সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন
বাংলা স্ট্রিম

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
আজ সোমবার সকাল ১১টায় কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পেশ করা হয়।
এরপর ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন দেশের সব নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এবং এটি সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে যুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
একইসঙ্গে, স্বাস্থ্যখাতে জাতীয় বাজেটের ১৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে এই কমিশন।
কমিশন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন, সেখানে চিকিৎসক নিয়োগ, প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ এবং অন্যান্য ওষুধ সুলভ মূল্যে সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া, নিম্নমানের চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান সূচনা বক্তব্য রাখেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন।
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন ডা. আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, অধ্যাপক ডা. সায়েরা আখতার, এম এম রেজা, ডা. আজহারুল ইসলাম, ডা. আহমেদ আহসানুর রহমান ও ওমাইর আফিফ।
২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ১২ সদস্যবিশিষ্ট স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
আজ সোমবার সকাল ১১টায় কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পেশ করা হয়।
এরপর ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন দেশের সব নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এবং এটি সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে যুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
একইসঙ্গে, স্বাস্থ্যখাতে জাতীয় বাজেটের ১৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে এই কমিশন।
কমিশন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন, সেখানে চিকিৎসক নিয়োগ, প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ এবং অন্যান্য ওষুধ সুলভ মূল্যে সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া, নিম্নমানের চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান সূচনা বক্তব্য রাখেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন।
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন ডা. আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, অধ্যাপক ডা. সায়েরা আখতার, এম এম রেজা, ডা. আজহারুল ইসলাম, ডা. আহমেদ আহসানুর রহমান ও ওমাইর আফিফ।
২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ১২ সদস্যবিশিষ্ট স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
২ ঘণ্টা আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
১ দিন আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
১ দিন আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে