কাজীর সংসার: মাসুদ রানা-কুয়াশা-রহস্য পত্রিকা-সেবা প্রকাশনীকাজী আনোয়ার হোসেন শুধু একক কোনো চরিত্র বা সিরিজের স্রষ্টা নয়, তিনি বাংলা জনপ্রিয় সাহিত্যের একটি পূর্ণাঙ্গ যুগের রূপকার। মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের মাধ্যমে তিনি থ্রিলার, গুপ্তচর ও রহস্য সাহিত্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন; রহস্য পত্রিকার মাধ্যমে পাঠকের কৌতূহল ও অনুসন্ধিৎসাকে লালন করেছেন
কাজীদা ফেরত খামে লিখেছিলেন, আপনার গল্পটি মনোনীত হয়নিআজ ১৯ জানুয়ারি কাজী আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুদিন। তিনি বাংলাদেশে রহস্য-রোমাঞ্চ সাহিত্যের পথিকৃৎ। সেবা প্রকাশনী নামে একটি বই প্রকাশনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। সেখান থেকে প্রকাশ করেছেন শিশু–কিশোর উপযোগী অসংখ্য ধ্রুপদি বিদেশি সাহিত্য।
শতবর্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজমুসলিম সাহিত্য সমাজ: চিন্তার স্বাধীনতা ও অসম্পূর্ণ রাষ্ট্র১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা তরুণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়ে ওঠে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’। সংগঠনটি মুসলমান সমাজকে আধুনিক মনন, বহুমাত্রিক চিন্তা ও বৃহত্তর মানবিক জগতে প্রবেশের পথ সুগম করে। মুসলিম সমাজের শিক্ষিত অংশ কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের গণ্ডিতে আবদ্ধ না থেকে নিজেদের বাঙালি
শতবর্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজকেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’, যেভাবে ‘শিখা’র প্রকাশ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি গড়ে ওঠা ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ বাঙালি মুসলমানের মানসে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করে। এই সংগঠনের বার্ষিক মুখপত্র হিসেবে ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয় ‘শিখা’। ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর গঠন প্রক্রিয়া কেমন ছিল? আদর্শ কারা, কর্মপন্থা কেমন ছিল?
শতবর্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজশতাব্দী পেরিয়ে আজও ‘শিখা’র প্রজ্বলিত আলো আমাদের পথ দেখায়১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা তরুণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়ে ওঠে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’। সংগঠনের মূল স্লোগান ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।’ ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর বার্ষিক মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় 'শিখা' পত্রিকা।
শতবর্ষে মুসলিম সাহিত্য সমাজমুসলিম সাহিত্য সমাজের নারীভাবনাবিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে বাঙালি মুসলমানের চিন্তার জগতে এক অভাবনীয় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজের ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’। ১৯২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে একঝাঁক প্রগতিশীল তরুণ শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিকের হাত ধরে যে চিন্তার সংস্কার শুরু হয়েছিল
সাদাত হাসান মান্টোর লেখা চিঠির অনুবাদযেভাবে আমি গল্পের দেখা পেলামসাদাত হাসান মান্টো উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী উর্দু কথাসাহিত্যিক। জন্ম পাঞ্জাবের লুধিয়ানায়। কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা করেন, অনুবাদ ও চিত্রনাট্য লেখেন। বাস করেছেন বোম্বে ও লাহোরে। দেশভাগ তাঁর লেখালেখির বিষয় ও দৃষ্টিভঙ্গিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ‘টোবা টেক সিং’, ‘ঠান্ডা গোশত’, ‘খোল দো’-এর মতো গল্পে
‘মহাশ্মশান’অ্যালবাম নিয়ে শ্বেত পান্ডুরাঙ্গা ব্লুমবার্গের লেখাবাংলা লোকজ ফাঙ্ক ও গ্রুভের পথে নিজেদের সাউন্ড খোঁজার জার্নি ‘মহাশ্মশান’গত ৮ জানুয়ারি নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করেছে ব্যান্ডদল ‘সোনার বাংলা সার্কাস’। ইতিমধ্যে ‘মহাশ্মশান’ নামের এই ডাবল অ্যালবামটি শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। অ্যালবাম তৈরির গল্প নিয়ে লিখেছেন এই ব্যান্ডের গিটারিস্ট, গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডজয়ী মিউজিশিয়ান শ্বেত পান্ডুরাঙ্গা ব্লুমবার্গ। ইংরেজি থেকে অনুবাদ করেছেন
নাজিম হিকমত: রাষ্ট্র তাড়িয়েছিল, কিন্তু মানুষ তাঁকে মনে রেখেছে আজওআজ ১৫ জানুয়ারি কবি নাজিম হিকমতের জন্মদিন। তাঁর জীবনের ১৭ বছরই কেটেছে স্বৈরশাসকের কারাগারে বন্দী হয়ে। এক সময় প্রাণশঙ্কায় তিনি নির্বাসিত হয়ে পাড়ি জমান রাশিয়ায়। তুরস্কের সরকার নাগরিকত্ব বাতিল করে তাঁকে চিরতরে নিষিদ্ধ করেছিল।
সেলিম আল দীনের চাকা ও মোরশেদুল ইসলাম গাড়োয়ানআজ ১৪ জানুয়ারি নাট্যকার সেলিম আল দীনের মৃত্যুদিন। নাট্যরচনা ও নাট্যগবেষণা উভয়ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষত্বের জন্য রবীন্দ্র-উত্তরকালের শ্রেষ্ঠ বাংলা নাট্যকার হিসেবে নির্দ্বিধায় তাঁকে মেনে নেওয়া যায়। আবহমান বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির রেপ্রিজেন্টেশন সেলিম আল দীনের নাটকের মূল প্রসঙ্গ। তাঁর চাকা (১৯৯০) নাটকও এর বা
নিলয় দাশ স্মরণেনিলয়দা, গিটার কেনা আর নব্বইয়ের ঢাকায় আমার রকযাত্রানিলয় দাশ। বাংলাদেশের অন্যতম সেরা গিটারিস্ট। আজ ১১ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ছিলেন একাধারে গায়ক, সুরকার, সংগীত পরিচালক ও একজন জনপ্রিয় গিটার-শিক্ষক। গত শতকের আশির দশকে যাঁরা গিটার শিখেছেন এবং পরবর্তীকালে অনেক বিখ্যাত হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই নিলয় দাশের সরাসরি ছাত্র কিংবা তাঁর সঙ্গে বাজিয়ে শিখেছ
যে রাতে এলভিস বদলে দিলেন পপ কালচারের গতিপথ১৯৫৬ সালের কথা। এলভিস প্রিসলি তখন সবে ২১ বছর বয়সের এক । ঝড় তুলে দিয়েছেন হাজারো তরুণের হৃদয়ে৷ ১৯৫৬ সালের ৫ জুন এলভিস প্রথমবারের মতো হাজির হলেন টেলিভশিনের প্রোগ্রামে। তখন পপ কালচার বলতে আজকের মতো কোনো বিস্তৃত সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি।