স্ট্রিম ডেস্ক

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর ঢাকায় শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। শুরুর দিকে বৃষ্টির তীব্রতা থাকলেও রাত ৯টার দিকে তা কমে আসে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই আড়াই ঘণ্টায় ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরপর গতরাত থেকে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে।
সাধারণত গরম ও অস্থিতিশীল বায়ুমণ্ডলে বজ্রমেঘ তৈরি হলে শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ফাল্গুন ও চৈত্র মাস বাংলাদেশে ‘প্রাক-মৌসুমি’ কালবৈশাখীর সময়, তাই এ সময় শিলাবৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সাধারণত মার্চের শেষ দিকে এই সময় শুরু হওয়ার কথা, কিন্তু এখন কখনো কখনো ফেব্রুয়ারিতেই এর প্রভাব দেখা যায়।
আকাশে বজ্রমেঘ বা কিউমুলোনিম্বাস মেঘ তৈরি হলে তার ভেতরে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহের কারণে বৃষ্টির ফোঁটা জমে বরফকণায় পরিণত হয় এবং সেগুলো শিলা হিসেবে নিচে পড়ে। এই বরফকণাসহ বৃষ্টিপাতকেই শিলাবৃষ্টি বলা হয়। বাংলাদেশে সাধারণত মার্চ ও এপ্রিল মাসে শিলাবৃষ্টি বেশি হয়। এর পেছনে আবহাওয়ার পাশাপাশি আমাদের ভৌগোলিক অবস্থানও বেশ বড় ভূমিকা রাখে।
গরমের সময় নিচের দিকের বাতাস গরম হয়ে দ্রুত ওপরে উঠে যায় এবং বজ্রমেঘের ভেতরে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহ তৈরি হয়। এটা বৃষ্টির ফোঁটাগুলোকে বারবার ওপরে ঠেলে দেয়।
মেঘের ওপরের অংশ খুব ঠান্ডা থাকে। সেখানে গিয়ে পানির ফোঁটা জমে ছোট ছোট বরফকণায় পরিণত হয়। এরপর সেগুলো আবার নিচে নামতে শুরু করে। কিন্তু শক্ত বাতাসের কারণে আবারও ওপরে উঠে যায়।
এভাবে মেঘের ভেতরে বারবার ওপরে ওঠা ও নিচে নামার সময় বরফকণার ওপর নতুন নতুন পানির স্তর জমতে থাকে। ফলে সেগুলো ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং একসময় বড় শিলাখণ্ডে পরিণত হয়।
যখন এই বরফের টুকরোগুলো খুব ভারী হয়ে যায়, তখন বাতাস আর সেগুলোকে ধরে রাখতে পারে না। তখনই সেগুলো বৃষ্টির সঙ্গে মাটিতে পড়ে—এটাই শিলাবৃষ্টি। তবে আকাশে থাকাকালে শিলাগুলো অনেক বড় হতে পারে। মাটিতে পড়ার পথে তুলনামূলক উষ্ণ বাতাসে কিছু শিলা আংশিক গলে গিয়ে আকারে কিছুটা ছোট হয়ে যেতে পারে।
শিলাবৃষ্টি শুরু হলে খোলা আকাশের নিচে থাকা মোটেও নিরাপদ নয়। তাই যত দ্রুত সম্ভব কোনো ভবনের ভেতরে আশ্রয় নিতে হবে। টিনের ছাউনি বা দুর্বল কাঠামোর নিচে আশ্রয় নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় শিলাবৃষ্টি শুরু হলে গতি কমিয়ে সতর্কভাবে নিরাপদ স্থানে গাড়ি থামানো ভালো। সম্ভব হলে গাড়ির ভেতরেই থাকতে হবে, জানালা থেকে শরীর সরিয়ে রাখতে হবে এবং গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে গাড়ি থামানো যাবে না।
বাড়িতে থাকলে অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হওয়াই নিরাপদ। ঝড় বা শিলাবৃষ্টির সময় ছিঁড়ে পড়া বা ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক তার কখনোই স্পর্শ করা যাবে না। এতে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর ঢাকায় শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। শুরুর দিকে বৃষ্টির তীব্রতা থাকলেও রাত ৯টার দিকে তা কমে আসে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই আড়াই ঘণ্টায় ঢাকায় ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরপর গতরাত থেকে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় শিলাবৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে।
সাধারণত গরম ও অস্থিতিশীল বায়ুমণ্ডলে বজ্রমেঘ তৈরি হলে শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ফাল্গুন ও চৈত্র মাস বাংলাদেশে ‘প্রাক-মৌসুমি’ কালবৈশাখীর সময়, তাই এ সময় শিলাবৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সাধারণত মার্চের শেষ দিকে এই সময় শুরু হওয়ার কথা, কিন্তু এখন কখনো কখনো ফেব্রুয়ারিতেই এর প্রভাব দেখা যায়।
আকাশে বজ্রমেঘ বা কিউমুলোনিম্বাস মেঘ তৈরি হলে তার ভেতরে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহের কারণে বৃষ্টির ফোঁটা জমে বরফকণায় পরিণত হয় এবং সেগুলো শিলা হিসেবে নিচে পড়ে। এই বরফকণাসহ বৃষ্টিপাতকেই শিলাবৃষ্টি বলা হয়। বাংলাদেশে সাধারণত মার্চ ও এপ্রিল মাসে শিলাবৃষ্টি বেশি হয়। এর পেছনে আবহাওয়ার পাশাপাশি আমাদের ভৌগোলিক অবস্থানও বেশ বড় ভূমিকা রাখে।
গরমের সময় নিচের দিকের বাতাস গরম হয়ে দ্রুত ওপরে উঠে যায় এবং বজ্রমেঘের ভেতরে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী বায়ুপ্রবাহ তৈরি হয়। এটা বৃষ্টির ফোঁটাগুলোকে বারবার ওপরে ঠেলে দেয়।
মেঘের ওপরের অংশ খুব ঠান্ডা থাকে। সেখানে গিয়ে পানির ফোঁটা জমে ছোট ছোট বরফকণায় পরিণত হয়। এরপর সেগুলো আবার নিচে নামতে শুরু করে। কিন্তু শক্ত বাতাসের কারণে আবারও ওপরে উঠে যায়।
এভাবে মেঘের ভেতরে বারবার ওপরে ওঠা ও নিচে নামার সময় বরফকণার ওপর নতুন নতুন পানির স্তর জমতে থাকে। ফলে সেগুলো ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং একসময় বড় শিলাখণ্ডে পরিণত হয়।
যখন এই বরফের টুকরোগুলো খুব ভারী হয়ে যায়, তখন বাতাস আর সেগুলোকে ধরে রাখতে পারে না। তখনই সেগুলো বৃষ্টির সঙ্গে মাটিতে পড়ে—এটাই শিলাবৃষ্টি। তবে আকাশে থাকাকালে শিলাগুলো অনেক বড় হতে পারে। মাটিতে পড়ার পথে তুলনামূলক উষ্ণ বাতাসে কিছু শিলা আংশিক গলে গিয়ে আকারে কিছুটা ছোট হয়ে যেতে পারে।
শিলাবৃষ্টি শুরু হলে খোলা আকাশের নিচে থাকা মোটেও নিরাপদ নয়। তাই যত দ্রুত সম্ভব কোনো ভবনের ভেতরে আশ্রয় নিতে হবে। টিনের ছাউনি বা দুর্বল কাঠামোর নিচে আশ্রয় নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় শিলাবৃষ্টি শুরু হলে গতি কমিয়ে সতর্কভাবে নিরাপদ স্থানে গাড়ি থামানো ভালো। সম্ভব হলে গাড়ির ভেতরেই থাকতে হবে, জানালা থেকে শরীর সরিয়ে রাখতে হবে এবং গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে গাড়ি থামানো যাবে না।
বাড়িতে থাকলে অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হওয়াই নিরাপদ। ঝড় বা শিলাবৃষ্টির সময় ছিঁড়ে পড়া বা ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক তার কখনোই স্পর্শ করা যাবে না। এতে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
.png)

ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
১৪ আগস্ট ২০২৬
১৯৯৫ সালে অ্যামাজন প্রথম যে পণ্যটি বিক্রি করেছিল, সেটি ছিল ডগলাস হফস্ট্যাডারের লেখা বই ‘ফ্লুইড কনসেপ্টস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ’। তিন দশক পর সেই অনলাইন বইয়ের দোকানটির বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসেই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করেছে ২০০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য
১২ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত বন্য প্রাণীগুলোর একটি সিংহ। ছোটবেলা থেকেই গল্প, সিনেমা আর ছবিতে আমরা তাকে দেখে এসেছি বনের রাজা হিসেবে। তার গর্জন, কেশর আর রাজকীয় উপস্থিতি যেন আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। ‘বনের রাজা’কে বিশ্ব সিংহ দিবসের পরের দিন একটু অন্যভাবে চেনা যাক।
১১ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪। সকাল ১১টা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানুষের ভিড়, মিছিল আর স্লোগান। দেশজুড়ে তখন খুনের বন্যা। যা দেখিনি, তা-ই দেখছি—চোখের সামনে। দলে দলে কোত্থেকে আসছে এত মানুষ? ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যুত্থান ঘটে গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