তামান্না আনজুম

২৩ জুন আন্তর্জাতিক নারী প্রকৌশলী দিবস। ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রকৌশল পেশায় নারীদের অবদান, সাফল্য ও অংশগ্রহণকে স্বীকৃতি দিতে প্রতি বছর দিনটি পালন করা হয়। নারীরা প্রকৌশলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার কিংবা সফটওয়্যার প্রকৌশল সব ক্ষেত্রেই তাঁদের উপস্থিতি বাড়ছে।
বর্তমান নগরসভ্যতা, আধুনিক অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রার পেছনে প্রকৌশল বিজ্ঞানের বড় অবদান রয়েছে। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মানুষের জীবন সহজ করার জন্য তাঁরা প্রতিনিয়ত কাজ করছেন। বিশ্বজুড়ে নারী প্রকৌশলীদের কাজ ও অর্জনকে সামনে আনার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ এটি।
আন্তর্জাতিক নারী প্রকৌশলী দিবসের সঙ্গে একটি সংগঠনের নাম জড়িয়ে আছে। যুক্তরাজ্যের উইমেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি সর্বপ্রথম এই উদ্যোগ নেয়। এই সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বিপুল সংখ্যক পুরুষ যুদ্ধক্ষেত্রে চলে যাওয়ায় বিভিন্ন কারখানা ও প্রকৌশল-সম্পর্কিত কাজে নারীরা যুক্ত হন। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অনেক নারী এই পেশায় কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী ছিলেন। তখন তাঁদের পেশাগত অধিকার, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়গুলো সামনে আসে। এসব প্রয়োজন থেকেই গড়ে ওঠে উইমেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন লেডি ক্যাথারিন পারসন্স, র্যাচেল পারসন্স, জেনেটা মেরি অরমসবি, মার্গারেট রোবোথাম, মার্গারেট ময়ার এবং লরা অ্যান উইলসন।
উইমেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি বিশ্বাস করত, প্রকৌশল পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রয়োজন। গত এক শতাব্দীতে এই সংগঠনটি নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পেশাগত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকৌশল ক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠার বিষয়েও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
২০১৪ সালের ২৩ জুন সংগঠনটির ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘ন্যাশনাল উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডে’ পালন করা হয়। এই উদ্যোগ অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করে। শুরুতে এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক আয়োজন ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই দিনটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি পেতে শুরু করে। নারী প্রকৌশলীদের সাফল্য ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর গুরুত্ব বাড়তে থাকে। পরে ইউনেস্কো এই উদ্যোগকে সমর্থন জানায়। ২০১৭ সালে দিনটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডে’ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হতে শুরু করে।
প্রযুক্তি খাতে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। এ খাতে নারীদের উপস্থিতি যেমন তুলনামূলকভাবে কম, তেমনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রেও প্রতিনিধিত্ব সীমিত।
টেকোপিডিয়া ডট কমের সূত্রমতে, ১৯৮৫ সালে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মোট কর্মীর প্রায় ৩৫ শতাংশ ছিলেন নারী। তবে প্রায় চার দশক পর, ২০২৩ সালের পরিসংখ্যানে এই হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ শতাংশে। এ ছাড়া প্রযুক্তি খাতে কর্মরত নারীদের একটি বড় অংশ কর্মজীবনের মাঝপথেই সরে যেতে বাধ্য হন। দেখা গেছে, এই খাতে যুক্ত প্রায় অর্ধেক নারী ৩৫ বছর বয়সে পৌঁছানোর আগেই বা সেই সময়ের কাছাকাছি কর্মক্ষেত্র ত্যাগ করেন। কারিগরি ও প্রকৌশলভিত্তিক পেশায় কর্মরত ৩২ শতাংশ নারী এমন পরিবেশে কাজ করেন, যেখানে তারা কর্মস্থলে একমাত্র নারী সহকর্মী হিসেবে উপস্থিত থাকেন।
শুধু তাই নয়, উদ্যোক্তা পর্যায়েও বৈষম্যের চিত্র স্পষ্ট। ২০২২ সালে নারীদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপগুলো মোট ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগের মাত্র ১ দশমিক ৯ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ, ওই বছর বিনিয়োগ হওয়া ২৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে নারী পরিচালিত উদ্যোগগুলোর হাতে পৌঁছায় মাত্র সাড়ে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
প্রকৌশল পেশায় নারীদের কম উপস্থিতির পেছনে বেশকিছু সামাজিক-সাংস্কৃতিক কারণ রয়েছে। অনেক পরিবারে এখনো বিজ্ঞান, গণিত বা প্রযুক্তিকে ছেলেদের বিষয় হিসেবে দেখা হয়। ফলে ছোটবেলা থেকেই অনেক মেয়ে এই ক্ষেত্র থেকে দূরে সরে যায়। আবার উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর কর্মক্ষেত্রেও অনেক নারী বিভিন্ন ধরনের বাধার মুখোমুখি হন। যেমন তাঁদের মেধাকে গুরুত্ব না দেওয়া কিংবা একজন পুরুষ প্রকৌশলীর সমকক্ষ মনে না করা।
আন্তর্জাতিক নারী প্রকৌশলী দিবস এই প্রচলিত ধারণাগুলোকে প্রশ্ন করার সুযোগ তৈরি করে। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয় যে মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার সঙ্গে লিঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই।

২৩ জুন আন্তর্জাতিক নারী প্রকৌশলী দিবস। ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রকৌশল পেশায় নারীদের অবদান, সাফল্য ও অংশগ্রহণকে স্বীকৃতি দিতে প্রতি বছর দিনটি পালন করা হয়। নারীরা প্রকৌশলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, কম্পিউটার কিংবা সফটওয়্যার প্রকৌশল সব ক্ষেত্রেই তাঁদের উপস্থিতি বাড়ছে।
বর্তমান নগরসভ্যতা, আধুনিক অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রার পেছনে প্রকৌশল বিজ্ঞানের বড় অবদান রয়েছে। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মানুষের জীবন সহজ করার জন্য তাঁরা প্রতিনিয়ত কাজ করছেন। বিশ্বজুড়ে নারী প্রকৌশলীদের কাজ ও অর্জনকে সামনে আনার আন্তর্জাতিক উদ্যোগ এটি।
আন্তর্জাতিক নারী প্রকৌশলী দিবসের সঙ্গে একটি সংগঠনের নাম জড়িয়ে আছে। যুক্তরাজ্যের উইমেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি সর্বপ্রথম এই উদ্যোগ নেয়। এই সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বিপুল সংখ্যক পুরুষ যুদ্ধক্ষেত্রে চলে যাওয়ায় বিভিন্ন কারখানা ও প্রকৌশল-সম্পর্কিত কাজে নারীরা যুক্ত হন। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অনেক নারী এই পেশায় কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী ছিলেন। তখন তাঁদের পেশাগত অধিকার, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়গুলো সামনে আসে। এসব প্রয়োজন থেকেই গড়ে ওঠে উইমেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন লেডি ক্যাথারিন পারসন্স, র্যাচেল পারসন্স, জেনেটা মেরি অরমসবি, মার্গারেট রোবোথাম, মার্গারেট ময়ার এবং লরা অ্যান উইলসন।
উইমেন্স ইঞ্জিনিয়ারিং সোসাইটি বিশ্বাস করত, প্রকৌশল পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রয়োজন। গত এক শতাব্দীতে এই সংগঠনটি নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পেশাগত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকৌশল ক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠার বিষয়েও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
২০১৪ সালের ২৩ জুন সংগঠনটির ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘ন্যাশনাল উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডে’ পালন করা হয়। এই উদ্যোগ অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করে। শুরুতে এটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক আয়োজন ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই দিনটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি পেতে শুরু করে। নারী প্রকৌশলীদের সাফল্য ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর গুরুত্ব বাড়তে থাকে। পরে ইউনেস্কো এই উদ্যোগকে সমর্থন জানায়। ২০১৭ সালে দিনটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল উইমেন ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডে’ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হতে শুরু করে।
প্রযুক্তি খাতে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। এ খাতে নারীদের উপস্থিতি যেমন তুলনামূলকভাবে কম, তেমনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রেও প্রতিনিধিত্ব সীমিত।
টেকোপিডিয়া ডট কমের সূত্রমতে, ১৯৮৫ সালে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মোট কর্মীর প্রায় ৩৫ শতাংশ ছিলেন নারী। তবে প্রায় চার দশক পর, ২০২৩ সালের পরিসংখ্যানে এই হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ শতাংশে। এ ছাড়া প্রযুক্তি খাতে কর্মরত নারীদের একটি বড় অংশ কর্মজীবনের মাঝপথেই সরে যেতে বাধ্য হন। দেখা গেছে, এই খাতে যুক্ত প্রায় অর্ধেক নারী ৩৫ বছর বয়সে পৌঁছানোর আগেই বা সেই সময়ের কাছাকাছি কর্মক্ষেত্র ত্যাগ করেন। কারিগরি ও প্রকৌশলভিত্তিক পেশায় কর্মরত ৩২ শতাংশ নারী এমন পরিবেশে কাজ করেন, যেখানে তারা কর্মস্থলে একমাত্র নারী সহকর্মী হিসেবে উপস্থিত থাকেন।
শুধু তাই নয়, উদ্যোক্তা পর্যায়েও বৈষম্যের চিত্র স্পষ্ট। ২০২২ সালে নারীদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপগুলো মোট ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগের মাত্র ১ দশমিক ৯ শতাংশ অর্জন করতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ, ওই বছর বিনিয়োগ হওয়া ২৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে নারী পরিচালিত উদ্যোগগুলোর হাতে পৌঁছায় মাত্র সাড়ে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
প্রকৌশল পেশায় নারীদের কম উপস্থিতির পেছনে বেশকিছু সামাজিক-সাংস্কৃতিক কারণ রয়েছে। অনেক পরিবারে এখনো বিজ্ঞান, গণিত বা প্রযুক্তিকে ছেলেদের বিষয় হিসেবে দেখা হয়। ফলে ছোটবেলা থেকেই অনেক মেয়ে এই ক্ষেত্র থেকে দূরে সরে যায়। আবার উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর কর্মক্ষেত্রেও অনেক নারী বিভিন্ন ধরনের বাধার মুখোমুখি হন। যেমন তাঁদের মেধাকে গুরুত্ব না দেওয়া কিংবা একজন পুরুষ প্রকৌশলীর সমকক্ষ মনে না করা।
আন্তর্জাতিক নারী প্রকৌশলী দিবস এই প্রচলিত ধারণাগুলোকে প্রশ্ন করার সুযোগ তৈরি করে। এই দিনটি মনে করিয়ে দেয় যে মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার সঙ্গে লিঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই।
.png)

আন্তর্জাতিক বিধবা দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বিশ্বজুড়ে বিধবাদের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। বিশ্বের অনেক দেশে এখনো বিধবাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। কিছু অঞ্চলে তাদের অশুভ বা জাদুবিদ্যার সঙ্গে জড়িত বলেও মনে করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলা ভাষায় এমন নাম খুব কমই আছে যেগুলো নিজেই একেকটি বিশেষণে পরিণত হয়েছে। আমরা যখন কাউকে ব্যতিক্রমী মেধাবী বলতে চাই, তখন তাকে ‘আইনস্টাইন’ বলি। কেউ যখন প্রেমে মগ্ন থাকে, তাকে ‘রোমিও’ বলি। কিন্তু মীর জাফরের চেয়ে বড় উদাহরণ আর কেউ হতে পারে না, যার নাম ভারতীয় উপমহাদেশে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়ে
১০ ঘণ্টা আগে
নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালির আত্মপরিচয়, স্বাধীনতা রক্ষা এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বড় প্রতিরোধের মহাকাব্য। বর্তমান বাংলাদেশের সঙ্গে সিরাজউদ্দৌলার সম্পর্ক অতি গভীর এবং অবিচ্ছেদ্য।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন তরুণ ডাক্তার, যিনি বেছে নিয়েছিলেন মানুষের মুক্তির পথ। প্রথাগত পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার বদলে তিনি আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। আর তা দেশ, কাল আর সীমানার গণ্ডি ছাড়িয়ে। আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম নেওয়া, কিউবা বিপ্লবের অন্যতম মহানায়ক, আর কঙ্গো ও বলিভিয়ায় বিপ্লবের অগ্নিস্ফুল
১১ ঘণ্টা আগে