স্ট্রিম প্রতিবেদক

টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া এবং শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ১৪ জুলাই ঢাকার সায়েন্স ল্যাব ও উত্তরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। চলমান এই আন্দোলন ঘিরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য।
পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার দাবি থেকে শুরু করে পুরোনো সংঘর্ষের ভিডিওকে বর্তমান আন্দোলনের দৃশ্য হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতাদের নামে বানানো বক্তব্য বসিয়ে ভুয়া ফটোকার্ডও ছড়ানো হয়েছে।
আন্দোলন ঘিরে ছড়ানো দাবিগুলো কয়েকটি ধারায় বিভক্ত। এর মধ্যে রয়েছে পুরোনো ছবি-ভিডিওর অপব্যবহার, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নামে বানানো বক্তব্য এবং হতাহতের অপ্রমাণিত তথ্য।
আন্দোলন ঘিরে সবচেয়ে উদ্বেগজনক দাবিগুলো ছিল শিক্ষার্থী নিহত ও পুলিশের গুলির অভিযোগ। অন্তত তিনটি দাবিতে গুলি, মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
একটি পোস্টে দাবি করা হয়, ফরিদপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ গুলি চালিয়েছে এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। আরেক পোস্টে বলা হয়, ঢাকায় সাতজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে চলমান আন্দোলনে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বা পুলিশের গুলিতে কোনো শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। দাবিগুলো ভুয়া। যাচাইয়ের সময় পর্যন্ত দেশের কোনো বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যমেও এমন খবর প্রকাশিত হয়নি।
আবার, দুজন নিহতের দাবির সঙ্গে একটি রক্তাক্ত সড়কের ছবি যুক্ত করা হয়েছিল। ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, ছবিটি বর্তমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের নয়। এটি ২০২৫ সালে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেড এলাকায় শ্রমিক আন্দোলনের সময়কার পুরোনো ছবি।
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও নেতাদের নামে বানানো অন্তত ছয়টি বক্তব্য শনাক্ত করা হয়েছে। এসব বক্তব্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া, অপমান করা বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়, তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা না করা এবং ফ্যাসিস্টের দোসর বলে মন্তব্য করেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের নামে অন্তত দুটি বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। একটিতে শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসায় চলে যেতে এবং দেশের কোনো কাজে আসবে না বলে দাবি করা হয়। অন্যটিতে বলা হয়, নকলের কাগজ বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাঁর পদত্যাগ চাইছে।
যাচাইয়ে এসব ব্যক্তির কেউই এমন কোনো মন্তব্য বা বক্তব্য দিয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাঁদের নামে বক্তব্য বানিয়ে ভুয়া উদ্ধৃতির কার্ড তৈরি করে ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।

ভুয়া বক্তব্যগুলোর ভাষায় একটি সাধারণ প্রবণতা দেখা যায়। প্রায় প্রতিটি বক্তব্যেই শিক্ষার্থীদের হেয় করা, রাজনৈতিক পরিচয়ে চিহ্নিত করা অথবা তাঁদের দমনের হুমকি দেওয়ার কথা রয়েছে।
চলমান আন্দোলনের দৃশ্য হিসেবে বিভিন্ন সময় ও স্থানের পুরোনো ছবি-ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অটোপাসের দাবিতে বিক্ষোভ করছে বলে প্রচারিত একটি ভিডিও ২০২৪ সালের ২০ আগস্টের। সেদিন সচিবালয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অটোপাসের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছিল।
শিক্ষার্থীদের সমাবেশে পুলিশ ও ছাত্রদলের হামলার দাবির সঙ্গে যুক্ত ছবিটি বর্তমান আন্দোলনের নয়। বাংলাদেশ প্রতিদিন ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষের খবরে ছবিটি প্রকাশ করেছিল।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে দাবি করে আরেকটি ভিডিও ছড়ানো হয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি চলমান আন্দোলনের নয়। এটি আওয়ামী লীগের একটি পুরোনো মিছিলের ভিডিও।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে মিছিল করেছে বলেও একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। রিউমর স্ক্যানারের যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ধারণ করা হয়েছিল।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পদত্যাগ করেছেন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কথিত পদত্যাগপত্রের ছবি প্রচার করা হয়। স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেননি। প্রচারিত পদত্যাগপত্রটিও আসল নয়। নথিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
পুরোনো ছবি-ভিডিও ও ভুয়া ফটোকার্ডের পাশাপাশি এ ঘটনায় এআই দিয়ে তৈরি নথিও বিভ্রান্তিকর দাবি প্রচারে ব্যবহার করা হয়েছে।
সব বিভ্রান্তিকর পোস্টে সম্পূর্ণ মিথ্যা দৃশ্য ব্যবহার করা হয়নি। কোনো কোনো ঘটনায় বাস্তব ভিডিওর ব্যক্তি ও ঘটনার পরিচয় বদলে দেওয়া হয়েছে।
একটি ভিডিওতে ছাত্রদলের এক নেতা সাধারণ শিক্ষার্থীর গলা চেপে ধরেছেন বলে দাবি করা হয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, যাঁকে সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল, তিনিও ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত। ভিডিওতে থাকা অন্য ব্যক্তিও একই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। (১,২)

টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া এবং শিক্ষামন্ত্রীর ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ১৪ জুলাই ঢাকার সায়েন্স ল্যাব ও উত্তরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। চলমান এই আন্দোলন ঘিরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য।
পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার দাবি থেকে শুরু করে পুরোনো সংঘর্ষের ভিডিওকে বর্তমান আন্দোলনের দৃশ্য হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতাদের নামে বানানো বক্তব্য বসিয়ে ভুয়া ফটোকার্ডও ছড়ানো হয়েছে।
আন্দোলন ঘিরে ছড়ানো দাবিগুলো কয়েকটি ধারায় বিভক্ত। এর মধ্যে রয়েছে পুরোনো ছবি-ভিডিওর অপব্যবহার, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নামে বানানো বক্তব্য এবং হতাহতের অপ্রমাণিত তথ্য।
আন্দোলন ঘিরে সবচেয়ে উদ্বেগজনক দাবিগুলো ছিল শিক্ষার্থী নিহত ও পুলিশের গুলির অভিযোগ। অন্তত তিনটি দাবিতে গুলি, মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
একটি পোস্টে দাবি করা হয়, ফরিদপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ গুলি চালিয়েছে এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। আরেক পোস্টে বলা হয়, ঢাকায় সাতজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
স্ট্রিমের যাচাইয়ে চলমান আন্দোলনে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বা পুলিশের গুলিতে কোনো শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। দাবিগুলো ভুয়া। যাচাইয়ের সময় পর্যন্ত দেশের কোনো বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যমেও এমন খবর প্রকাশিত হয়নি।
আবার, দুজন নিহতের দাবির সঙ্গে একটি রক্তাক্ত সড়কের ছবি যুক্ত করা হয়েছিল। ডিসমিসল্যাবের যাচাইয়ে দেখা যায়, ছবিটি বর্তমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের নয়। এটি ২০২৫ সালে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেড এলাকায় শ্রমিক আন্দোলনের সময়কার পুরোনো ছবি।
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও নেতাদের নামে বানানো অন্তত ছয়টি বক্তব্য শনাক্ত করা হয়েছে। এসব বক্তব্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া, অপমান করা বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়, তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা না করা এবং ফ্যাসিস্টের দোসর বলে মন্তব্য করেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের নামে অন্তত দুটি বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। একটিতে শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসায় চলে যেতে এবং দেশের কোনো কাজে আসবে না বলে দাবি করা হয়। অন্যটিতে বলা হয়, নকলের কাগজ বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাঁর পদত্যাগ চাইছে।
যাচাইয়ে এসব ব্যক্তির কেউই এমন কোনো মন্তব্য বা বক্তব্য দিয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাঁদের নামে বক্তব্য বানিয়ে ভুয়া উদ্ধৃতির কার্ড তৈরি করে ফেসবুকে প্রচার করা হয়েছে।

ভুয়া বক্তব্যগুলোর ভাষায় একটি সাধারণ প্রবণতা দেখা যায়। প্রায় প্রতিটি বক্তব্যেই শিক্ষার্থীদের হেয় করা, রাজনৈতিক পরিচয়ে চিহ্নিত করা অথবা তাঁদের দমনের হুমকি দেওয়ার কথা রয়েছে।
চলমান আন্দোলনের দৃশ্য হিসেবে বিভিন্ন সময় ও স্থানের পুরোনো ছবি-ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অটোপাসের দাবিতে বিক্ষোভ করছে বলে প্রচারিত একটি ভিডিও ২০২৪ সালের ২০ আগস্টের। সেদিন সচিবালয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অটোপাসের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছিল।
শিক্ষার্থীদের সমাবেশে পুলিশ ও ছাত্রদলের হামলার দাবির সঙ্গে যুক্ত ছবিটি বর্তমান আন্দোলনের নয়। বাংলাদেশ প্রতিদিন ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষের খবরে ছবিটি প্রকাশ করেছিল।
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে দাবি করে আরেকটি ভিডিও ছড়ানো হয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি চলমান আন্দোলনের নয়। এটি আওয়ামী লীগের একটি পুরোনো মিছিলের ভিডিও।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে মিছিল করেছে বলেও একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। রিউমর স্ক্যানারের যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিডিওটি ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ধারণ করা হয়েছিল।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পদত্যাগ করেছেন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কথিত পদত্যাগপত্রের ছবি প্রচার করা হয়। স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা যায়, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেননি। প্রচারিত পদত্যাগপত্রটিও আসল নয়। নথিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
পুরোনো ছবি-ভিডিও ও ভুয়া ফটোকার্ডের পাশাপাশি এ ঘটনায় এআই দিয়ে তৈরি নথিও বিভ্রান্তিকর দাবি প্রচারে ব্যবহার করা হয়েছে।
সব বিভ্রান্তিকর পোস্টে সম্পূর্ণ মিথ্যা দৃশ্য ব্যবহার করা হয়নি। কোনো কোনো ঘটনায় বাস্তব ভিডিওর ব্যক্তি ও ঘটনার পরিচয় বদলে দেওয়া হয়েছে।
একটি ভিডিওতে ছাত্রদলের এক নেতা সাধারণ শিক্ষার্থীর গলা চেপে ধরেছেন বলে দাবি করা হয়। যাচাইয়ে দেখা যায়, যাঁকে সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল, তিনিও ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত। ভিডিওতে থাকা অন্য ব্যক্তিও একই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। (১,২)
.png)

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক নারীকে লাঠি দিয়ে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে হিন্দু নারীকে দিনদুপুরে মারধর করা হচ্ছে। ওই পোস্টে বলা হয়, ‘হিন্দুদের জন্য বাংলাদেশ নরকের চেয়ে কম নয়।’
১৩ জুলাই ২০২৬
প্রবল স্রোতে কয়েকজন কাঁধে করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পার করছেন– এমন ভিডিও ছড়িয়ে ফেসবুকে দাবি করা হচ্ছে, অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশুকে বাঁচানো হয়েছে।
১১ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে সংঘর্ষ ও মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভারতের উত্তর প্রদেশে গাড়ি ওভারটেক করাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর হামলা হয়েছে।
০৮ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, গাজীপুরে একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের এক কর্মীর বাড়িতে হামলা চালাচ্ছেন বিএনপির কর্মীরা।
০৫ জুলাই ২০২৬