স্ট্রিম ডেস্ক

যুদ্ধের নবম দিনে এসে ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা করে। গত শনিবারের (৭ মার্চ) ওই হামলায় অন্তত ৩০টি তেলের ডিপো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘ সড়কের পাশে ছিটকে পড়া তেলে আগুন লেগে তা ‘আগুনের নদীতে’ পরিণত হয়।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের তেলের ডিপোতে ইসরায়েলি হামলায় ‘বিস্মিত ও ‘হতবাক’ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোয় বড় আকারের হামলাকে ভালোভাবে নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেল আবিবকে কড়া প্রতিক্রিয়া পাঠায় ওয়াশিংটন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তেল ডিপোতে হামলার ধারণা পছন্দ করেননি। তিনি তেল পুড়িয়ে শেষ নয়, বাঁচাতে চান।
তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস কিংবা আইডিএফ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
হামলার পর থেকে ওয়াশিংটনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত স্থাপনায় হামলা করলে তা অপ্রত্যাশিত ফবয়ে আনহতে পারে। ইরানের জনগণ ক্ষমতাসীনদের প্রতি আরও ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং তেলের বৈশ্বিক দর বেড়ে যেতে পারে।
জ্বালানি স্থাপনায় হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) বিবৃতিতে বলেছে, তেহরান ডিপোগুলো থেকে বিভিন্ন ভোক্তা, বিশেষ করে সামরিক ইউনিটগুলোর জন্য জ্বালানি সরবরাহ করত। ইসরায়েলের বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা বন্ধে তেহরানকে সতর্ক করার জন্যই এটি করা হয়েছে বলে ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন।
এদিকে, ইরান সতর্ক করেছে– জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চলতে থাকলে পুরো অঞ্চলেতারা পাল্টা আঘাত হানবে। ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, এখন পর্যন্ত তারা আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করেনি। তবে এই পরিস্থিতি বদলাতে পারে।
তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ ২০২২ সালের জুনে মার্কিন ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি হয়েছিল ১০৫.৭৬ ডলার।
যদিও দাম বৃদ্ধিকে ‘গুরুত্বহীন’ মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও ইরানের পারমাণবিক হুমকি ধ্বংস হলে দ্রুত কমে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য এই মূল্য বৃদ্ধি খুবই ছোট।

যুদ্ধের নবম দিনে এসে ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা করে। গত শনিবারের (৭ মার্চ) ওই হামলায় অন্তত ৩০টি তেলের ডিপো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘ সড়কের পাশে ছিটকে পড়া তেলে আগুন লেগে তা ‘আগুনের নদীতে’ পরিণত হয়।
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের তেলের ডিপোতে ইসরায়েলি হামলায় ‘বিস্মিত ও ‘হতবাক’ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোয় বড় আকারের হামলাকে ভালোভাবে নেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেল আবিবকে কড়া প্রতিক্রিয়া পাঠায় ওয়াশিংটন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তেল ডিপোতে হামলার ধারণা পছন্দ করেননি। তিনি তেল পুড়িয়ে শেষ নয়, বাঁচাতে চান।
তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস কিংবা আইডিএফ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
হামলার পর থেকে ওয়াশিংটনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত স্থাপনায় হামলা করলে তা অপ্রত্যাশিত ফবয়ে আনহতে পারে। ইরানের জনগণ ক্ষমতাসীনদের প্রতি আরও ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং তেলের বৈশ্বিক দর বেড়ে যেতে পারে।
জ্বালানি স্থাপনায় হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) বিবৃতিতে বলেছে, তেহরান ডিপোগুলো থেকে বিভিন্ন ভোক্তা, বিশেষ করে সামরিক ইউনিটগুলোর জন্য জ্বালানি সরবরাহ করত। ইসরায়েলের বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা বন্ধে তেহরানকে সতর্ক করার জন্যই এটি করা হয়েছে বলে ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন।
এদিকে, ইরান সতর্ক করেছে– জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চলতে থাকলে পুরো অঞ্চলেতারা পাল্টা আঘাত হানবে। ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, এখন পর্যন্ত তারা আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করেনি। তবে এই পরিস্থিতি বদলাতে পারে।
তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ ২০২২ সালের জুনে মার্কিন ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি হয়েছিল ১০৫.৭৬ ডলার।
যদিও দাম বৃদ্ধিকে ‘গুরুত্বহীন’ মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও ইরানের পারমাণবিক হুমকি ধ্বংস হলে দ্রুত কমে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য এই মূল্য বৃদ্ধি খুবই ছোট।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালানোর পর কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এ তথ্য জানায়। খবর আল জাজিরার।
১০ মিনিট আগে
মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ)।
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের (হিমার্স) মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। কৌশলগত জলসীমায় চীনের সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলায় দেশটির দিকে প্রথমবার বুধবার (১০ জুন) এই মহড়া চালানো হয়।
১৭ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে দেশটির সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
১ দিন আগে