স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি যুক্ত করে দাবি করা হচ্ছে, ইতালি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলি পর্যটকদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ইতালি সরকার ইসরায়েলি পর্যটকদের ইতালিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে, এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে কোনো সরকারি ঘোষণা, আইন, নীতিমালা, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বা ইতালির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে ইতালির পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয় পরিচালিত সরকারি অনলাইন পোর্টাল ‘ভিস্তোপেরইতালিয়া’ পাওয়া যায়। এই পোর্টালে চারটি তথ্য দিয়ে কোনো ব্যক্তির ইতালিতে প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন কি না, তা যাচাই করার সুযোগ রয়েছে। তথ্যগুলো হলো নাগরিকত্ব, বসবাসের দেশ, ইতালিতে অবস্থানের সময়কাল এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য।

স্ট্রিমের যাচাইয়ে পোর্টালটিতে নাগরিকত্ব ‘ইসরায়েল’, বসবাসের দেশ ‘ইসরায়েল’, অবস্থানের সময়কাল ‘৯০ দিন পর্যন্ত’ এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য ‘পর্যটন’ নির্বাচন করে দেখা যায়, ফলাফলে বলা হয়েছে: ‘You do not need an entry visa to enter Italy’। অর্থাৎ, পর্যটন উদ্দেশ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত ইতালিতে যেতে ইসরায়েলি নাগরিকদের প্রবেশ ভিসা প্রয়োজন নেই। একই ফলাফলে ইসরায়েলি পর্যটকদের ইতালিতে প্রবেশে কোনো সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞার তথ্য নেই।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে ইতালিতে ইসরায়েলি পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধের তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইতালির রিমিনি শহরের একটি পর্যটন মেলায় ইসরায়েলের অংশগ্রহণ বাতিল করা হয়েছিল। তবে ইসরায়েলি পর্যটকদের ইতালিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কোনো সরকারি সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি ফেসবুকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি যুক্ত করে দাবি করা হচ্ছে, ইতালি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলি পর্যটকদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ইতালি সরকার ইসরায়েলি পর্যটকদের ইতালিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে, এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে কোনো সরকারি ঘোষণা, আইন, নীতিমালা, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বা ইতালির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে ইতালির পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয় পরিচালিত সরকারি অনলাইন পোর্টাল ‘ভিস্তোপেরইতালিয়া’ পাওয়া যায়। এই পোর্টালে চারটি তথ্য দিয়ে কোনো ব্যক্তির ইতালিতে প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন কি না, তা যাচাই করার সুযোগ রয়েছে। তথ্যগুলো হলো নাগরিকত্ব, বসবাসের দেশ, ইতালিতে অবস্থানের সময়কাল এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য।

স্ট্রিমের যাচাইয়ে পোর্টালটিতে নাগরিকত্ব ‘ইসরায়েল’, বসবাসের দেশ ‘ইসরায়েল’, অবস্থানের সময়কাল ‘৯০ দিন পর্যন্ত’ এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য ‘পর্যটন’ নির্বাচন করে দেখা যায়, ফলাফলে বলা হয়েছে: ‘You do not need an entry visa to enter Italy’। অর্থাৎ, পর্যটন উদ্দেশ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত ইতালিতে যেতে ইসরায়েলি নাগরিকদের প্রবেশ ভিসা প্রয়োজন নেই। একই ফলাফলে ইসরায়েলি পর্যটকদের ইতালিতে প্রবেশে কোনো সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞার তথ্য নেই।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে ইতালিতে ইসরায়েলি পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধের তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইতালির রিমিনি শহরের একটি পর্যটন মেলায় ইসরায়েলের অংশগ্রহণ বাতিল করা হয়েছিল। তবে ইসরায়েলি পর্যটকদের ইতালিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কোনো সরকারি সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
.png)

শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। গত ২০ জুলাই দিল্লিতে সংসদ অভিমুখী পদযাত্রায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬
ফেসবুক পেজ ‘Global Times Live’ সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা, ‘নিজেদের গরু মহিষ নিয়ে দিল্লির পথে কৃষকরা।’ ভিডিওতে সড়কজুড়ে বিপুলসংখ্যক গরু এবং কিছু মানুষকে হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটির ৬ সেকেন্ডে বাঁ পাশে ‘সোর্স–Kunal (এক্স)’ লেখা দেখা যায়।
২২ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়েছে।ভিডিওগুলোর বিভিন্ন অংশ সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি ঘিরে ব্যাখ্যাও কয়েক দফায় বদলেছে।
২১ জুলাই ২০২৬
ভিডিওতে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, শেখ হাসিনা বৈধ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
১৭ জুলাই ২০২৬