। ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ব্যবহার করে মাইন পাততে আসা ভারতীয় গুপ্তচরকে বিজিবির আটকের দাবি প্রচার করা হয়েছে।
.png)

ফেসবুকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, মারধরের শিকার ওই ব্যক্তি মতিঝিল থানা বিএনপির সভাপতি শিবলুর রহমান শিবু। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওটি ২৩ জুলাই পুরানা পল্টনে ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে আটক কেরামত আলীকে মারধরের ঘটনার।
১৬ ঘণ্টা আগে
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে সংসদ অভিমুখী পদযাত্রায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬
ফেসবুক পেজ ‘Global Times Live’ সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘নিজেদের গরু মহিষ নিয়ে দিল্লির পথে কৃষকরা।’ ভিডিওতে সড়কজুড়ে বিপুলসংখ্যক গরু এবং কিছু মানুষকে হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটির ৬ সেকেন্ডে বাঁ পাশে ‘সোর্স–Kunal (এক্স)’ লেখা দেখা যায়।
২২ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে।ভিডিওগুলোর বিভিন্ন অংশ সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি ঘিরে ব্যাখ্যাও কয়েক দফায় বদলেছে।
২১ জুলাই ২০২৬