শতবর্ষে ঋত্বিক ঘটক
আজ বরেণ্য চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটকের শততম জন্মবার্ষিকী। নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অভিনেতা বিজন ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘ঋত্বিককে খুন করা হয়েছে।’ কিন্তু এই খুনের প্রক্রিয়া কেমন?
গৌতম কে শুভ

সিনেমার মাস্তান ঋত্বিক ঘটকের নাম উচ্চারণ করলেই একটা ধাক্কা লাগে। যেন কেউ কানের কাছে এসে বলে ওঠে, ‘হোয়াট ড্যু ইউ মিন বাই ফিল্ম?’ এই প্রশ্নটা যতটা সরল শোনায়, ততটাই গভীর, ততটাই বিস্ফোরক। কারণ, এই প্রশ্নের ভেতরেই আছে ঋত্বিক ঘটকের সিনেমার শিল্পবোধ আর দর্শন।
ঋত্বিক ঘটককে নিয়ে নবারুণ ভট্টাচার্য এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘ফিল্ম একটা স্টেটমেন্ট হতে পারে, ফিল্ম একটা দার্শনিক তাৎপর্য বহন করতে পারে, ফিল্ম একটা ট্রিটিজ হতে পারে, ফিল্ম একটা দাস ক্যাপিটাল হতে পারে।’ নবারুণের এই কথাগুলোই যেন ঋত্বিক ঘটকের শিল্পদর্শনের সংক্ষিপ্ত রূপ। খুব অল্প কয়েকজন চলচ্চিত্র পরিচালকই এমন জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছেন, যেখানে সিনেমা শুধু গল্প বা ছবি নয়, একটা দর্শন-একটা ভাবনা হয়ে ওঠে। ঋত্বিক ঘটক সেই জায়গায় পৌঁছেছিলেন। তিনি সিনেমাকে সমাজ আর মানুষের মোলাকাত হিসেবে দেখেছিলেন।
নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অভিনেতা বিজন ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘ঋত্বিককে খুন করা হয়েছে।’ কিন্তু এই খুনের প্রক্রিয়া কেমন? নবারুণের ভাষায়, ‘এই খুন নানাভাবে করা যায়! জাফর পানাহিকে যখন বলা হয় কুড়ি বছর তুমি ছবি করতে পারবে না, স্ক্রিপ্টও লিখতে পারবে না, এটা তাঁকে খুন করা।’
আসলে সমাজই ঋত্বিক ঘটককে বাঁচতে দেয়নি। তিনি যে সময়ে ছবি করছিলেন, তখন তাঁর কাজ করার সুযোগ তেমন ছিলই না। ফিল্মের র-স্টক পৌঁছায়নি বলে তাঁর শুটিং বন্ধ হয়ে যেত। প্রযোজক থাকত না, ফান্ড থাকত না। তাঁর ‘সুবর্ণরেখা’র মতো সিনেমার মূল্যবান ফুটেজ পশ্চিমবাংলার টালিগঞ্জে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। কারণ, সঠিকভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না।
এইভাবে ‘উপেক্ষা’ করেও কিন্তু খুন করা যায়। ঋত্বিক ঘটকের সঙ্গে সেটাই ঘটেছিল। থিয়েটার থেকে সিনেমা—তিনি হয়ে উঠেছিলেন ‘স্ট্রাগলিং আর্টিস্ট’-এর সংজ্ঞা। কিন্তু নির্মাতা হিসেবে তাঁর এই সংগ্রাম কেবল কোনো শিল্পমাধ্যমকে ভালোবেসে নয়। তিনি নিজেই বলেছিলেন, ‘ছবি লোকে দেখে। ছবি দেখানোর সুযোগ যতদিন খোলা থাকবে, ততদিন মানুষকে দেখাতে আর নিজের পেটের ভাতের জন্য ছবি করে যাব। কালকে বা দশ বছর পরে যদি সিনেমার চেয়ে ভালো কোনো মিডিয়াম বেরোয় আর দশ বছর পর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে সিনেমাকে লাথি মেরে আমি সেখানে চলে যাব। সিনেমার প্রেমে-নেশায় আমি পড়িনি। আই ডু নট লাভ ফিল্ম।’

এই স্বীকারোক্তি ঋত্বিকের শিল্পচেতনার মূল। এখন প্রশ্ন হতে পারে, শিল্পচর্চার মাধ্যমে অধিক মানুষের কাছে পৌঁছানোর তাঁর এই তাগিদের উদ্দেশ্যটা কী? এই বিষয়ে ঋত্বিকের মতামত ছিল স্পষ্ট। তিনি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘প্রতিবাদ করা শিল্পীর প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব। শিল্প ফাজলামি নয়। যারা প্রতিবাদ করছে না তাঁরা অন্যায় করছে। শিল্প দায়িত্ব, আমার অধিকার নেই সে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার। শিল্পী সমাজের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। সে সমাজের দাস। এই দাসত্ব স্বীকার করে তবে সে ছবি করবে।’
তবে বাজারমুখী চলচ্চিত্রজগতে ঋত্বিক ঘটকের কোনো জায়গা ছিল না। ফেস্টিভালে পুরস্কার পাননি, সিনেমা করে টাকা পাননি। বাংলা সিনেমাজগৎ তাঁকে বোঝেনি। হলের পর্দায় ‘কোমল গান্ধার’, ‘সুবর্ণরেখা’ চলেছে, অথচ হলে লোকজন তেমন নেই। ফিল্ম ক্রিটিকরাও নীরব। এমনকি তথাকথিত বাঙালি ‘কালচারাল এলিট’দেরও কাছে তিনি ছিলেন এক ‘মদ্যপ, অসংলগ্ন, পাগল’।
আর সমাজের চোখে ঋত্বিক ঘটক ছিলেন ‘উদ্বৃত্ত মানুষ’। মানে বাড়তি আর অপ্রয়োজনীয়। আর মূলধারার প্রযোজকদের চোখে ‘ঝামেলাবাজ’। ফুটপাতে থেকেছেন, ক্ষুধার্ত থেকেছেন, লড়েছেন, হেরেছেন, আবার লড়েছেন। কিন্তু কখনো আপস করেননি। তাঁর মৃত্যু ছিল এই সমাজের ‘সিস্টেমিক অ্যাসাসিনেশন’।
বাঙালি আসলে ঋত্বিককে ভুলে গেছে। নবারুণের ভাষায়, এখনকার বাঙালি অতিরিক্ত আধুনিক। সে আর ‘উদ্বৃত্ত মানুষ’ রাখতে চায় না। তার আধুনিকতা এখন ‘কালচার ইন্ডাস্ট্রি’ আর ‘মুনাফার খেলা’-য় বন্দি। তাই ঋত্বিক ঘটক আজকের দিনের সিনেমায় থাকলে হয়ত আবার তাঁকে বলা হতো, অতি নাটকীয়, অতি রাজনৈতিক, অতি মানবিক। এই ‘অতি’-টাই যেন তাঁর অপরাধ ছিল।
হ্যাঁ, ঋত্বিক ঘটককে খুন করা হয়েছে। কারণ, সমাজ কখনো নিজের মুখ আয়নায় দেখতে চায় না। সিনেমায় তিনি প্রশ্ন করতেন, জবাব চাইতেন, নীরবতা ভাঙতেন। কিন্তু সমাজ তাঁকে মদ খাইয়ে, অবহেলায় ফেলে, উপেক্ষা করে, ভুলে গিয়ে খুন করেছে।
আজ যদি ঋত্বিক বেঁচে থাকতেন, হয়তো সমাজ আবার তাঁকে খুন করত। কারণ, আজকের পৃথিবীও সেই একই। ইন্ডাস্ট্রির চকচকে আলোর ভেতরে হারিয়ে গেছে শিল্পের দায়বোধ। কিন্তু ঋত্বিক আমাদের শিখিয়ে গেছেন, সিনেমা মানে শুধু গল্প বলা নয়, সমাজের নীরব যন্ত্রণাকে দৃশ্যমান করা। তিনি বলেছিলেন, শিল্পীর কাজ হলো মানুষের অপমানকে নিশ্চিহ্ন করা।
আজ যখন সিনেমা কনটেন্ট হয়ে গেছে, থিয়েটার হয়ে গেছে প্রিমিয়ার আর দর্শক হয়ে গেছে ভিউ কাউন্ট, তখন ঋত্বিক ঘটকের প্রশ্ন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, 'হোয়াট ড্যু ইউ মিন বাই ফিল্ম?’
এই প্রশ্নটাই আমাদের বারবার ভাবায়, অস্বস্তিতে ফেলে। হয়তো এটাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য।

সিনেমার মাস্তান ঋত্বিক ঘটকের নাম উচ্চারণ করলেই একটা ধাক্কা লাগে। যেন কেউ কানের কাছে এসে বলে ওঠে, ‘হোয়াট ড্যু ইউ মিন বাই ফিল্ম?’ এই প্রশ্নটা যতটা সরল শোনায়, ততটাই গভীর, ততটাই বিস্ফোরক। কারণ, এই প্রশ্নের ভেতরেই আছে ঋত্বিক ঘটকের সিনেমার শিল্পবোধ আর দর্শন।
ঋত্বিক ঘটককে নিয়ে নবারুণ ভট্টাচার্য এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘ফিল্ম একটা স্টেটমেন্ট হতে পারে, ফিল্ম একটা দার্শনিক তাৎপর্য বহন করতে পারে, ফিল্ম একটা ট্রিটিজ হতে পারে, ফিল্ম একটা দাস ক্যাপিটাল হতে পারে।’ নবারুণের এই কথাগুলোই যেন ঋত্বিক ঘটকের শিল্পদর্শনের সংক্ষিপ্ত রূপ। খুব অল্প কয়েকজন চলচ্চিত্র পরিচালকই এমন জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছেন, যেখানে সিনেমা শুধু গল্প বা ছবি নয়, একটা দর্শন-একটা ভাবনা হয়ে ওঠে। ঋত্বিক ঘটক সেই জায়গায় পৌঁছেছিলেন। তিনি সিনেমাকে সমাজ আর মানুষের মোলাকাত হিসেবে দেখেছিলেন।
নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অভিনেতা বিজন ভট্টাচার্য বলেছিলেন, ‘ঋত্বিককে খুন করা হয়েছে।’ কিন্তু এই খুনের প্রক্রিয়া কেমন? নবারুণের ভাষায়, ‘এই খুন নানাভাবে করা যায়! জাফর পানাহিকে যখন বলা হয় কুড়ি বছর তুমি ছবি করতে পারবে না, স্ক্রিপ্টও লিখতে পারবে না, এটা তাঁকে খুন করা।’
আসলে সমাজই ঋত্বিক ঘটককে বাঁচতে দেয়নি। তিনি যে সময়ে ছবি করছিলেন, তখন তাঁর কাজ করার সুযোগ তেমন ছিলই না। ফিল্মের র-স্টক পৌঁছায়নি বলে তাঁর শুটিং বন্ধ হয়ে যেত। প্রযোজক থাকত না, ফান্ড থাকত না। তাঁর ‘সুবর্ণরেখা’র মতো সিনেমার মূল্যবান ফুটেজ পশ্চিমবাংলার টালিগঞ্জে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। কারণ, সঠিকভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না।
এইভাবে ‘উপেক্ষা’ করেও কিন্তু খুন করা যায়। ঋত্বিক ঘটকের সঙ্গে সেটাই ঘটেছিল। থিয়েটার থেকে সিনেমা—তিনি হয়ে উঠেছিলেন ‘স্ট্রাগলিং আর্টিস্ট’-এর সংজ্ঞা। কিন্তু নির্মাতা হিসেবে তাঁর এই সংগ্রাম কেবল কোনো শিল্পমাধ্যমকে ভালোবেসে নয়। তিনি নিজেই বলেছিলেন, ‘ছবি লোকে দেখে। ছবি দেখানোর সুযোগ যতদিন খোলা থাকবে, ততদিন মানুষকে দেখাতে আর নিজের পেটের ভাতের জন্য ছবি করে যাব। কালকে বা দশ বছর পরে যদি সিনেমার চেয়ে ভালো কোনো মিডিয়াম বেরোয় আর দশ বছর পর যদি আমি বেঁচে থাকি, তাহলে সিনেমাকে লাথি মেরে আমি সেখানে চলে যাব। সিনেমার প্রেমে-নেশায় আমি পড়িনি। আই ডু নট লাভ ফিল্ম।’

এই স্বীকারোক্তি ঋত্বিকের শিল্পচেতনার মূল। এখন প্রশ্ন হতে পারে, শিল্পচর্চার মাধ্যমে অধিক মানুষের কাছে পৌঁছানোর তাঁর এই তাগিদের উদ্দেশ্যটা কী? এই বিষয়ে ঋত্বিকের মতামত ছিল স্পষ্ট। তিনি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘প্রতিবাদ করা শিল্পীর প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব। শিল্প ফাজলামি নয়। যারা প্রতিবাদ করছে না তাঁরা অন্যায় করছে। শিল্প দায়িত্ব, আমার অধিকার নেই সে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার। শিল্পী সমাজের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। সে সমাজের দাস। এই দাসত্ব স্বীকার করে তবে সে ছবি করবে।’
তবে বাজারমুখী চলচ্চিত্রজগতে ঋত্বিক ঘটকের কোনো জায়গা ছিল না। ফেস্টিভালে পুরস্কার পাননি, সিনেমা করে টাকা পাননি। বাংলা সিনেমাজগৎ তাঁকে বোঝেনি। হলের পর্দায় ‘কোমল গান্ধার’, ‘সুবর্ণরেখা’ চলেছে, অথচ হলে লোকজন তেমন নেই। ফিল্ম ক্রিটিকরাও নীরব। এমনকি তথাকথিত বাঙালি ‘কালচারাল এলিট’দেরও কাছে তিনি ছিলেন এক ‘মদ্যপ, অসংলগ্ন, পাগল’।
আর সমাজের চোখে ঋত্বিক ঘটক ছিলেন ‘উদ্বৃত্ত মানুষ’। মানে বাড়তি আর অপ্রয়োজনীয়। আর মূলধারার প্রযোজকদের চোখে ‘ঝামেলাবাজ’। ফুটপাতে থেকেছেন, ক্ষুধার্ত থেকেছেন, লড়েছেন, হেরেছেন, আবার লড়েছেন। কিন্তু কখনো আপস করেননি। তাঁর মৃত্যু ছিল এই সমাজের ‘সিস্টেমিক অ্যাসাসিনেশন’।
বাঙালি আসলে ঋত্বিককে ভুলে গেছে। নবারুণের ভাষায়, এখনকার বাঙালি অতিরিক্ত আধুনিক। সে আর ‘উদ্বৃত্ত মানুষ’ রাখতে চায় না। তার আধুনিকতা এখন ‘কালচার ইন্ডাস্ট্রি’ আর ‘মুনাফার খেলা’-য় বন্দি। তাই ঋত্বিক ঘটক আজকের দিনের সিনেমায় থাকলে হয়ত আবার তাঁকে বলা হতো, অতি নাটকীয়, অতি রাজনৈতিক, অতি মানবিক। এই ‘অতি’-টাই যেন তাঁর অপরাধ ছিল।
হ্যাঁ, ঋত্বিক ঘটককে খুন করা হয়েছে। কারণ, সমাজ কখনো নিজের মুখ আয়নায় দেখতে চায় না। সিনেমায় তিনি প্রশ্ন করতেন, জবাব চাইতেন, নীরবতা ভাঙতেন। কিন্তু সমাজ তাঁকে মদ খাইয়ে, অবহেলায় ফেলে, উপেক্ষা করে, ভুলে গিয়ে খুন করেছে।
আজ যদি ঋত্বিক বেঁচে থাকতেন, হয়তো সমাজ আবার তাঁকে খুন করত। কারণ, আজকের পৃথিবীও সেই একই। ইন্ডাস্ট্রির চকচকে আলোর ভেতরে হারিয়ে গেছে শিল্পের দায়বোধ। কিন্তু ঋত্বিক আমাদের শিখিয়ে গেছেন, সিনেমা মানে শুধু গল্প বলা নয়, সমাজের নীরব যন্ত্রণাকে দৃশ্যমান করা। তিনি বলেছিলেন, শিল্পীর কাজ হলো মানুষের অপমানকে নিশ্চিহ্ন করা।
আজ যখন সিনেমা কনটেন্ট হয়ে গেছে, থিয়েটার হয়ে গেছে প্রিমিয়ার আর দর্শক হয়ে গেছে ভিউ কাউন্ট, তখন ঋত্বিক ঘটকের প্রশ্ন আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে, 'হোয়াট ড্যু ইউ মিন বাই ফিল্ম?’
এই প্রশ্নটাই আমাদের বারবার ভাবায়, অস্বস্তিতে ফেলে। হয়তো এটাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য।

সৌন্দর্য বোঝার ক্ষেত্রে তাই দুটো দিক কাজ করে। একদিকে আছে বস্তুনিষ্ঠ দিক, অর্থাৎ কোনো জিনিসের গঠন, ভারসাম্য বা বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে আছে ব্যক্তিনিষ্ঠ দিক, মানে ব্যক্তির অনুভূতি, রুচি আর অভিজ্ঞতা। এই দুই দিক একসঙ্গে জড়িত বলেই সৌন্দর্যের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া এত কঠিন।
৫ ঘণ্টা আগে
আমরা শুধু আমাদের মস্তিষ্কের বাসিন্দা নই। আমরা এর স্থপতিও হতে পারি। নিজেদের ইচ্ছা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা নিজেদের নতুন করে গড়ার ক্ষমতা রাখি। প্রকৃতি আমাদের হাতে পরিবর্তনের চাবি তুলে দিয়েছে। সেই চাবি দিয়ে আমরা কোন দরজা খুলব তা একান্তই আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
৯ ঘণ্টা আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
১ দিন আগে