leadT1ad

ড্রোন ষড়যন্ত্রে দ. কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৩০ বছরের জেল

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১১: ৩২
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে এবার ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। ‘শত্রু দেশ’ উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে সামরিক ড্রোন পাঠানোর ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নিজ দেশে সামরিক আইন জারির পক্ষে অজুহাত তৈরিতে তিনি ওই কাজ করেছিলেন বলে অভিযোগ।

দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সিএনএন। ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিউলের কেন্দ্রীয় জেলা আদালত শুক্রবার (১২ জুন) ক্ষমতার অপব্যবহার ও শত্রুকে সহায়তার দায়ে ইউনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। আদালত বলেছে, তিনি শুরু থেকেই ২০২৪ সালের অক্টোবরের সেই ড্রোন অনুপ্রবেশের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।

ইউন অবশ্য কোনো ধরনের অপরাধের কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তিনি ওই অভিযানের আদেশ দেননি এবং পরবর্তীতে অনুমোদনও করেননি। তাদের দাবি, ওই অভিযানের সঙ্গে সামরিক আইন জারির কোনো সম্পর্ক ছিল না। সীমান্তে উত্তর কোরিয়া থেকে মাসের পর মাস ধরে আবর্জনা ভর্তি বেলুন পাঠানোর প্রতিক্রিয়ায় এটি করা হয়েছিল।

এটি ক্ষমতাচ্যুত কনজারভেটিভ নেতার বিরুদ্ধে আদালতের ধারাবাহিক রায়ের তালিকায় নতুন সংযোজন। সামরিক আইন জারির চেষ্টায় জড়িত রাষ্ট্রদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে গত ফেব্রুয়ারিতে দেশটির আদালত ইউনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।

ইউনের সামরিক আইনের আদেশ জারি এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গভীর রাজনৈতিক সংকটে ফেলে দিয়েছিল। সাংবিধানিক আদালত তাঁর অভিশংসন বহাল রাখার পর গত বছর তিনি পদচ্যুত হন। এরপর আগাম নির্বাচনে উদারপন্থি প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ুং জয় পান।

ইউন বর্তমানে হেফাজতে রয়েছেন। নিম্ন আদালতের নতুন রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করতে পারবেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত