স্ট্রিম ডেস্ক

চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আটটি যুদ্ধ নিজের মধ্যস্থতায় শেষ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই দাবি করেন।
ট্রাম্প বলেন, আমি আমেরিকার শক্তি পুনরুদ্ধার করেছি। ১০ মাসে আটটি যুদ্ধ বন্ধ করেছি।
এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ট্রাম্পের ভাষণের পর পরই তাঁর এই দাবির ব্যাপারে একটি ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, যদিও কিছু সংঘাত বন্ধে (অন্ততপক্ষে সাময়িকভাবে) ট্রাম্প ভূমিকা রেখেছেন। তবে ‘আট’ সংখ্যাটি স্পষ্টভাবে অতিরঞ্জিত।
এর আগে কথিত যুদ্ধ বন্ধের নিজের দেওয়া তালিকা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি অনুযায়ী, তিনি মিসর ও ইথিওপিয়ার মধ্যকার সংঘাত বন্ধ করেছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটি কোনো সংঘাতই না। এটি মূলত, নীল নদে ইথিওপিয়ার বড় একটি বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা কূটনৈতিক বিরোধ। ট্রাম্পের তালিকায় আরেকটি সম্ভাব্য যুদ্ধ হলো সার্বিয়ার সঙ্গে কসোভোর যুদ্ধ। যেটি আসলে তাঁর মেয়াদে হয়নি। (ট্রাম্প মাঝে মাঝে দাবি করেন এই দেশ দুটির মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়া ঠেকিয়ে দিয়েছেন। তিনি আসলে ঠিক কি বুঝাতে চান সে ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। তবে এটি প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ বন্ধের চেয়ে ভিন্ন কিছু)।
এছাড়া তাঁর তালিকায় ডেমেক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর সঙ্গে রুয়ান্ডার যুদ্ধও আছে। কিন্তু চলতি বছরে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও এই যুদ্ধ চলমান রয়েছে।
ট্রাম্পের তালিকায় আরও রয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যকার সীমান্ত সংঘাত। চলতি বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় একটি শান্তি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও, এই মাসেই দেশ দুটির মধ্যে আবার সংঘাত শুরু হয়েছে। এমনকি চলতি সপ্তাহেও তা অব্যাহত আছে।
তালিকায় থাকা অন্যান্য সংঘাত বন্ধ করায় ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার নিয়ে যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন। অথবা এই প্রশ্ন করাই যায় প্রকৃতই সেসব যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে কিনা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় গাজা যুদ্ধের কথা। অক্টোবরে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস-ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলেও। নভেম্বরেও গাজায় যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। সেই হিসাবে ট্রাম্পের ‘আটটি’ যুদ্ধ বন্ধের দাবি অবশ্যই খুবই বড় দাবি।

চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আটটি যুদ্ধ নিজের মধ্যস্থতায় শেষ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এই দাবি করেন।
ট্রাম্প বলেন, আমি আমেরিকার শক্তি পুনরুদ্ধার করেছি। ১০ মাসে আটটি যুদ্ধ বন্ধ করেছি।
এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ট্রাম্পের ভাষণের পর পরই তাঁর এই দাবির ব্যাপারে একটি ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, যদিও কিছু সংঘাত বন্ধে (অন্ততপক্ষে সাময়িকভাবে) ট্রাম্প ভূমিকা রেখেছেন। তবে ‘আট’ সংখ্যাটি স্পষ্টভাবে অতিরঞ্জিত।
এর আগে কথিত যুদ্ধ বন্ধের নিজের দেওয়া তালিকা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি অনুযায়ী, তিনি মিসর ও ইথিওপিয়ার মধ্যকার সংঘাত বন্ধ করেছেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটি কোনো সংঘাতই না। এটি মূলত, নীল নদে ইথিওপিয়ার বড় একটি বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা কূটনৈতিক বিরোধ। ট্রাম্পের তালিকায় আরেকটি সম্ভাব্য যুদ্ধ হলো সার্বিয়ার সঙ্গে কসোভোর যুদ্ধ। যেটি আসলে তাঁর মেয়াদে হয়নি। (ট্রাম্প মাঝে মাঝে দাবি করেন এই দেশ দুটির মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়া ঠেকিয়ে দিয়েছেন। তিনি আসলে ঠিক কি বুঝাতে চান সে ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। তবে এটি প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ বন্ধের চেয়ে ভিন্ন কিছু)।
এছাড়া তাঁর তালিকায় ডেমেক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর সঙ্গে রুয়ান্ডার যুদ্ধও আছে। কিন্তু চলতি বছরে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও এই যুদ্ধ চলমান রয়েছে।
ট্রাম্পের তালিকায় আরও রয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যকার সীমান্ত সংঘাত। চলতি বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় একটি শান্তি চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও, এই মাসেই দেশ দুটির মধ্যে আবার সংঘাত শুরু হয়েছে। এমনকি চলতি সপ্তাহেও তা অব্যাহত আছে।
তালিকায় থাকা অন্যান্য সংঘাত বন্ধ করায় ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার নিয়ে যে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন। অথবা এই প্রশ্ন করাই যায় প্রকৃতই সেসব যুদ্ধ বন্ধ হয়েছে কিনা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় গাজা যুদ্ধের কথা। অক্টোবরে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস-ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলেও। নভেম্বরেও গাজায় যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। সেই হিসাবে ট্রাম্পের ‘আটটি’ যুদ্ধ বন্ধের দাবি অবশ্যই খুবই বড় দাবি।

খার্গ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলা হলে ‘দৃঢ়, বিধ্বংসী ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানারহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখলের হুমকির জবাবে এমন প্রতিক্রিয়া দেখাল ইরান।
৩৮ মিনিট আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘ভবিষ্যতে খার্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো নিজেদের কবজায় নেব। আমরা দেশটির তেল ও গ্যাস বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেব, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলায় করেছি।’
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে গোলাগুলির জেরে হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এখনো যাতায়াত করছে।
৬ ঘণ্টা আগে
তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে গত তিন দিনে হওয়া ধারাবাহিক বৈঠক ভারতের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মমতা ব্যানার্জি, সোনিয়া গান্ধী, অভিষেক ব্যানার্জি ও রাহুল গান্ধীর একাধিক বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে