অমর একুশে বইমেলা ২০২৬
স্ট্রিম প্রতিবেদক

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর পর্দা নামল। রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক নানা কারণে মেলা শুরু হতে বিলম্ব হওয়ায় মাসব্যাপী মেলার ঐতিহ্য ভেঙে এবার সময়কাল ছিল মাত্র ১৭ দিন। তবে মেলার দিন কমলেও নতুন বইয়ের সংখ্যা ছিল আশাব্যঞ্জক। বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রে এবারের মেলায় মোট ২ হাজার ৭টি নতুন বই জমা পড়েছে। তবে মেলার সময়সীমা কমা এবং আয়োজন নিয়ে নানা টালবাহানার কারণে বিক্রি নিয়ে প্রকাশকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কারও বিক্রি সন্তোষজনক হলেও অনেক বড় প্রকাশনীর ব্যবসা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।
বাংলা একাডেমির হিসাব অনুযায়ী, মেলার শেষ দিকে বই প্রকাশের হার সবচেয়ে বেশি ছিল। গত ১৩ মার্চ মেলায় সর্বোচ্চ ২৭৭টি নতুন বই জমা পড়ে। ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত মেলায় আসা নতুন বইয়ের পরিসংখ্যান হলো: ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৬টি, ২৮ ফেব্রুয়ারি ৩৮টি, ১ মার্চ ৪২টি, ২ মার্চ ৪০টি, ৩ মার্চ ৬৫টি, ৪ মার্চ ৮১টি, ৫ মার্চ ৯২টি, ৬ মার্চ ১৯৯টি, ৭ মার্চ ১৮৫টি, ৮ মার্চ ৭৫টি, ৯ মার্চ ১৬৩টি, ১০ মার্চ ১৪৬টি, ১১ মার্চ ১১৩টি, ১২ মার্চ ৮২টি, ১৩ মার্চ ২৭৭টি, ১৪ মার্চ ১৫৭টি এবং ১৫ মার্চ ২৩৬টি নতুন বই।
মেলার সময়কাল ও বিক্রি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অন্যধারা প্রকাশনীর প্রকাশক মনির হোসেন পিন্টু। রমজানের প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, “আগে ২৮ দিনের মেলা হতো, এবার হলো ১৭ দিনের। ৯৩-৯৪ সালের রমজানে সন্ধ্যার পর পাঠক পাওয়া যেত না, কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভালো। রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা হওয়ায় সন্ধ্যার পরই বেশি পাঠক আসছেন। আমাদের বিক্রিও বেশ ভালো।”
কথাপ্রকাশের প্রকাশক জসীম উদ্দীন সার্বিক পরিস্থিতিতে মোটামুটি সন্তুষ্ট থাকলেও আয়োজনের বিলম্ব নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “মেলা নিয়ে বৈরিতা না থাকলে এবং ২০ তারিখ থেকে শুরু হলে আমাদের আরও ৫-৬ লাখ টাকা বেশি বিক্রি হতো। গতবার শুক্র-শনিবার আড়াই-তিন লাখ টাকার বই বিক্রি হলেও এবার হয়েছে ২ লাখ।” তিনি আরও বলেন, সংস্কৃতিকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত এবং যাঁরা জানুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করে মার্কেটিং করেছেন, তাঁদের বিক্রি ভালো হয়েছে।
এক স্টলের প্রকাশকদের মধ্যে পুনশ্চ প্রকাশনীর প্রকাশক সালমান হাবীব জানান, তাঁদের প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছে। তবে মেলা নিয়ে টালবাহানা না হলে বিক্রি আরও ভালো হতো বলে তিনি মনে করেন।
অনেক প্রতিষ্ঠিত প্রকাশনীর বিক্রি এবার আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ঐতিহ্যের ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন কাজল বলেন, “মেলা ভালো হয়েছে, তবে গতবারের চেয়ে ৪০ শতাংশ কম বিক্রি হয়েছে। মেলার সময় কমার কারণেই এটি হয়েছে।” সবচেয়ে বড় ক্ষতির কথা জানিয়েছেন আদর্শ-এর সিনিয়র ম্যানেজিং এডিটর মুহিম সন্ন্যাসি। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “মেলায় এবার বেশ খারাপ বিক্রি হয়েছে। গতবারের তুলনায় আমাদের ৮৫ শতাংশ বিক্রি কমেছে।”
প্রথমা প্রকাশনের উপব্যবস্থাপক কাউছার আহম্মেদ জানান, তাঁদের বিক্রি গত দুই বছর ধরেই নিম্নমুখী। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বিক্রি কমেছিল প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ এবং গত বছরের তুলনায় এবার আরও ৫০-৬০ শতাংশ বিক্রি কমেছে।
সার্বিকভাবে, ২০২৬ সালের অমর একুশে বইমেলা পাঠক-দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর থাকলেও সময়সীমা সংকোচন এবং প্রশাসনিক জটিলতার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে অনেক প্রকাশকের ব্যবসায়। তবে যাঁরা আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে সঠিক বিপণন কৌশল অবলম্বন করেছেন, তাঁরা এই স্বল্প সময়েও লক্ষ্য পূরণে অনেকাংশে সফল হয়েছেন।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর পর্দা নামল। রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক নানা কারণে মেলা শুরু হতে বিলম্ব হওয়ায় মাসব্যাপী মেলার ঐতিহ্য ভেঙে এবার সময়কাল ছিল মাত্র ১৭ দিন। তবে মেলার দিন কমলেও নতুন বইয়ের সংখ্যা ছিল আশাব্যঞ্জক। বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রে এবারের মেলায় মোট ২ হাজার ৭টি নতুন বই জমা পড়েছে। তবে মেলার সময়সীমা কমা এবং আয়োজন নিয়ে নানা টালবাহানার কারণে বিক্রি নিয়ে প্রকাশকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কারও বিক্রি সন্তোষজনক হলেও অনেক বড় প্রকাশনীর ব্যবসা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।
বাংলা একাডেমির হিসাব অনুযায়ী, মেলার শেষ দিকে বই প্রকাশের হার সবচেয়ে বেশি ছিল। গত ১৩ মার্চ মেলায় সর্বোচ্চ ২৭৭টি নতুন বই জমা পড়ে। ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত মেলায় আসা নতুন বইয়ের পরিসংখ্যান হলো: ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৬টি, ২৮ ফেব্রুয়ারি ৩৮টি, ১ মার্চ ৪২টি, ২ মার্চ ৪০টি, ৩ মার্চ ৬৫টি, ৪ মার্চ ৮১টি, ৫ মার্চ ৯২টি, ৬ মার্চ ১৯৯টি, ৭ মার্চ ১৮৫টি, ৮ মার্চ ৭৫টি, ৯ মার্চ ১৬৩টি, ১০ মার্চ ১৪৬টি, ১১ মার্চ ১১৩টি, ১২ মার্চ ৮২টি, ১৩ মার্চ ২৭৭টি, ১৪ মার্চ ১৫৭টি এবং ১৫ মার্চ ২৩৬টি নতুন বই।
মেলার সময়কাল ও বিক্রি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অন্যধারা প্রকাশনীর প্রকাশক মনির হোসেন পিন্টু। রমজানের প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, “আগে ২৮ দিনের মেলা হতো, এবার হলো ১৭ দিনের। ৯৩-৯৪ সালের রমজানে সন্ধ্যার পর পাঠক পাওয়া যেত না, কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভালো। রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা হওয়ায় সন্ধ্যার পরই বেশি পাঠক আসছেন। আমাদের বিক্রিও বেশ ভালো।”
কথাপ্রকাশের প্রকাশক জসীম উদ্দীন সার্বিক পরিস্থিতিতে মোটামুটি সন্তুষ্ট থাকলেও আয়োজনের বিলম্ব নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “মেলা নিয়ে বৈরিতা না থাকলে এবং ২০ তারিখ থেকে শুরু হলে আমাদের আরও ৫-৬ লাখ টাকা বেশি বিক্রি হতো। গতবার শুক্র-শনিবার আড়াই-তিন লাখ টাকার বই বিক্রি হলেও এবার হয়েছে ২ লাখ।” তিনি আরও বলেন, সংস্কৃতিকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত এবং যাঁরা জানুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করে মার্কেটিং করেছেন, তাঁদের বিক্রি ভালো হয়েছে।
এক স্টলের প্রকাশকদের মধ্যে পুনশ্চ প্রকাশনীর প্রকাশক সালমান হাবীব জানান, তাঁদের প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার বই বিক্রি হয়েছে। তবে মেলা নিয়ে টালবাহানা না হলে বিক্রি আরও ভালো হতো বলে তিনি মনে করেন।
অনেক প্রতিষ্ঠিত প্রকাশনীর বিক্রি এবার আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ঐতিহ্যের ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন কাজল বলেন, “মেলা ভালো হয়েছে, তবে গতবারের চেয়ে ৪০ শতাংশ কম বিক্রি হয়েছে। মেলার সময় কমার কারণেই এটি হয়েছে।” সবচেয়ে বড় ক্ষতির কথা জানিয়েছেন আদর্শ-এর সিনিয়র ম্যানেজিং এডিটর মুহিম সন্ন্যাসি। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “মেলায় এবার বেশ খারাপ বিক্রি হয়েছে। গতবারের তুলনায় আমাদের ৮৫ শতাংশ বিক্রি কমেছে।”
প্রথমা প্রকাশনের উপব্যবস্থাপক কাউছার আহম্মেদ জানান, তাঁদের বিক্রি গত দুই বছর ধরেই নিম্নমুখী। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বিক্রি কমেছিল প্রায় ৩৫-৪০ শতাংশ এবং গত বছরের তুলনায় এবার আরও ৫০-৬০ শতাংশ বিক্রি কমেছে।
সার্বিকভাবে, ২০২৬ সালের অমর একুশে বইমেলা পাঠক-দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখর থাকলেও সময়সীমা সংকোচন এবং প্রশাসনিক জটিলতার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে অনেক প্রকাশকের ব্যবসায়। তবে যাঁরা আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে সঠিক বিপণন কৌশল অবলম্বন করেছেন, তাঁরা এই স্বল্প সময়েও লক্ষ্য পূরণে অনেকাংশে সফল হয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে এবারের নির্বাচনের লড়াই জিতলেও তা অনেক কঠিন ছিল বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে কেউ দুর্নীতি করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের এক ইফতার মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর খিলক্ষেতে ডেসকোর কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাঁপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
দেশব্যাপী ‘খাল খনন কর্মসূচি ২০২৬’-এর উদ্বোধন করতে আগামীকাল সোমবার দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জেলার কাহারোলের বলরামপুরে একটি খাল খননের মধ্য দিয়ে তিনি এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে