আন্তর্জাতিক কৌতুক দিবসে কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক আহসান হাবীব
ফাবিহা বিনতে হক

বাড়ির ছোট ছেলেটা গল্প শুনতে খুব ভালোবাসত। বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ তাঁকে দিয়ে মাথা টিপিয়ে নিতেন। বিনিময়ে খুলে যেত অদ্ভুত সব মজার গল্পের ঝাঁপি। তখন কি কেউ জানত, সেই ছোট ছেলেটিই একদিন বড় হয়ে হাসির রাজ্য গড়ে তুলবে? লেখা আর কার্টুন হয়ে উঠবে তাঁর সঙ্গী। তিনি আর কেউ নন, দেশের জনপ্রিয় কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক আহসান হাবীব।
আহসান হাবীবকে অনেকেই ‘গ্র্যান্ডফাদার অব জোকস’ নামে ডাকেন। কেউ ডাকেন ‘বস’। ‘উন্মাদ’ পত্রিকার সম্পাদক তিনি। তবে তিনি উন্মাদের জন্মলগ্নের সম্পাদক ছিলেন না। দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে হাল ধরেন। তখন কেউ ভাবেনি, একটি ‘ফান ম্যাগাজিন’ দশকের পর দশক পাঠকের ভালোবাসা ধরে রাখবে। সময়ের সঙ্গে অনেকে সরে গেছেন, কিন্তু তিনি উন্মাদকে আঁকড়ে থেকেছেন।
আহসান হাবীবের জোকসের বইও সমান জনপ্রিয়। দেশের অন্যতম সেরা জোকস সংগ্রাহক হিসেবে তিনি পরিচিত। কৌতুক নিয়ে আহসান হাবীবের ভাবনা ও দর্শন কী—এই ব্যাপারে তিনি কথা বলেছেন স্ট্রিমের সঙ্গে।
এ পর্যন্ত আহসান হাবীবের দেড়শ’র বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, ১০টি কৌতুক পড়লে একটি নতুন কৌতুক তৈরি করা সম্ভব। মানুষের মধ্যে সেন্স অব হিউমার বা রসবোধ তৈরি করতে জোকস পড়া জরুরি। তাঁর মতে, মানুষই পৃথিবীর একমাত্র প্রাণী যে মন খুলে হাসতে পারে। ভালোভাবে বাঁচতে হাসির কোনো বিকল্প নেই।
চিকিৎসকদের উদাহরণ টেনে আহসান হাবীব বলেন, ‘মানুষের কাঁদার চেয়ে হাসলে মুখমণ্ডলের মাংসপেশির দ্বিগুণ ব্যায়াম হয়। হাসি মূলত শরীরের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। বিশ্বের অনেক দেশেই হো হো করে হাসার এক্সারসাইজ করানো হয়। এটা কৃত্রিম হাসি হলেও একদল মানুষ সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন দল বেঁধে হাসছে। কৃত্রিম হাসির বৈজ্ঞানিক উপকারিতা থাকলে আসল হাসির উপকারিতা তাহলে ভাবুন?’
আজকের ডিজিটাল যুগে যখন তরুণ প্রজন্ম বই পড়া থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে, তখন আহসান হাবীব কৌতুককে দেখছেন গেটওয়ে বা প্রবেশদ্বার হিসেবে। তাঁর মতে, যারা বই পড়তে চায় না, তাঁদের প্রথমে জোকসের বই পড়তে দেওয়া উচিত। ছোট ছোট জোকস পড়তে পড়তেই পাঠক একসময় জোকসের ভেতর আটকে যাবেন। তাঁর মধ্যে সেন্স অফ হিউমার এবং বই পড়ার নেশা দুই-ই তৈরি হবে। এ কারণেই কৌতুককে তিনি ‘মিনিএচার সাহিত্য’ বলছেন।

কৌতুকের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। সবাই সব ধরনের কৌতুকে মজা পায় না। এমন অনেক মজার জোকস আছে, যেটা শুনে হয়তো একজন হেসে গড়িয়ে পড়ছে, আরেকজন মুচকি হেসে ‘ভদ্রতা’ করছেন।
যেমন ‘ট্র্যাপ জোকস’ নামে এক ধরনের জোকস আছে যেগুলো ধাঁধার মতো করে মানুষকে ফাঁদে ফেলে হাসায়। অনেক কৌতুকের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে গভীর দর্শন। এখানে হাসির খোরাক যেমন থাকে, মানুষকে গভীরভাবে ভাবতেও শেখায়।
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের নানান পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই তৈরি হয় কৌতুক। এগুলোকে ‘প্র্যাক্টিক্যাল জোকস’ বা ‘রিয়েল লাইফ জোকস’ বলা হয়ে থাকে। জীবনের সঙ্গে মিল আছে বলেই আমরা কৌতুকে মজা পাই।
আহসান হাবীব বলেন, হিউমার বা রসবোধের অনেকগুলো স্তর রয়েছে। প্রথম স্তরটি হলো ‘জেনারেল হিউমার’। এর পরের স্তরগুলো হলো উইটি, স্যাটায়ার এবং আয়রনি। তীব্র স্যাটায়ারকে রম্য সাহিত্যের ভাষায় বলা হয় ‘ল্যাম্পুন’। আয়রনি বা বিদ্রুপ আমাদের প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। মানুষ জোকস পড়তে পড়তে এই পার্থক্য নিজেই বুঝতে পারে।
একটি ভালো কৌতুকের বৈশিষ্ট্য হলো তা যেন কাউকে কষ্ট না দেয়। কৌতুকের খোঁচাটা এমন হবে, যা অপরপক্ষ মজাও পাবে, আবার হজমও করবে।

এই বিষয়ে উদাহরণ টেনে আহসান হাবীব বলেন, ‘ভারতের একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অনেক ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন আঁকা হতো। তিনি রাগ না করে কার্টুনগুলো নিজের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে রাখতেন। সেই প্রধানমন্ত্রী বলতেন, কার্টুনিস্টদের স্যাটায়ার থেকে তিনি নিজের ভুলত্রুটিগুলো শুধরে নেন।’
আহসান হাবীব নিজেকে নিয়েও যেকোনো ফান বা কৌতুক খুব উপভোগ করেন। অনেকে ঠিকমতো না পারলেও কৌতুককারীর চেষ্টাটুকু সম্মান জানান তিনি।
কৌতুক ও রসবোধ মানুষের সমাজ থেকে কখনো হারিয়ে যাবে না। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষও সুযোগ পেলে হাসে বা হাসার পরিবেশ তৈরি করে। কারণ বাঁচার মতো বাঁচতে চাইলে হাসতেই হবে। এ কারণে আহসান হাবীব মনে করেন, কৌতুকের ভবিষ্যৎ সবসময়ই উজ্জ্বল।
আহসান হাবীব বলেন, বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এক্সপেরিমেন্ট ও রিসার্চ হচ্ছে। জাপানি তিন লাইনের ছোট্ট কবিতাকে ‘হাইকু’ বলা হয়। এখন তেমন ‘হাইকু জোকস’-ও তৈরি হচ্ছে। ছোট ছোট এসব কৌতুক মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে হাসিয়ে দিতে পারে।
আহসান হাবীব মনে করেন, বর্তমানে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের মিম কালচারও কৌতুকের আধুনিক রূপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হওয়া মিম মানুষের বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করে। এগুলো মানুষের রসবোধকে নতুন স্তরে নিয়ে গেছে। তবে মিমের সংজ্ঞা কেবল একটি ভাইরাল ছবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লিমন শিফম্যান সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘হাসির খোরাক জোগানো কোনো ছবি ছড়িয়ে পড়লেই তাকে মিম বলা যায় না। বরং যেকোনো একটি ব্যাপারকে কেন্দ্র করে যখন সবাই তার নিজ নিজ ভার্সন তৈরি করে, তখন তা মিম হয়ে ওঠে।’
আজকের তরুণ প্রজন্ম মিমের মাধ্যমে সমাজ ও রাজনীতির বড় বড় অসঙ্গতি ফুটিয়ে তুলছে। এটি পুরোনো কৌতুককে প্রতিস্থাপন করেনি, বরং তাকে আরও গতিশীল করেছে। একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গঠনে এই রসবোধের প্রয়োজনীয়তা চিরকাল জারি থাকবে।

বাড়ির ছোট ছেলেটা গল্প শুনতে খুব ভালোবাসত। বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ তাঁকে দিয়ে মাথা টিপিয়ে নিতেন। বিনিময়ে খুলে যেত অদ্ভুত সব মজার গল্পের ঝাঁপি। তখন কি কেউ জানত, সেই ছোট ছেলেটিই একদিন বড় হয়ে হাসির রাজ্য গড়ে তুলবে? লেখা আর কার্টুন হয়ে উঠবে তাঁর সঙ্গী। তিনি আর কেউ নন, দেশের জনপ্রিয় কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক আহসান হাবীব।
আহসান হাবীবকে অনেকেই ‘গ্র্যান্ডফাদার অব জোকস’ নামে ডাকেন। কেউ ডাকেন ‘বস’। ‘উন্মাদ’ পত্রিকার সম্পাদক তিনি। তবে তিনি উন্মাদের জন্মলগ্নের সম্পাদক ছিলেন না। দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে হাল ধরেন। তখন কেউ ভাবেনি, একটি ‘ফান ম্যাগাজিন’ দশকের পর দশক পাঠকের ভালোবাসা ধরে রাখবে। সময়ের সঙ্গে অনেকে সরে গেছেন, কিন্তু তিনি উন্মাদকে আঁকড়ে থেকেছেন।
আহসান হাবীবের জোকসের বইও সমান জনপ্রিয়। দেশের অন্যতম সেরা জোকস সংগ্রাহক হিসেবে তিনি পরিচিত। কৌতুক নিয়ে আহসান হাবীবের ভাবনা ও দর্শন কী—এই ব্যাপারে তিনি কথা বলেছেন স্ট্রিমের সঙ্গে।
এ পর্যন্ত আহসান হাবীবের দেড়শ’র বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, ১০টি কৌতুক পড়লে একটি নতুন কৌতুক তৈরি করা সম্ভব। মানুষের মধ্যে সেন্স অব হিউমার বা রসবোধ তৈরি করতে জোকস পড়া জরুরি। তাঁর মতে, মানুষই পৃথিবীর একমাত্র প্রাণী যে মন খুলে হাসতে পারে। ভালোভাবে বাঁচতে হাসির কোনো বিকল্প নেই।
চিকিৎসকদের উদাহরণ টেনে আহসান হাবীব বলেন, ‘মানুষের কাঁদার চেয়ে হাসলে মুখমণ্ডলের মাংসপেশির দ্বিগুণ ব্যায়াম হয়। হাসি মূলত শরীরের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। বিশ্বের অনেক দেশেই হো হো করে হাসার এক্সারসাইজ করানো হয়। এটা কৃত্রিম হাসি হলেও একদল মানুষ সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন দল বেঁধে হাসছে। কৃত্রিম হাসির বৈজ্ঞানিক উপকারিতা থাকলে আসল হাসির উপকারিতা তাহলে ভাবুন?’
আজকের ডিজিটাল যুগে যখন তরুণ প্রজন্ম বই পড়া থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে, তখন আহসান হাবীব কৌতুককে দেখছেন গেটওয়ে বা প্রবেশদ্বার হিসেবে। তাঁর মতে, যারা বই পড়তে চায় না, তাঁদের প্রথমে জোকসের বই পড়তে দেওয়া উচিত। ছোট ছোট জোকস পড়তে পড়তেই পাঠক একসময় জোকসের ভেতর আটকে যাবেন। তাঁর মধ্যে সেন্স অফ হিউমার এবং বই পড়ার নেশা দুই-ই তৈরি হবে। এ কারণেই কৌতুককে তিনি ‘মিনিএচার সাহিত্য’ বলছেন।

কৌতুকের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। সবাই সব ধরনের কৌতুকে মজা পায় না। এমন অনেক মজার জোকস আছে, যেটা শুনে হয়তো একজন হেসে গড়িয়ে পড়ছে, আরেকজন মুচকি হেসে ‘ভদ্রতা’ করছেন।
যেমন ‘ট্র্যাপ জোকস’ নামে এক ধরনের জোকস আছে যেগুলো ধাঁধার মতো করে মানুষকে ফাঁদে ফেলে হাসায়। অনেক কৌতুকের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে গভীর দর্শন। এখানে হাসির খোরাক যেমন থাকে, মানুষকে গভীরভাবে ভাবতেও শেখায়।
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের নানান পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই তৈরি হয় কৌতুক। এগুলোকে ‘প্র্যাক্টিক্যাল জোকস’ বা ‘রিয়েল লাইফ জোকস’ বলা হয়ে থাকে। জীবনের সঙ্গে মিল আছে বলেই আমরা কৌতুকে মজা পাই।
আহসান হাবীব বলেন, হিউমার বা রসবোধের অনেকগুলো স্তর রয়েছে। প্রথম স্তরটি হলো ‘জেনারেল হিউমার’। এর পরের স্তরগুলো হলো উইটি, স্যাটায়ার এবং আয়রনি। তীব্র স্যাটায়ারকে রম্য সাহিত্যের ভাষায় বলা হয় ‘ল্যাম্পুন’। আয়রনি বা বিদ্রুপ আমাদের প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। মানুষ জোকস পড়তে পড়তে এই পার্থক্য নিজেই বুঝতে পারে।
একটি ভালো কৌতুকের বৈশিষ্ট্য হলো তা যেন কাউকে কষ্ট না দেয়। কৌতুকের খোঁচাটা এমন হবে, যা অপরপক্ষ মজাও পাবে, আবার হজমও করবে।

এই বিষয়ে উদাহরণ টেনে আহসান হাবীব বলেন, ‘ভারতের একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অনেক ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন আঁকা হতো। তিনি রাগ না করে কার্টুনগুলো নিজের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে রাখতেন। সেই প্রধানমন্ত্রী বলতেন, কার্টুনিস্টদের স্যাটায়ার থেকে তিনি নিজের ভুলত্রুটিগুলো শুধরে নেন।’
আহসান হাবীব নিজেকে নিয়েও যেকোনো ফান বা কৌতুক খুব উপভোগ করেন। অনেকে ঠিকমতো না পারলেও কৌতুককারীর চেষ্টাটুকু সম্মান জানান তিনি।
কৌতুক ও রসবোধ মানুষের সমাজ থেকে কখনো হারিয়ে যাবে না। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষও সুযোগ পেলে হাসে বা হাসার পরিবেশ তৈরি করে। কারণ বাঁচার মতো বাঁচতে চাইলে হাসতেই হবে। এ কারণে আহসান হাবীব মনে করেন, কৌতুকের ভবিষ্যৎ সবসময়ই উজ্জ্বল।
আহসান হাবীব বলেন, বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এক্সপেরিমেন্ট ও রিসার্চ হচ্ছে। জাপানি তিন লাইনের ছোট্ট কবিতাকে ‘হাইকু’ বলা হয়। এখন তেমন ‘হাইকু জোকস’-ও তৈরি হচ্ছে। ছোট ছোট এসব কৌতুক মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে হাসিয়ে দিতে পারে।
আহসান হাবীব মনে করেন, বর্তমানে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের মিম কালচারও কৌতুকের আধুনিক রূপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি হওয়া মিম মানুষের বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করে। এগুলো মানুষের রসবোধকে নতুন স্তরে নিয়ে গেছে। তবে মিমের সংজ্ঞা কেবল একটি ভাইরাল ছবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লিমন শিফম্যান সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘হাসির খোরাক জোগানো কোনো ছবি ছড়িয়ে পড়লেই তাকে মিম বলা যায় না। বরং যেকোনো একটি ব্যাপারকে কেন্দ্র করে যখন সবাই তার নিজ নিজ ভার্সন তৈরি করে, তখন তা মিম হয়ে ওঠে।’
আজকের তরুণ প্রজন্ম মিমের মাধ্যমে সমাজ ও রাজনীতির বড় বড় অসঙ্গতি ফুটিয়ে তুলছে। এটি পুরোনো কৌতুককে প্রতিস্থাপন করেনি, বরং তাকে আরও গতিশীল করেছে। একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গঠনে এই রসবোধের প্রয়োজনীয়তা চিরকাল জারি থাকবে।
.png)

জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি আজ। কত কিছু মনে পড়ছে। ২০২৪ সালের ১ জুলাই শুরু হওয়া ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন’ শেষ পর্যন্ত রূপ নিয়েছিল গণ-অভ্যুত্থানে এবং পতন ঘটিয়েছিল দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের।
৬ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকে কেউ যদি কোন থ্রিলার বই-এর খোঁজ করেন এর পর থেকে ফেসবুক তাঁকে থ্রিলার বই-এর খবর পাঠাতে থাকবে। এবং তিনি শুধু এ ধরনের বই-ই পড়তে থাকবেন। ভয়টা এখানেই। তিনি হয়তো জানতেও পারবেন না যে থ্রিলারের বাইরেও রোমান্টিক ও অ্যাডভেঞ্চার ধরনের বই রয়ে গেছে।
২১ ঘণ্টা আগে
আহমদ ছফাকে শুধু একজন কথাসাহিত্যিক হিসেবে পড়লে তাঁর গুরুত্বের বড় একটি অংশ অধরা থেকে যায়। আবার তাঁকে কেবল রাজনৈতিক ভাষ্যকার হিসেবে দেখলেও তাঁর চিন্তার পূর্ণতা ধরা পড়ে না। সাহিত্য, রাষ্ট্র, সমাজ, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়—এসবকে তিনি কখনো বিচ্ছিন্নভাবে দেখেননি।
১ দিন আগে
আহমদ ছফার ৮৪তম জন্মদিন আজ। তাঁকে স্মরণ করতে গিয়ে বারবার ফিরে যাই আমার স্কুলজীবনের সেই দিনগুলোতে, যখন বই পড়ার আগ্রহটা কেবল গভীর হচ্ছে, নতুন নতুন লেখক আবিষ্কারের আনন্দে দিন কাটে।
৩০ জুন ২০২৬