আজ কিংবদন্তি কবি, গীতিকার ও গায়ক লিওনার্দ কোহেনের জন্মদিন। গত শতকের ষাটের দশকে কানাডার মনট্রিলে জন্ম নেওয়া কোহেনের সংগীতজীবন শুরু হয়। কীভাবে গান করেন কোহেন? কেন আজও প্রতি প্রজন্মের সময় কাটে কোহেন শুনে? ‘ফেমাস ব্লু রেইনকোট’, ‘সুজান’, ‘ড্যান্স মি টু দ্য এন্ড অব লাভ’, ‘হালেলুই’-এর মতো গানের শক্তি কী?
উপল বড়ুয়া

‘প্রজাপতি শব্দটার কথাই ধরো। এই শব্দটি ব্যবহার করার জন্য কণ্ঠস্বরকে এক আউন্সও নামিয়ে আনার দরকার নেই অথবা তাকে ধুলাময় ছোট ডানার ভারে ভারাক্রান্ত করারও কোনো মানে নেই। প্রজাপতি শব্দটি কিন্তু আদতে প্রজাপতি নয়। আলাদা একটা শব্দও আছে আবার প্রজাপতিও আছে’—কথাগুলো লিওনার্দ কোহেনের।
প্রজাপতির মতো এমন সুন্দর কথা শুনে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, কোহেনের কথাগুলো আসলে শুধু কবিতা নয়, গানও। যেন সুর বসিয়ে দিলেই প্রজাপতির মতো ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়াবে। কোহেনের গান অবশ্য প্রজাপতির মতন চঞ্চল নয়। অত ওড়াউড়ি স্বভাবও নেই। সে যেন এক শান্ত শীতল গীতল নদী। কীভাবে গান করেন কোহেন? কেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানের মুগ্ধ শ্রোতা?
প্রথমবার শুনেই আপনি কোহেনের সিগনেচার স্বরের প্রেমে পড়তে বাধ্য। মনে হবে, এমন ‘পুরুষালী’ কণ্ঠ আগে কখনো শুনেননি। শুরুতে একটু খটকা লাগতে পারে এই ভেবে, কোহেন গান গাইছেন নাকি কবিতা আবৃত্তি করছেন। আদতে তিনি দুটি কাজই করেন একসঙ্গে। সঙ্গে মেডিটেশন। গাইতে গাইতে বা শুনতে শুনতে মগ্ন হয়ে যাওয়া, তা-ও একপ্রকার ধ্যান। সেই ধ্যান থেকে বেরিয়ে এবার চোখ খুলুন। মনে হবে, এক ঘোরগ্রস্ত দুনিয়া থেকে কয়েক মিনিট আগে ঘুরে এসেছেন।

কোহেনের গানে বাদ্যযন্ত্রের বাধ্যবাদকতা নেই, ধ্রুপদী শিল্পীদের মতন ঢেউভাঙা গলার কারুকাজ নেই। নেই রকারদের মতন সাউন্ডওয়েভ। কোহেন যেন শুধু কোনো মনোযোগী শ্রোতাকে তাঁর জীবনের গল্পের কিছু সাধারণ অংশ বলছেন আপনমনে। মাঝেমধ্যে সেই গল্পকে রসাত্মক করতে গিটারের তারে টোকা দিচ্ছেন। গল্প দীর্ঘ হলেও আপনার কান ক্লান্ত হচ্ছে না। এভাবেই আপনি আবিষ্কার করবেন কোহেনকে।
অনেকের মতো আপনিও হয়তো প্রথমবার কোহেনের জগতে ঢুকেছেন, ‘ফেমাস ব্লু রেইনকোট’ শুনে। এই গান এত ফেমাস, না শুনে উপায় আছে! কোহেন যখন জলদগম্ভীর ধীর ও নিচু লয়ে শুরু করেন, ‘ইটস ফোর ইন দ্য মর্নিং, দ্য এন্ড অব ডিসেম্বর’—মনে হবে দুনিয়াতে আশ্চর্য কিছু ঘটতে যাচ্ছে। ত্রিভুজ প্রেমের এক স্বগতোক্তিমূলক চিঠি।
সেই চিঠির চরিত্রে আছেন কোহেনও। আছেন তাঁর স্ত্রী জেন—যিনি নীল বর্ষাতি পরা এক লোকের সঙ্গে প্রণয়ে জড়িয়েছিলেন। লোকটি আর কেউ নয়, কোহেনের বন্ধু। বিশাল সেই চিঠির শেষে লেখা, ‘সিনসিয়ারলি, এল. কোহেন’। স্বীকারোক্তিমূলক ও রহস্যময় সেই চিঠি পাঠের সময় রহস্য উপন্যাসের সাসপেন্সের মতন কোহেনের ভরাট কণ্ঠের উঠানামা যে দ্যোতনা তৈরি করে, সেটিই আপনাকে বুঝিয়ে দেবে তাঁর গানের শক্তি, কেন আজও প্রতি প্রজন্মের সময় কাটে কোহেন শুনে।
কোহেনের কণ্ঠে একধরনের মাদকতা আছে। তাঁর ধোঁয়ামাখা কণ্ঠস্বরের প্রতিটি শব্দ এত বোল্ড, একবার শোনার পরই হৃদয়ে বসে যায়।
কোহেন যখন গেয়ে ওঠেন, ‘হেই, দ্যাটস নো ওয়ে টু সে গুডবাই’—আপনার হৃদয় প্রেমের সুবাসে ভরে যাবে নিশ্চিত। সেই গানের শুরুর কথার মতো কোনো এক সকালে গভীর ও উষ্ণ চুমুতে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে হবে প্রিয় মানুষের বাহুতে। তার আগে জঙ্গলের ভেতর কুয়াশার চাদর সরিয়ে হাঁটার মতো আপনি কোহেনের জগতে ঢুকে পড়ুন ‘সুজান’ ও ‘সো লং, ম্যারিয়ান’ শুনে। এরপর ধীরে হালকা ভলিউমে ‘ড্যান্স মি টু দ্য এন্ড অব লাভ’ শুনে গা দোলাতে থাকুন। গুনগুন করুন, যেন কেউ না শুনে। কোহেন শুনতে হয় ধীরে, আরও ধীরে নাড়াতে হয় শরীর। যেমন একমনে নিরালায় বসে পড়েন কবিতা।
কোহেন তো আদতে কবি। কানাডার কুইবেকে ১৯৩৪ সালে ২১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণের পর বেড়ে ওঠার সময়টুকুতে সাহিত্যের পরিবেশেই পেয়েছিলেন তিনি। মায়ের দিক থেকে সংগীত ও বাবার দিক থেকে সাহিত্য—এ দুটো যেন সমান্তরালভাবে এগিয়েছে তাঁর জীবনে। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয় কোহেনের দ্বিতীয় কবিতার বই ‘দ্য স্পাইস-বক্স অব দ্য আর্থ’। এই বই প্রকাশের পর সমালোচকদের চোখে তিনি হয়ে উঠেছিলেন, ‘সমসাময়িক কানাডার ইংরেজি ভাষার সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ তরুণ কবি’।

কোহেন কবিতার পাশাপাশি লিখেছেন উপন্যাসও। তবে সেসব ছাপিয়ে আমাদের কাছে তাঁর পরিচয় হয়ে উঠেছে ইউনিক এক ভয়েসের সংগীতশিল্পী। যাঁর কণ্ঠ উপহার দিয়েছে অনেক কালজয়ী গান। যাঁর হাত লিখেছে কবিতার উপমা জুড়ে দেওয়া চমৎকার সব লিরিক। ২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর ৮২ বছর বয়সে কোহেন মারা গেলেও তাঁর জাদুময়ী কণ্ঠস্বর আজও গান শুনিয়ে যাচ্ছে আমাদের।
কোহেনের আরেক অমর সৃষ্টি ‘হালেলুইয়া’। নিজের আধ্যাত্মিক জীবনের প্রতিচ্ছবি যেন এই গান। সাহিত্য ও সংগীতের মতো তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও দুটো দিকে এগিয়েছে—প্রেম ও আধ্যাত্মিকতা। ‘হালেলুইয়া’ ‘অ্যান্থেম’ বা ‘ইউ ওয়ান্ট ইট ডার্কার’-এর মতো আত্মিক গানের পাশাপাশি কোহেন গেয়েছেন ‘আই এম ইউর ম্যান’ ও ‘আ থাউজেন্ড কিসেস ডিপ’-এর মতো প্রেমের গান। কোহেন যেন প্রেম আর আধ্যাত্মিক জীবনের এক সেতুবন্ধন। সৌন্দর্য ও মধুর লোভে উড়তে থাকা প্রজাপতির মতো হৃদয় উৎসারিত তাঁর শব্দচয়ন খুঁজে নেবে আপনাকেই।

