বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠান কি পৃথিবীতে আরও আছেঢাকা কলেজের পেছনের ছোট্ট এক মিলনায়তন কক্ষ থেকে শুরু হওয়া স্বপ্ন আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী সাংস্কৃতিক-শিক্ষামূলক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তার নাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।২৫ জুলাই ২০২৬
জি এইচ হাবীবের ধারাবাহিক অনুবাদ•রংবাহারি গ্রামীণ অভিজাত সমাজ: রায় সাহেব, খান্দান আর বেপারিদের সমাহারমোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা২৪ জুলাই ২০২৬
মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ•শাফিন আহমেদ: নব্বইয়ের প্রেম আর বিরহের ‘সাউন্ডট্র্যাক’আজ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী শাফিন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২৪ সালের এই দিনে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। কিন্তু চলে যাওয়ায় থেমে যায়নি তাঁর গান। আজও ‘ফিরিয়ে দাও’, ‘চাঁদ তারা সূর্য’, ‘নীলা’ কিংবা ‘জ্বালা জ্বালা’ শুনে নস্টালজিয়ায় ভাসেন পুরোনো শ্রোতারা। আবার নতুন প্রজন্মও ইউটিউব, স্পটিফাইস২৪ জুলাই ২০২৬
মুসলিম দুনিয়ার ভাস্কর্য কেমনমুসলিম বিশ্বে ভাস্কর্য নিয়ে নানা ধরনের মতভেদ দেখা যায়। কোথাও ধর্মীয় ব্যাখ্যার কারণে মানবমূর্তি নির্মাণে সংযম দেখা যায়, কোথাও আবার জাতীয় বীর, স্বাধীনতা সংগ্রাম বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে স্মরণ করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ভাস্কর্য ও স্মৃতিস্তম্ভ। ফলে ‘মুসলিম দুনিয়ায় ভাস্কর্য নেই’—এমন ধারণা যেমন সঠিক নয়, ত২২ জুলাই ২০২৬
যন্তর মন্তর থেকে ফেসবুক-ইউটিউব, র্যাপে মুখর ‘ককরোচদের’ আন্দোলনএরই মধ্যে র্যাপ এই আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক নতুন গান প্রকাশ হচ্ছে, যা মুহূর্তেই পৌঁছে যাচ্ছে লাখো মানুষের কাছে। অনেক পরিচিত র্যাপারও সরাসরি আন্দোলনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানাচ্ছেন।২২ জুলাই ২০২৬
দুটি বিশ্বযুদ্ধ, দুটি বিমান দুর্ঘটনা থেকে ফেরা আর্নেস্ট হেমিংওয়ে হেরেছিলেন বিষণ্ণ মনের কাছেবিশ শতকের মার্কিন সাহিত্যে অন্যতম প্রভাববিস্তারকারী লেখক ছিলেন আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। আজ তাঁর জন্মদিন। এক জীবনে বহু ঘটনা, দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছিলেন তিনি।২১ জুলাই ২০২৬
কলকাতায় হুমায়ূন কতটা জনপ্রিয়ঢাকা ও কলকাতা—ভৌগোলিক মানচিত্রে কাঁটাতারের এপারে-ওপারে থাকা দুটি শহর। ভাষা এক, আবেগের টানও এক। কিন্তু সাহিত্যের অন্দরমহলে এই দুই বাংলার লেনদেনের সমীকরণটা সব সময় সমান রেখায় চলেনি। বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের আলোচনা উঠলে একটি নাম সবার আগে, সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে ভেসে ওঠে। তিনি হুমায়ূন আহমেদ।২১ জুলাই ২০২৬
হুমায়ূনের বইয়ের রয়্যালটি: অর্ধেকের বেশি শাওন পরিবারের, বাকিদের ভাগ কতআবার আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুর পরে রয়্যালটির একটা অংশ হুমায়ূনের ভাই-বোনেরাও পেতেন, কিন্তু লেখকের ভাই-বোনেরা সেই অংশ নেন না বলে জানিয়েছেন প্রকাশকেরা।১৯ জুলাই ২০২৬
বলপয়েন্ট থেকে নিউইয়র্কের নীল আকাশ: হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনের দিনলিপিআমার চোখে প্রায় পানি এসে যাবার মতো অবস্থা হলো। ইচ্ছে করল টিকিট এবং পাসপোর্ট ছুঁড়ে ফেলে তার হাত ধরে বলি—চলো, বাসায় যাই। অল্প কিছুদিন আমাদের আয়ু। এই অল্পদিনের জন্যে আমাদের মতো আয়োজন—পাস, ডিগ্রি, চাকরি, প্রমোশন, টাকা-পয়সা, বাড়িঘর-কোনো মানে হয়? কোনোই মানে হয় না।’১৯ জুলাই ২০২৬
জেন-জি ও জেন-আলফার কাছে হুমায়ূন কতটা পরিচিতনব্বই দশক কিংবা দুই হাজার সালের শুরুর প্রজন্ম মানেই বলা হতো হুমায়ূন আহমেদের পাঠক। তখন হাতে হাতে ছিল না স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ছিল সীমিত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে ছিল না এতো মাতামাতি।১৯ জুলাই ২০২৬
সমরেশ মজুমদারের লেখাসম্রাট হুমায়ূনহুমায়ূনকে আমি প্রথম দেখি একুশের বইমেলায়, সাতাশি সালের এক সন্ধ্যায়। যিনি আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি বলেছিলেন, ‘‘ইনি হুমায়ূন আহমেদ। ‘এইসব দিনরাত্রি’ নামে একটি জনপ্রিয় টিভি-নাটক লিখেছেন, ‘শঙ্খনীল কারাগার’ নামের উপন্যাস লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান পড়ান।’’১৯ জুলাই ২০২৬