ভোর থেকেই ঢাকার আকাশে উলুধ্বনি আর শাঁখের আওয়াজে শুরু হয় শুভ জন্মাষ্টমীর উৎসব। রঙিন শোভাযাত্রা, ভক্তদের ঢল ও ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পুজা-অর্চনায় মুখর ছিল পুরান ঢাকা। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি ঘিরে ভক্তি, আনন্দ আর সম্প্রীতির আবহে মিলেমিশে ছিল আবেগ, স্মৃতি ও সামাজিক একতার আহ্বান।
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ভক্ত-অনুরাগীদের ঢল নেমেছিল শুভ জন্মাষ্টমীর দিনে। ভোর থেকেই পুরান ঢাকার আকাশে শোনা যাচ্ছিল উলুধ্বনি, ঢোল-করতাল, শাঁখের আওয়াজ। সব মিলিয়ে শাঁখারীবাজার থেকে পলাশী, ওয়ারী থেকে গোপীবাগ; সব অলি-গলিতে বর্ণিল আয়োজনে লেগেছিল উৎসবের আমেজ।
শোভাযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচে-গেয়ে ভক্তদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন পথচারীরাও। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণী সবাই এক সুরে মেতে ওঠেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি পালনে। সবার গন্তব্য একটাই, ঢাকেশ্বরী মন্দির। যেখানে প্রতিবছরের মতো এবারও জমেছে সবচেয়ে বড় আয়োজন।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রাঙ্গণে ঢুকতেই চোখে পড়ে হাজারো মানুষের ভিড়। হাতে ফুল, ফল, ধূপ-ধুনো নিয়ে ভক্তরা বসেছিলেন পুজা-অর্চনায়। ভগবান কৃষ্ণের জন্মকথা উচ্চারিত হচ্ছিল মন্দিরের আঙিনায়, ভক্তদের কণ্ঠে মিশছিল স্তোত্রপাঠ। এখানে এসে আবেগতাড়িত হয়েছিলেন ব্যাংকার নীলিমা সরকার। তিনি বলেন, ‘প্রতিবার মায়ের সঙ্গে পুজা দিয়ে শুরু হত জন্মাষ্টমীর দিনটা। আজ মা নেই। তবুও মায়ের স্মৃতি নিয়েই এসেছি। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করলাম, মা যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন। তবে ছোটবোনকে নিয়ে এসেছি, কৃষ্ণজন্ম পালন করতে।’মায়ের অনুপস্থিতি বেদনা হয়ে থাকলেও, ছোটবোনকে পাশে নিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রাঙ্গণে ঢুকতেই চোখে পড়ে হাজারো মানুষের ভিড়। হাতে ফুল, ফল, ধূপ-ধুনো নিয়ে ভক্তরা বসেছিলেন পুজা-অর্চনায়। ভগবান কৃষ্ণের জন্মকথা উচ্চারিত হচ্ছিল মন্দিরের আঙিনায়, ভক্তদের কণ্ঠে মিশছিল স্তোত্রপাঠ। এখানে এসে আবেগতাড়িত হয়েছিলেন ব্যাংকার নীলিমা সরকার। তিনি বলেন, ‘প্রতিবার মায়ের সঙ্গে পুজা দিয়ে শুরু হত জন্মাষ্টমীর দিনটা। আজ মা নেই। তবুও মায়ের স্মৃতি নিয়েই এসেছি। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করলাম, মা যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন। তবে ছোটবোনকে নিয়ে এসেছি, কৃষ্ণজন্ম পালন করতে।’মায়ের অনুপস্থিতি বেদনা হয়ে থাকলেও, ছোটবোনকে পাশে নিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।
শুধু নীলিমা নন, মন্দিরে আসা প্রায় প্রতিটি মানুষের গল্পেই ছিল ব্যক্তিগত স্মৃতি, ছিল বিশ্বাস আর আবেগের মিলন। মনীষা বিশ্বাস, যিনি প্রতি বছর বন্ধুদের সঙ্গে এখানে আসেন, বললেন—‘আমার বিভিন্ন ধর্মের বন্ধু আছে। সবাই মিলে জন্মাষ্টমীর আনন্দ ভাগ করে নিই। কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই উপভোগ করে। এই উৎসব আমাদের এক করে দেয়।’ তার কথা প্রমাণ দেয়, ধর্মীয় উৎসব শুধু ভক্তির নয়, সামাজিক সম্প্রীতিরও এক বড় ক্ষেত্র।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা শিক্ষিকা কৃষ্ণা রানী সরকার বলেন, ‘আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। মহাযজ্ঞে উপস্থিত হয়েছিলাম জগতের শান্তি কামনায়। প্রতিবছরই আসি। এই দিনে উপবাস থাকলেও আনন্দে কোনো কমতি হয় না।’ সত্যিই, প্রসাদের বাইরে তেমন কোনো বাহারি খাবারের আয়োজন না থাকলেও ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়নি। উপবাসের মধ্যেও মুখে-মুখে ভেসে বেড়াচ্ছিল আনন্দের দীপ্তি।অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা শিক্ষিকা কৃষ্ণা রানী সরকার বলেন, ‘আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। মহাযজ্ঞে উপস্থিত হয়েছিলাম জগতের শান্তি কামনায়। প্রতিবছরই আসি। এই দিনে উপবাস থাকলেও আনন্দে কোনো কমতি হয় না।’ সত্যিই, প্রসাদের বাইরে তেমন কোনো বাহারি খাবারের আয়োজন না থাকলেও ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়নি। উপবাসের মধ্যেও মুখে-মুখে ভেসে বেড়াচ্ছিল আনন্দের দীপ্তি।
মন্দির চত্বরে ছোটদের মধ্যে ছিল ভিন্ন রকম উচ্ছ্বাস। অনেকে সেজেছিলেন প্রতীকী দেব-দেবতা। কেউ বালক কৃষ্ণ, কেউ বিষ্ণু, কেউ দেবকী-বাসুদেবের সাজে কৃষ্ণের জন্মকথা অভিনয় করছিল। এই প্রতীকী উপস্থাপনাগুলো যেন ভক্তদের চোখের সামনে জীবন্ত করে তুলেছিল হাজার বছরের পুরাণকথা।

হিন্দু পুরাণ মতে, দ্বাপর যুগের ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতেই জগতের কল্যাণের জন্য ভারতের মথুরায় অবতার হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস—‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন’-এর মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শুভশক্তির জয়গান করেছেন তিনি। তাই তাঁর জন্মদিন শুধু ধর্মীয় উপলক্ষ নয়, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীকও।হিন্দু পুরাণ মতে, দ্বাপর যুগের ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতেই জগতের কল্যাণের জন্য ভারতের মথুরায় অবতার হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস—‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন’-এর মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শুভশক্তির জয়গান করেছেন তিনি। তাই তাঁর জন্মদিন শুধু ধর্মীয় উপলক্ষ নয়, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীকও।
আজকের জন্মাষ্টমীর ভিড়ে সেই দর্শনই প্রতিফলিত হলো ঢাকেশ্বরী মন্দির ও পুরান ঢাকার অলিগলিতে। রঙিন শোভাযাত্রা, বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নাচগান, ধর্মীয় ভক্তি আর সামাজিক সম্প্রীতি—সব মিলিয়ে উৎসবকে করেছে অনন্য। যারা মায়ের স্মৃতিতে আবেগতাড়িত হয়েছেন, কিংবা যারা দূর জেলা থেকে ছুটে এসেছেন—সবাই এক সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথির আনন্দ।
ঢাকার মতোই দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছিল জন্মাষ্টমীর আয়োজন। তবে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ভক্তদের ঢল যেন প্রতিবারের মতো এবারও প্রমাণ করে দিল, এই উৎসব শুধু ধর্মের নয়—এটি মানবপ্রেম, সাম্য ও সম্প্রীতির উৎসব। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি তাই হয়ে ওঠে সমাজের শান্তি আর ভ্রাতৃত্বের আহ্বান।

প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ভক্ত-অনুরাগীদের ঢল নেমেছিল শুভ জন্মাষ্টমীর দিনে। ভোর থেকেই পুরান ঢাকার আকাশে শোনা যাচ্ছিল উলুধ্বনি, ঢোল-করতাল, শাঁখের আওয়াজ। সব মিলিয়ে শাঁখারীবাজার থেকে পলাশী, ওয়ারী থেকে গোপীবাগ; সব অলি-গলিতে বর্ণিল আয়োজনে লেগেছিল উৎসবের আমেজ।
শোভাযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেচে-গেয়ে ভক্তদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন পথচারীরাও। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণী সবাই এক সুরে মেতে ওঠেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি পালনে। সবার গন্তব্য একটাই, ঢাকেশ্বরী মন্দির। যেখানে প্রতিবছরের মতো এবারও জমেছে সবচেয়ে বড় আয়োজন।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রাঙ্গণে ঢুকতেই চোখে পড়ে হাজারো মানুষের ভিড়। হাতে ফুল, ফল, ধূপ-ধুনো নিয়ে ভক্তরা বসেছিলেন পুজা-অর্চনায়। ভগবান কৃষ্ণের জন্মকথা উচ্চারিত হচ্ছিল মন্দিরের আঙিনায়, ভক্তদের কণ্ঠে মিশছিল স্তোত্রপাঠ। এখানে এসে আবেগতাড়িত হয়েছিলেন ব্যাংকার নীলিমা সরকার। তিনি বলেন, ‘প্রতিবার মায়ের সঙ্গে পুজা দিয়ে শুরু হত জন্মাষ্টমীর দিনটা। আজ মা নেই। তবুও মায়ের স্মৃতি নিয়েই এসেছি। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করলাম, মা যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন। তবে ছোটবোনকে নিয়ে এসেছি, কৃষ্ণজন্ম পালন করতে।’মায়ের অনুপস্থিতি বেদনা হয়ে থাকলেও, ছোটবোনকে পাশে নিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রাঙ্গণে ঢুকতেই চোখে পড়ে হাজারো মানুষের ভিড়। হাতে ফুল, ফল, ধূপ-ধুনো নিয়ে ভক্তরা বসেছিলেন পুজা-অর্চনায়। ভগবান কৃষ্ণের জন্মকথা উচ্চারিত হচ্ছিল মন্দিরের আঙিনায়, ভক্তদের কণ্ঠে মিশছিল স্তোত্রপাঠ। এখানে এসে আবেগতাড়িত হয়েছিলেন ব্যাংকার নীলিমা সরকার। তিনি বলেন, ‘প্রতিবার মায়ের সঙ্গে পুজা দিয়ে শুরু হত জন্মাষ্টমীর দিনটা। আজ মা নেই। তবুও মায়ের স্মৃতি নিয়েই এসেছি। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করলাম, মা যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন। তবে ছোটবোনকে নিয়ে এসেছি, কৃষ্ণজন্ম পালন করতে।’মায়ের অনুপস্থিতি বেদনা হয়ে থাকলেও, ছোটবোনকে পাশে নিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি।
শুধু নীলিমা নন, মন্দিরে আসা প্রায় প্রতিটি মানুষের গল্পেই ছিল ব্যক্তিগত স্মৃতি, ছিল বিশ্বাস আর আবেগের মিলন। মনীষা বিশ্বাস, যিনি প্রতি বছর বন্ধুদের সঙ্গে এখানে আসেন, বললেন—‘আমার বিভিন্ন ধর্মের বন্ধু আছে। সবাই মিলে জন্মাষ্টমীর আনন্দ ভাগ করে নিই। কোনো ভেদাভেদ নেই, সবাই উপভোগ করে। এই উৎসব আমাদের এক করে দেয়।’ তার কথা প্রমাণ দেয়, ধর্মীয় উৎসব শুধু ভক্তির নয়, সামাজিক সম্প্রীতিরও এক বড় ক্ষেত্র।

অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা শিক্ষিকা কৃষ্ণা রানী সরকার বলেন, ‘আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। মহাযজ্ঞে উপস্থিত হয়েছিলাম জগতের শান্তি কামনায়। প্রতিবছরই আসি। এই দিনে উপবাস থাকলেও আনন্দে কোনো কমতি হয় না।’ সত্যিই, প্রসাদের বাইরে তেমন কোনো বাহারি খাবারের আয়োজন না থাকলেও ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়নি। উপবাসের মধ্যেও মুখে-মুখে ভেসে বেড়াচ্ছিল আনন্দের দীপ্তি।অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা শিক্ষিকা কৃষ্ণা রানী সরকার বলেন, ‘আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন। মহাযজ্ঞে উপস্থিত হয়েছিলাম জগতের শান্তি কামনায়। প্রতিবছরই আসি। এই দিনে উপবাস থাকলেও আনন্দে কোনো কমতি হয় না।’ সত্যিই, প্রসাদের বাইরে তেমন কোনো বাহারি খাবারের আয়োজন না থাকলেও ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ঘাটতি দেখা যায়নি। উপবাসের মধ্যেও মুখে-মুখে ভেসে বেড়াচ্ছিল আনন্দের দীপ্তি।
মন্দির চত্বরে ছোটদের মধ্যে ছিল ভিন্ন রকম উচ্ছ্বাস। অনেকে সেজেছিলেন প্রতীকী দেব-দেবতা। কেউ বালক কৃষ্ণ, কেউ বিষ্ণু, কেউ দেবকী-বাসুদেবের সাজে কৃষ্ণের জন্মকথা অভিনয় করছিল। এই প্রতীকী উপস্থাপনাগুলো যেন ভক্তদের চোখের সামনে জীবন্ত করে তুলেছিল হাজার বছরের পুরাণকথা।

হিন্দু পুরাণ মতে, দ্বাপর যুগের ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতেই জগতের কল্যাণের জন্য ভারতের মথুরায় অবতার হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস—‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন’-এর মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শুভশক্তির জয়গান করেছেন তিনি। তাই তাঁর জন্মদিন শুধু ধর্মীয় উপলক্ষ নয়, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীকও।হিন্দু পুরাণ মতে, দ্বাপর যুগের ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতেই জগতের কল্যাণের জন্য ভারতের মথুরায় অবতার হয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস—‘দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন’-এর মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শুভশক্তির জয়গান করেছেন তিনি। তাই তাঁর জন্মদিন শুধু ধর্মীয় উপলক্ষ নয়, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীকও।
আজকের জন্মাষ্টমীর ভিড়ে সেই দর্শনই প্রতিফলিত হলো ঢাকেশ্বরী মন্দির ও পুরান ঢাকার অলিগলিতে। রঙিন শোভাযাত্রা, বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নাচগান, ধর্মীয় ভক্তি আর সামাজিক সম্প্রীতি—সব মিলিয়ে উৎসবকে করেছে অনন্য। যারা মায়ের স্মৃতিতে আবেগতাড়িত হয়েছেন, কিংবা যারা দূর জেলা থেকে ছুটে এসেছেন—সবাই এক সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথির আনন্দ।
ঢাকার মতোই দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছিল জন্মাষ্টমীর আয়োজন। তবে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ভক্তদের ঢল যেন প্রতিবারের মতো এবারও প্রমাণ করে দিল, এই উৎসব শুধু ধর্মের নয়—এটি মানবপ্রেম, সাম্য ও সম্প্রীতির উৎসব। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি তাই হয়ে ওঠে সমাজের শান্তি আর ভ্রাতৃত্বের আহ্বান।

সৌন্দর্য বোঝার ক্ষেত্রে তাই দুটো দিক কাজ করে। একদিকে আছে বস্তুনিষ্ঠ দিক, অর্থাৎ কোনো জিনিসের গঠন, ভারসাম্য বা বৈশিষ্ট্য। অন্যদিকে আছে ব্যক্তিনিষ্ঠ দিক, মানে ব্যক্তির অনুভূতি, রুচি আর অভিজ্ঞতা। এই দুই দিক একসঙ্গে জড়িত বলেই সৌন্দর্যের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া এত কঠিন।
২ ঘণ্টা আগে
আমরা শুধু আমাদের মস্তিষ্কের বাসিন্দা নই। আমরা এর স্থপতিও হতে পারি। নিজেদের ইচ্ছা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা নিজেদের নতুন করে গড়ার ক্ষমতা রাখি। প্রকৃতি আমাদের হাতে পরিবর্তনের চাবি তুলে দিয়েছে। সেই চাবি দিয়ে আমরা কোন দরজা খুলব তা একান্তই আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
৬ ঘণ্টা আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
১ দিন আগে