স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ঘটতে যাচ্ছে এক নজিরবিহীন ঘটনা। ‘ইন্ডি’ নামের একটি কুকুর অ্যাস্ট্রা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডসে হরর বা থ্রিলার বিভাগে ‘বেস্ট পারফরম্যান্স’ পুরস্কারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত হয়েছে। এই মনোনয়ন সিনেমার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে, কারণ ইন্ডিই প্রথম কোনো প্রাণী অভিনেতা, যাকে মানুষের জন্য নির্ধারিত মূলধারার অভিনয় ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের সঙ্গে একই অভিনয় বিভাগে কোনো প্রাণী অভিনেতার মনোনয়নের ঘটনা এটিই প্রথম।
হরর ঘরানা সিনেমা ‘গুড বয়’-এ অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ইন্ডিকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সাধারণত বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমায় অভিনয় করা পশুপাখিদের জন্য আলাদা ক্যাটাগরি বা বিশেষ পুরস্কার বরাদ্দ থাকে, কিন্তু ইন্ডির ক্ষেত্রে বিষয়টি অবাক করার মতো। তাকে কোনো ‘প্রাণী’ ক্যাটাগরিতে নয়, বরং মূল ধারার অভিনয়ের মাপকাঠিতেই বিচার করা হচ্ছে।
নির্মাতা বেন লিওনবার্গের ‘গুড বয়’ সিনেমাটি ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত। সিনেমার নামটা শুনে প্রথমে মনে হতে পারে, এ বুঝি আর দশটা হালকা-পাতলা পোষা কুকুরের সিনেমা। কিন্তু এই ছবিটি একেবারেই তা নয়। এটি একটি হরর সিনেমা, আর এর কেন্দ্রবিন্দুতে ইন্ডি। আসলে এই গল্পের ‘নায়ক’ও সে, নিজের মালিককে বাঁচাতে অতিপ্রাকৃত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ায়।

সিনেমার গল্প শুরু হয় খুব সাধারণভাবে। ইন্ডি আর তার মালিক শহর ছেড়ে গ্রামাঞ্চলের একটি পুরোনো পারিবারিক বাড়িতে থাকতে আসে। চারপাশে নীরবতা, অচেনা পরিবেশ, দর্শক টের পায় এই বাড়িতে কিছু একটা ঠিক নেই। কিন্তু সেই অশুভ উপস্থিতিকে প্রথম যে অনুভব করে, সে মানুষ নয়, ইন্ডি নিজেই। তার কান খাড়া হয়ে যায়, চোখে জমে ভয় আর সতর্কতা।
এই সিনেমার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো গল্প বলা হয়েছে কুকুরের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। ক্যামেরা প্রায়ই ইন্ডির চোখের উচ্চতায় নেমে আসে। ফলে দর্শকও যেন তার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকার ঘর পেরোয়, অচেনা শব্দে চমকে ওঠে, আর মালিকের বিপদ টের পায় আগেভাগেই। এখানে ‘জাম্প স্কেয়ার’ কম, কিন্তু টানটান আতঙ্ক ধীরে ধীরে গা ছমছম করে ওঠে।
ইন্ডির অভিনয়ই ছবিটির প্রাণ। সমালোচক ও দর্শক—দুই পক্ষই একমত যে, এটি ‘কিউট কুকুর’ দেখানোর সিনেমা নয়। ইন্ডির চোখের ভাষা, দৌড়, থমকে যাওয়া, ভয় আর সাহস এতটাই বিশ্বাসযোগ্য যে অনেকেই মজা করে বলেছেন, এই কুকুরের অস্কার মনোনয়ন পাওয়া উচিত। বাস্তবেও ইন্ডি ইতিমধ্যে বড় মাপের পুরস্কারে মনোনয়ন পেয়ে ইতিহাস তৈরি করেছে।
এছাড়া, থ্রিলার বা হরর ঘরানার মুভিতে ‘সাইলেন্স’ বা নিস্তব্ধতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইন্ডি অপ্রয়োজনীয় শব্দ না করে কেবল তার উপস্থিতির মাধ্যমে স্ক্রিনে সাসপেন্স ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, ইন্ডির অভিনয় এতটাই ন্যাচারাল ছিল যে, তাকে কোনো প্রশিক্ষিত প্রাণী মনে হয়নি, মনে হয়েছে সে গল্পেরই একটি জীবন্ত চরিত্র।
