তথ্যসূত্র:

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মাত্র ১০ মিনিটে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরেদ্দিন আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের ভিড়ে হাসপাতালগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর এটি লেবাননে তাদের সবচেয়ে বড় সমন্বিত হামলা। মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে বৈরুত, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর শতাধিক কমান্ড সেন্টার ও সামরিক স্থাপনায় একযোগে এই হামলা চালানো হয়েছে।
লেবাননের সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি’ জানিয়েছে, বেকা উপত্যকার শমেস্তার গ্রামে জানাজার নামাজের সময় বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ১০ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, উপকূলীয় শহর আদলুনে ইসরায়েলি হামলায় তিন শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিনিধি ম্যালকম ওয়েব বৈরুত থেকে জানান, রাস্তায় রাস্তায় চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়েছে। কান্নারত শিশু ও আতঙ্কিত মানুষ হাসপাতালের দিকে ছুটছেন; অনেকেই রাস্তায় গাড়ি ফেলেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালানোর চেষ্টা করছেন।
এদিকে টায়ার শহর থেকে সাংবাদিক ওবায়দা হিত্তো জানান, রাতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির খবর শুনে অনেকেই ভেবেছিলেন লেবাননও হয়তো এর আওতায় পড়বে। অনেকে নিজেদের বাড়িতে ফেরার জন্য রাতেই দক্ষিণের দিকে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু সকাল হতেই ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক হামলা তাদের বুঝিয়ে দিয়েছে, ‘লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।’ টায়ার শহরের কেন্দ্রস্থল এবং আল-আব্বাসিয়া এলাকাও এই হামলার শিকার হয়েছে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের’ হত্যা করছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই আগ্রাসন বন্ধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে তাঁর দেশ ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে ঘোষণা করছি—ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সর্বত্র যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
তবে এই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে সংশয় দেখা দিয়েছে। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মাত্র ১০ মিনিটে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় নিহতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়ানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরেদ্দিন আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন। নিহত ও আহতদের ভিড়ে হাসপাতালগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর এটি লেবাননে তাদের সবচেয়ে বড় সমন্বিত হামলা। মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে বৈরুত, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর শতাধিক কমান্ড সেন্টার ও সামরিক স্থাপনায় একযোগে এই হামলা চালানো হয়েছে।
লেবাননের সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি’ জানিয়েছে, বেকা উপত্যকার শমেস্তার গ্রামে জানাজার নামাজের সময় বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ১০ জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, উপকূলীয় শহর আদলুনে ইসরায়েলি হামলায় তিন শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিনিধি ম্যালকম ওয়েব বৈরুত থেকে জানান, রাস্তায় রাস্তায় চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়েছে। কান্নারত শিশু ও আতঙ্কিত মানুষ হাসপাতালের দিকে ছুটছেন; অনেকেই রাস্তায় গাড়ি ফেলেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালানোর চেষ্টা করছেন।
এদিকে টায়ার শহর থেকে সাংবাদিক ওবায়দা হিত্তো জানান, রাতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির খবর শুনে অনেকেই ভেবেছিলেন লেবাননও হয়তো এর আওতায় পড়বে। অনেকে নিজেদের বাড়িতে ফেরার জন্য রাতেই দক্ষিণের দিকে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু সকাল হতেই ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক হামলা তাদের বুঝিয়ে দিয়েছে, ‘লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।’ টায়ার শহরের কেন্দ্রস্থল এবং আল-আব্বাসিয়া এলাকাও এই হামলার শিকার হয়েছে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের’ হত্যা করছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই আগ্রাসন বন্ধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে তাঁর দেশ ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে ঘোষণা করছি—ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সর্বত্র যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
তবে এই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে সংশয় দেখা দিয়েছে। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার আগেই ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে এই ঘোষণা দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধবিরতি তখনই কার্যকর হবে, যখন ইরান আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে ‘সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে’ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব সম্প্রদায়। তবে রাশিয়ার দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘শোচনীয় পরাজয়’ হয়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে ফ্রান্স বলেছে, লেবাননকেও এই চুক্তির আওতায় আনা উচিত।
৬ ঘণ্টা আগে