‘প্রজাপতি শব্দটার কথাই ধরো। এই শব্দটি ব্যবহার করার জন্য কণ্ঠস্বরকে এক আউন্সও নামিয়ে আনার দরকার নেই অথবা তাকে ধুলাময় ছোট ডানার ভারে ভারাক্রান্ত করারও কোনো মানে নেই। প্রজাপতি শব্দটি কিন্তু আদতে প্রজাপতি নয়। আলাদা একটা শব্দও আছে আবার প্রজাপতিও আছে’—কথাগুলো লিওনার্দ কোহেনের।
প্রজাপতির মতো এমন সুন্দর কথা শুনে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, কোহেনের কথাগুলো আসলে শুধু কবিতা নয়, গানও। যেন সুর বসিয়ে দিলেই প্রজাপতির মতো ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়াবে। কোহেনের গান অবশ্য প্রজাপতির মতন চঞ্চল নয়। অত ওড়াউড়ি স্বভাবও নেই। সে যেন এক শান্ত শীতল গীতল নদী। কীভাবে গান করেন কোহেন? কেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানের মুগ্ধ শ্রোতা?
প্রথমবার শুনেই আপনি কোহেনের সিগনেচার স্বরের প্রেমে পড়তে বাধ্য। মনে হবে, এমন ‘পুরুষালী’ কণ্ঠ আগে কখনো শুনেননি। শুরুতে একটু খটকা লাগতে পারে এই ভেবে, কোহেন গান গাইছেন নাকি কবিতা আবৃত্তি করছেন। আদতে তিনি দুটি কাজই করেন একসঙ্গে। সঙ্গে মেডিটেশন। গাইতে গাইতে বা শুনতে শুনতে মগ্ন হয়ে যাওয়া, তা-ও একপ্রকার ধ্যান। সেই ধ্যান থেকে বেরিয়ে এবার চোখ খুলুন। মনে হবে, এক ঘোরগ্রস্ত দুনিয়া থেকে কয়েক মিনিট আগে ঘুরে এসেছেন।

কোহেনের গানে বাদ্যযন্ত্রের বাধ্যবাদকতা নেই, ধ্রুপদী শিল্পীদের মতন ঢেউভাঙা গলার কারুকাজ নেই। নেই রকারদের মতন সাউন্ডওয়েভ। কোহেন যেন শুধু কোনো মনোযোগী শ্রোতাকে তাঁর জীবনের গল্পের কিছু সাধারণ অংশ বলছেন আপনমনে। মাঝেমধ্যে সেই গল্পকে রসাত্মক করতে গিটারের তারে টোকা দিচ্ছেন। গল্প দীর্ঘ হলেও আপনার কান ক্লান্ত হচ্ছে না। এভাবেই আপনি আবিষ্কার করবেন কোহেনকে।
অনেকের মতো আপনিও হয়তো প্রথমবার কোহেনের জগতে ঢুকেছেন, ‘ফেমাস ব্লু রেইনকোট’ শুনে। এই গান এত ফেমাস, না শুনে উপায় আছে! কোহেন যখন জলদগম্ভীর ধীর ও নিচু লয়ে শুরু করেন, ‘ইটস ফোর ইন দ্য মর্নিং, দ্য এন্ড অব ডিসেম্বর’—মনে হবে দুনিয়াতে আশ্চর্য কিছু ঘটতে যাচ্ছে। ত্রিভুজ প্রেমের এক স্বগতোক্তিমূলক চিঠি।
সেই চিঠির চরিত্রে আছেন কোহেনও। আছেন তাঁর স্ত্রী জেন—যিনি নীল বর্ষাতি পরা এক লোকের সঙ্গে প্রণয়ে জড়িয়েছিলেন। লোকটি আর কেউ নয়, কোহেনের বন্ধু। বিশাল সেই চিঠির শেষে লেখা, ‘সিনসিয়ারলি, এল. কোহেন’। স্বীকারোক্তিমূলক ও রহস্যময় সেই চিঠি পাঠের সময় রহস্য উপন্যাসের সাসপেন্সের মতন কোহেনের ভরাট কণ্ঠের উঠানামা যে দ্যোতনা তৈরি করে, সেটিই আপনাকে বুঝিয়ে দেবে তাঁর গানের শক্তি, কেন আজও প্রতি প্রজন্মের সময় কাটে কোহেন শুনে।
কোহেনের কণ্ঠে একধরনের মাদকতা আছে। তাঁর ধোঁয়ামাখা কণ্ঠস্বরের প্রতিটি শব্দ এত বোল্ড, একবার শোনার পরই হৃদয়ে বসে যায়।
কোহেন যখন গেয়ে ওঠেন, ‘হেই, দ্যাটস নো ওয়ে টু সে গুডবাই’—আপনার হৃদয় প্রেমের সুবাসে ভরে যাবে নিশ্চিত। সেই গানের শুরুর কথার মতো কোনো এক সকালে গভীর ও উষ্ণ চুমুতে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে হবে প্রিয় মানুষের বাহুতে। তার আগে জঙ্গলের ভেতর কুয়াশার চাদর সরিয়ে হাঁটার মতো আপনি কোহেনের জগতে ঢুকে পড়ুন ‘সুজান’ ও ‘সো লং, ম্যারিয়ান’ শুনে। এরপর ধীরে হালকা ভলিউমে ‘ড্যান্স মি টু দ্য এন্ড অব লাভ’ শুনে গা দোলাতে থাকুন। গুনগুন করুন, যেন কেউ না শুনে। কোহেন শুনতে হয় ধীরে, আরও ধীরে নাড়াতে হয় শরীর। যেমন একমনে নিরালায় বসে পড়েন কবিতা।
কোহেন তো আদতে কবি। কানাডার কুইবেকে ১৯৩৪ সালে ২১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণের পর বেড়ে ওঠার সময়টুকুতে সাহিত্যের পরিবেশেই পেয়েছিলেন তিনি। মায়ের দিক থেকে সংগীত ও বাবার দিক থেকে সাহিত্য—এ দুটো যেন সমান্তরালভাবে এগিয়েছে তাঁর জীবনে। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয় কোহেনের দ্বিতীয় কবিতার বই ‘দ্য স্পাইস-বক্স অব দ্য আর্থ’। এই বই প্রকাশের পর সমালোচকদের চোখে তিনি হয়ে উঠেছিলেন, ‘সমসাময়িক কানাডার ইংরেজি ভাষার সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ তরুণ কবি’।

কোহেন কবিতার পাশাপাশি লিখেছেন উপন্যাসও। তবে সেসব ছাপিয়ে আমাদের কাছে তাঁর পরিচয় হয়ে উঠেছে ইউনিক এক ভয়েসের সংগীতশিল্পী। যাঁর কণ্ঠ উপহার দিয়েছে অনেক কালজয়ী গান। যাঁর হাত লিখেছে কবিতার উপমা জুড়ে দেওয়া চমৎকার সব লিরিক। ২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর ৮২ বছর বয়সে কোহেন মারা গেলেও তাঁর জাদুময়ী কণ্ঠস্বর আজও গান শুনিয়ে যাচ্ছে আমাদের।
কোহেনের আরেক অমর সৃষ্টি ‘হালেলুইয়া’। নিজের আধ্যাত্মিক জীবনের প্রতিচ্ছবি যেন এই গান। সাহিত্য ও সংগীতের মতো তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও দুটো দিকে এগিয়েছে—প্রেম ও আধ্যাত্মিকতা। ‘হালেলুইয়া’ ‘অ্যান্থেম’ বা ‘ইউ ওয়ান্ট ইট ডার্কার’-এর মতো আত্মিক গানের পাশাপাশি কোহেন গেয়েছেন ‘আই এম ইউর ম্যান’ ও ‘আ থাউজেন্ড কিসেস ডিপ’-এর মতো প্রেমের গান। কোহেন যেন প্রেম আর আধ্যাত্মিক জীবনের এক সেতুবন্ধন। সৌন্দর্য ও মধুর লোভে উড়তে থাকা প্রজাপতির মতো হৃদয় উৎসারিত তাঁর শব্দচয়ন খুঁজে নেবে আপনাকেই।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
২ ঘণ্টা আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
১ দিন আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
১ দিন আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে