স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ১৩ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এতে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ‘Sheikh Hasina will visit Bangladesh in December as the legitimate Prime Minister. She will have my full support.’ অর্থাৎ, শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
ফেসবুকের একটি পেজে ভিডিওটি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ‘এবার শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডিসেম্বর মাসেই ফিরছেন শেখ হাসিনা।’
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওর বক্তব্যটি ট্রাম্পের নয়। পুরোনো একটি স্থিরচিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে মুখ ও ঠোঁটের নড়াচড়া যুক্ত করে ভিডিওটি তৈরি করা। এতে ট্রাম্পের কণ্ঠও কৃত্রিমভাবে বসানো হয়েছে।
ট্রাম্প এমন কথা বলছেন কিনা, তা যাচাইয়ে বক্তব্যের ইংরেজি বাক্যাংশ ধরে হোয়াইট হাউসের বিবৃতি, ট্রাম্পের প্রকাশিত বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। তবে এসব সূত্রে এমন বক্তব্যের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এআই শনাক্তকরণ প্ল্যাটফর্ম হাইভ মডারেশনের বিশ্লেষণে ভিডিওটিতে এআই-তৈরি বা ডিপফেক উপাদান থাকার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে, এতে ব্যবহৃত ট্রাম্পের কণ্ঠ এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ।
ভিডিওর স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়। রয়টার্সের ছবির ক্যাপশন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর ফ্লোরিডার ডোরালে ইউনিভিশনের একটি টাউন হলে অংশ নেন ট্রাম্প। ওই সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
১০ জুলাই রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানান। দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বা সময় নিয়ে কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করেননি বলেও জানান তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ১৩ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এতে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ‘Sheikh Hasina will visit Bangladesh in December as the legitimate Prime Minister. She will have my full support.’ অর্থাৎ, শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
ফেসবুকের একটি পেজে ভিডিওটি পোস্ট করে লেখা হয়েছে, ‘এবার শেখ হাসিনাকে নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডিসেম্বর মাসেই ফিরছেন শেখ হাসিনা।’
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ভিডিওর বক্তব্যটি ট্রাম্পের নয়। পুরোনো একটি স্থিরচিত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে মুখ ও ঠোঁটের নড়াচড়া যুক্ত করে ভিডিওটি তৈরি করা। এতে ট্রাম্পের কণ্ঠও কৃত্রিমভাবে বসানো হয়েছে।
ট্রাম্প এমন কথা বলছেন কিনা, তা যাচাইয়ে বক্তব্যের ইংরেজি বাক্যাংশ ধরে হোয়াইট হাউসের বিবৃতি, ট্রাম্পের প্রকাশিত বক্তব্য এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। তবে এসব সূত্রে এমন বক্তব্যের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এআই শনাক্তকরণ প্ল্যাটফর্ম হাইভ মডারেশনের বিশ্লেষণে ভিডিওটিতে এআই-তৈরি বা ডিপফেক উপাদান থাকার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে, এতে ব্যবহৃত ট্রাম্পের কণ্ঠ এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ।
ভিডিওর স্থিরচিত্র রিভার্স ইমেজ সার্চে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়। রয়টার্সের ছবির ক্যাপশন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর ফ্লোরিডার ডোরালে ইউনিভিশনের একটি টাউন হলে অংশ নেন ট্রাম্প। ওই সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।
১০ জুলাই রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানান। দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বা সময় নিয়ে কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করেননি বলেও জানান তিনি।
.png)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা হত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক ব্লিটজের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী।
২ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, তিনি যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে বাংলাদেশ দেখে গেছেন। ক্যাপশনে আরও বলা হয়, প্রায় দুই বছর পর তাঁকে দেখা গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬
এক্সে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের জমি দখল করতে ইসলামপন্থীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলা থেকে নারী ও শিশুরাও রেহাই পায়নি। ক্যাপশনে আরও বলা হয়, হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলে এমন ঘটনা ঘটে।
০৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এর ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ করেছে সরকার, এমন দাবি করে একটি পোস্ট প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ ইংলিশ।
০৩ আগস্ট ২০২৬