সিনেমার আলো ঝলমলে জগতে গল্পের প্রয়োজনে প্রাণীদের অভিনয়ের ইতিহাস বেশ পুরোনো হলেও এমন সম্মাননা পাওয়ার ঘটনা বিরল। যেমন ১৯২৯ সালে অস্কারের প্রথম আসরে ‘রিন টিন টিন’ নামের একটি জার্মান শেফার্ড কুকুর সেরা অভিনেতা ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিল।
কিন্তু একাডেমি কর্তৃপক্ষ শেষ মুহূর্তে একাডেমি কর্তৃপক্ষ একজন মানুষকেই বিজয়ী ঘোষণা করে। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে অস্কারজয়ী সিনেমা ‘দ্য আর্টিস্ট’-এ ‘আগি’ নামের একটি কুকুর এবং অতি সম্প্রতি ‘অ্যানাটমি অফ আ ফল’ সিনেমায় ‘মেসি’ নামের একটি বর্ডার কলি জাতের কুকুর তাদের অভিনয়ের জন্য কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ ‘পাম ডগ’ পুরস্কার জিতেছে।
তবে ইন্ডির মতো মানুষের জন্য নির্ধারিত মূলধারার অভিনয় ক্যাটাগরিতে সরাসরি কোনো বড় অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ঘটতে যাচ্ছে এক নজিরবিহীন ঘটনা। ‘ইন্ডি’ নামের একটি কুকুর অ্যাস্ট্রা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডসে হরর বা থ্রিলার বিভাগে ‘বেস্ট পারফরম্যান্স’ পুরস্কারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত হয়েছে। এই মনোনয়ন সিনেমার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে, কারণ ইন্ডিই প্রথম কোনো প্রাণী অভিনেতা, যাকে মানুষের জন্য নির্ধারিত মূলধারার অভিনয় ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের সঙ্গে একই অভিনয় বিভাগে কোনো প্রাণী অভিনেতার মনোনয়নের ঘটনা এটিই প্রথম।
হরর ঘরানা সিনেমা ‘গুড বয়’-এ অনবদ্য অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ইন্ডিকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সাধারণত বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমায় অভিনয় করা পশুপাখিদের জন্য আলাদা ক্যাটাগরি বা বিশেষ পুরস্কার বরাদ্দ থাকে, কিন্তু ইন্ডির ক্ষেত্রে বিষয়টি অবাক করার মতো। তাকে কোনো ‘প্রাণী’ ক্যাটাগরিতে নয়, বরং মূল ধারার অভিনয়ের মাপকাঠিতেই বিচার করা হচ্ছে।
নির্মাতা বেন লিওনবার্গের ‘গুড বয়’ সিনেমাটি ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত। সিনেমার নামটা শুনে প্রথমে মনে হতে পারে, এ বুঝি আর দশটা হালকা-পাতলা পোষা কুকুরের সিনেমা। কিন্তু এই ছবিটি একেবারেই তা নয়। এটি একটি হরর সিনেমা, আর এর কেন্দ্রবিন্দুতে ইন্ডি। আসলে এই গল্পের ‘নায়ক’ও সে, নিজের মালিককে বাঁচাতে অতিপ্রাকৃত অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ায়।

সিনেমার গল্প শুরু হয় খুব সাধারণভাবে। ইন্ডি আর তার মালিক শহর ছেড়ে গ্রামাঞ্চলের একটি পুরোনো পারিবারিক বাড়িতে থাকতে আসে। চারপাশে নীরবতা, অচেনা পরিবেশ, দর্শক টের পায় এই বাড়িতে কিছু একটা ঠিক নেই। কিন্তু সেই অশুভ উপস্থিতিকে প্রথম যে অনুভব করে, সে মানুষ নয়, ইন্ডি নিজেই। তার কান খাড়া হয়ে যায়, চোখে জমে ভয় আর সতর্কতা।
