তথ্যসূত্র:

নেপালে গত সেপ্টেম্বরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর আজ প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকারে তরুণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
নেপালজুড়ে ২৭৫টি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার নিবন্ধিত ছিলেন, যার মধ্যে প্রায় ১০ লাখই ছিলেন প্রথমবার ভোট দেওয়া তরুণ। নেপাল নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ।
এবারের নির্বাচনের প্রধান ইস্যু ছিল দুর্নীতি, অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং চরম বৈষম্য। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে জেনারেশন জেড বা তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে জেন জি আন্দোলনের মুখে নেপালে কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্ব গ্রহণ করে সুশীলা কার্কির অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবর্তিত রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) নেপালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনকে দেখা হচ্ছে ‘পুরোনো বনাম নতুন’-এর লড়াই হিসেবে।
১৯৯০ সালে রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকে নেপালে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসেনি। ১৯৯০ সালের পর নেপাল মোট ৩২টি সরকারের শাসনামল দেখেছে; কিন্তু দেশে স্থিতিশীল সরকার তৈরি হয়নি।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়া রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে ৭৭ জন নিহত হওয়ার পর এই নির্বাচন নেপালের জন্য একটি বড় সন্ধিক্ষণ। এতে একদিকে রয়েছেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা এবং অন্যদিকে পরিবর্তনের জোয়ার আনা তরুণ প্রজন্মের প্রার্থীরা।
ভোট দেওয়া তরুণ ভোটার ইস্পা সাপকোটা বলেন, ‘আমরা দুর্নীতি বন্ধ করতে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলাম। এখন আমরা একটি উন্নত দেশ চাই। এখানে আমাদের মতো তরুণরা চাকরি পাচ্ছে না, যার ফলে মেধা পাচার আমাদের দেশের বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
অভ্যুত্থানের অন্যতম জেন জি নেতা রক্ষা বাম অবশ্য কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার মনে হয় কোনো রাজনৈতিক দলই তাদের ইশতেহারে ছাত্র-জনতার সঙ্গে করা চুক্তিগুলো পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত করেনি। তারা কেবল আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে ক্ষমতায় আসতে চায়।’
বেশ কিছু রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদ এবারের নির্বাচনে নজর কেড়েছেন। এমনই একজন হচ্ছেন ৩৫ বছর বয়সী তরুণ রাজনীতিক বালেন্দ্র শাহ, যিনি মূলত ‘বালেন শাহ’ নামেই বেশি পরিচিত। র্যাপার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া বালেন শাহ ঝাপা–৫ আসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলির মুখোমুখি হচ্ছেন। এই আসন ওলির দীর্ঘদিনের নিরাপদ দুর্গ হিসেবে পরিচিত।
এবারের নির্বাচনে বালেন শাহ রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) হয়ে লড়ছেন। ২০২২ সালে নেপালের সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচনে আরএসপি চতুর্থ অবস্থানে ছিল। বিশ্লেষকদের দাবি, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার দলটি আরও ভালো করতে পারে। दलটির পক্ষ থেকে বালেন শাহকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরা হচ্ছে।
নির্বাচনে আরেক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নেপালি কংগ্রেস। দলটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার পরিবর্তে ৪৯ বছর বয়সী গগন থাপাকে নেতা নির্বাচিত করেছে। ভোটের লড়াইয়ে থাকা অন্য প্রধান পক্ষগুলো হচ্ছে কেপি শর্মা ওলির দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল)। নেপালের সর্বশেষ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল ইউএমএল। এ ছাড়া মাওবাদী নেতা পুষ্প কমল দাহাল প্রচণ্ডর নেতৃত্বাধীন নেপালি কমিউনিস্ট পার্টিও এবারের নির্বাচনে প্রভাবশালী একটি পক্ষ।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এ নির্বাচন ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে হওয়ার কথা থাকলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তা প্রায় দুই বছর আগেই হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলন এবং পরবর্তী সহিংসতায় ৭৭ জনের মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ ভোটার আজ তাঁদের রায় জানাচ্ছেন। তাঁদের ভোটেই পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য দেশটির ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
২০১৫ সালের নতুন সংবিধান অনুযায়ী নেপালে মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থা রয়েছে। প্রথম পদ্ধতিটি প্রত্যক্ষ; অর্থাৎ যে আসনে যে প্রার্থী সর্বাধিক ভোট পান, তিনিই ওই আসনে জয়ী বলে গণ্য হন। দ্বিতীয়টি হলো পরোক্ষ নির্বাচন বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি। এখানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত হিসাব করে সংশ্লিষ্ট দলের মনোনীত প্রার্থীদের ‘হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এর সদস্যপদ দেওয়া হয়। মোট ১৬৫টি আসন প্রত্যক্ষ (ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট) পদ্ধতিতে এবং বাকি ১১০টি আসন আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হবে। প্রথমটির জন্য ৩৪০৬ জন এবং দ্বিতীয়টিতে ৩১৩৫ জন প্রার্থী লড়ছেন।
নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল কালকের মধ্যেই পাওয়া শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে; তবে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। নেপালের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬৫টি আসনের ফলাফল সরাসরি ঘোষণার চেষ্টা করা হবে। তবে দেশটির দুর্গম পাহাড়ি ভূ-প্রকৃতির কারণে ব্যালট বাক্স সংগ্রহ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সমানুপাতিক পদ্ধতির বাকি ১১০টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল পেতে আরও দুই-তিন দিন সময় লাগবে। নেপালের পার্লামেন্টের মোট ২৭৫টি আসনের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কার পাল্লায় ভারী হয় এবং ক্ষমতাচ্যুত ওলি আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারেন কি না, তার উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই।

নেপালে গত সেপ্টেম্বরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর আজ প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকারে তরুণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
নেপালজুড়ে ২৭৫টি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ভোটার নিবন্ধিত ছিলেন, যার মধ্যে প্রায় ১০ লাখই ছিলেন প্রথমবার ভোট দেওয়া তরুণ। নেপাল নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ।
এবারের নির্বাচনের প্রধান ইস্যু ছিল দুর্নীতি, অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং চরম বৈষম্য। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে জেনারেশন জেড বা তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে জেন জি আন্দোলনের মুখে নেপালে কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্ব গ্রহণ করে সুশীলা কার্কির অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবর্তিত রাজনৈতিক দৃশ্যপটে আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) নেপালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনকে দেখা হচ্ছে ‘পুরোনো বনাম নতুন’-এর লড়াই হিসেবে।
১৯৯০ সালে রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকে নেপালে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসেনি। ১৯৯০ সালের পর নেপাল মোট ৩২টি সরকারের শাসনামল দেখেছে; কিন্তু দেশে স্থিতিশীল সরকার তৈরি হয়নি।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়া রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে ৭৭ জন নিহত হওয়ার পর এই নির্বাচন নেপালের জন্য একটি বড় সন্ধিক্ষণ। এতে একদিকে রয়েছেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা এবং অন্যদিকে পরিবর্তনের জোয়ার আনা তরুণ প্রজন্মের প্রার্থীরা।
ভোট দেওয়া তরুণ ভোটার ইস্পা সাপকোটা বলেন, ‘আমরা দুর্নীতি বন্ধ করতে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলাম। এখন আমরা একটি উন্নত দেশ চাই। এখানে আমাদের মতো তরুণরা চাকরি পাচ্ছে না, যার ফলে মেধা পাচার আমাদের দেশের বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
অভ্যুত্থানের অন্যতম জেন জি নেতা রক্ষা বাম অবশ্য কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার মনে হয় কোনো রাজনৈতিক দলই তাদের ইশতেহারে ছাত্র-জনতার সঙ্গে করা চুক্তিগুলো পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত করেনি। তারা কেবল আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে ক্ষমতায় আসতে চায়।’
বেশ কিছু রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদ এবারের নির্বাচনে নজর কেড়েছেন। এমনই একজন হচ্ছেন ৩৫ বছর বয়সী তরুণ রাজনীতিক বালেন্দ্র শাহ, যিনি মূলত ‘বালেন শাহ’ নামেই বেশি পরিচিত। র্যাপার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া বালেন শাহ ঝাপা–৫ আসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলির মুখোমুখি হচ্ছেন। এই আসন ওলির দীর্ঘদিনের নিরাপদ দুর্গ হিসেবে পরিচিত।
এবারের নির্বাচনে বালেন শাহ রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) হয়ে লড়ছেন। ২০২২ সালে নেপালের সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচনে আরএসপি চতুর্থ অবস্থানে ছিল। বিশ্লেষকদের দাবি, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার দলটি আরও ভালো করতে পারে। दलটির পক্ষ থেকে বালেন শাহকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরা হচ্ছে।
নির্বাচনে আরেক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নেপালি কংগ্রেস। দলটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার পরিবর্তে ৪৯ বছর বয়সী গগন থাপাকে নেতা নির্বাচিত করেছে। ভোটের লড়াইয়ে থাকা অন্য প্রধান পক্ষগুলো হচ্ছে কেপি শর্মা ওলির দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল)। নেপালের সর্বশেষ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয় পেয়েছিল ইউএমএল। এ ছাড়া মাওবাদী নেতা পুষ্প কমল দাহাল প্রচণ্ডর নেতৃত্বাধীন নেপালি কমিউনিস্ট পার্টিও এবারের নির্বাচনে প্রভাবশালী একটি পক্ষ।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এ নির্বাচন ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে হওয়ার কথা থাকলেও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তা প্রায় দুই বছর আগেই হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলন এবং পরবর্তী সহিংসতায় ৭৭ জনের মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ ভোটার আজ তাঁদের রায় জানাচ্ছেন। তাঁদের ভোটেই পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য দেশটির ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
২০১৫ সালের নতুন সংবিধান অনুযায়ী নেপালে মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থা রয়েছে। প্রথম পদ্ধতিটি প্রত্যক্ষ; অর্থাৎ যে আসনে যে প্রার্থী সর্বাধিক ভোট পান, তিনিই ওই আসনে জয়ী বলে গণ্য হন। দ্বিতীয়টি হলো পরোক্ষ নির্বাচন বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি। এখানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত হিসাব করে সংশ্লিষ্ট দলের মনোনীত প্রার্থীদের ‘হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এর সদস্যপদ দেওয়া হয়। মোট ১৬৫টি আসন প্রত্যক্ষ (ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট) পদ্ধতিতে এবং বাকি ১১০টি আসন আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হবে। প্রথমটির জন্য ৩৪০৬ জন এবং দ্বিতীয়টিতে ৩১৩৫ জন প্রার্থী লড়ছেন।
নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল কালকের মধ্যেই পাওয়া শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে; তবে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। নেপালের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬৫টি আসনের ফলাফল সরাসরি ঘোষণার চেষ্টা করা হবে। তবে দেশটির দুর্গম পাহাড়ি ভূ-প্রকৃতির কারণে ব্যালট বাক্স সংগ্রহ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সমানুপাতিক পদ্ধতির বাকি ১১০টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল পেতে আরও দুই-তিন দিন সময় লাগবে। নেপালের পার্লামেন্টের মোট ২৭৫টি আসনের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কার পাল্লায় ভারী হয় এবং ক্ষমতাচ্যুত ওলি আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারেন কি না, তার উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই।

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকলেও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তেহরান পিছু হটবে না।
২ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা জানান, ইরান প্রতিশোধমূলক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে বিপুল সংখ্যক ড্রোন হামলা করে, তবে সেগুলোর সবগুলো ভূপাতিত করা তাদের পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানে রাতে শুরু হওয়া হামলা আজ বৃহস্পতিবার সকালেও অব্যাহত রয়েছে। তেহরানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাঝেমধ্যে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। খবর আল-জাজিরার।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানকে আরও তীব্র করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনে পেন্টাগনের এক ব্রিফিংয়ে শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের আকাশসীমায় সামরিক প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার পর এখন সামনের দিনগুলোতে হামলার মাত্রা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
১ দিন আগে