এই সিনেমার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো গল্প বলা হয়েছে কুকুরের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। ক্যামেরা প্রায়ই ইন্ডির চোখের উচ্চতায় নেমে আসে। ফলে দর্শকও যেন তার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকার ঘর পেরোয়, অচেনা শব্দে চমকে ওঠে, আর মালিকের বিপদ টের পায় আগেভাগেই। এখানে ‘জাম্প স্কেয়ার’ কম, কিন্তু টানটান আতঙ্ক ধীরে ধীরে গা ছমছম করে ওঠে।
ইন্ডির অভিনয়ই ছবিটির প্রাণ। সমালোচক ও দর্শক—দুই পক্ষই একমত যে, এটি ‘কিউট কুকুর’ দেখানোর সিনেমা নয়। ইন্ডির চোখের ভাষা, দৌড়, থমকে যাওয়া, ভয় আর সাহস এতটাই বিশ্বাসযোগ্য যে অনেকেই মজা করে বলেছেন, এই কুকুরের অস্কার মনোনয়ন পাওয়া উচিত। বাস্তবেও ইন্ডি ইতিমধ্যে বড় মাপের পুরস্কারে মনোনয়ন পেয়ে ইতিহাস তৈরি করেছে।
এছাড়া, থ্রিলার বা হরর ঘরানার মুভিতে ‘সাইলেন্স’ বা নিস্তব্ধতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইন্ডি অপ্রয়োজনীয় শব্দ না করে কেবল তার উপস্থিতির মাধ্যমে স্ক্রিনে সাসপেন্স ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, ইন্ডির অভিনয় এতটাই ন্যাচারাল ছিল যে, তাকে কোনো প্রশিক্ষিত প্রাণী মনে হয়নি, মনে হয়েছে সে গল্পেরই একটি জীবন্ত চরিত্র।
সিনেমার আলো ঝলমলে জগতে গল্পের প্রয়োজনে প্রাণীদের অভিনয়ের ইতিহাস বেশ পুরোনো হলেও এমন সম্মাননা পাওয়ার ঘটনা বিরল। যেমন ১৯২৯ সালে অস্কারের প্রথম আসরে ‘রিন টিন টিন’ নামের একটি জার্মান শেফার্ড কুকুর সেরা অভিনেতা ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিল।
কিন্তু একাডেমি কর্তৃপক্ষ শেষ মুহূর্তে একাডেমি কর্তৃপক্ষ একজন মানুষকেই বিজয়ী ঘোষণা করে। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে অস্কারজয়ী সিনেমা ‘দ্য আর্টিস্ট’-এ ‘আগি’ নামের একটি কুকুর এবং অতি সম্প্রতি ‘অ্যানাটমি অফ আ ফল’ সিনেমায় ‘মেসি’ নামের একটি বর্ডার কলি জাতের কুকুর তাদের অভিনয়ের জন্য কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ ‘পাম ডগ’ পুরস্কার জিতেছে।
তবে ইন্ডির মতো মানুষের জন্য নির্ধারিত মূলধারার অভিনয় ক্যাটাগরিতে সরাসরি কোনো বড় অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

ভালোবাসা মানে যার কাছে ঋণী, তাকে স্বীকার করা। যে নীরবে রক্ষা করে, তাকে কৃতজ্ঞতা জানানো। এই বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে তাই ভালোবাসার তালিকায় থাকুক সুন্দরবনও।
৯ ঘণ্টা আগে
১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে পহেলা ফাল্গুন কিংবা ভালবাসা দিবস হিসেবেই আমরা জানি। কিন্তু এই আনন্দের আড়ালে চাপা পড়ে গেছে আমাদের ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না, ১৯৮৩ সালের এই দিনটি ছিল বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের জন্য এক অগ্নিঝরা দিন।
১০ ঘণ্টা আগে
আজ পহেলা ফাল্গুন। বসন্তের প্রথম দিন। শীতের জীর্ণতা সরিয়ে প্রকৃতিতে লেগেছে নতুনের ছোঁয়া। বসন্তে প্রকৃতিতে ঠিক কী কী পরিবর্তন হয়? আর বসন্তের সঙ্গে মনের কোনো সম্পর্ক আছে কি?
১০ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে এই ধারণা ধীরে ধীরে পাল্টাচ্ছে। মিলেনিয়াল এবং জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে স্টেরিওটাইপ ভাঙার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের বড় একটা কারণ সোশ্যাল মিডিয়া ও পপ কালচার।
১৩ ঘণ্টা আগে