স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ক্রমশ তীব্র আকার ধারণ করছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হওয়া বিক্ষোভে সরকারি বাহিনী গুলি ছুড়েছে। এতে অন্তত ২১৭ জন আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চিকিৎসকের বরাতে এই খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন। রাজধানী তেহরানের ওই চিকিৎসক টাইমকে বলেন, রাজধানীর ছয়টি হাসপাতালে অন্তত ২১৭ জন আন্দোলনকারী নিহতের হওয়ার রেকর্ড করা হয়েছে। আর এদের অধিকাংশই ‘গুলিতে নিহত হয়েছেন’।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে দেশটিতে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাই নিহতের এই সংখ্যা যদি সত্য হয়ে থাকে তবে আন্দোলনকারীদের ওপর সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়নের ইঙ্গিত বলে মনে করছে টাইম। এছাড়া এর মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়া বলেও মনে করছে সাময়িকীটি। কারণ ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে হস্তক্ষেপ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত আছে।
ওই চিকিৎসক আরও বলেন, শুক্রবার হাসপাতাল থেকে নিহতদের মরদেহ নিয়ে গেছে কর্তৃপক্ষ। নিহতদের অধিকাংশই তরুণ-যুবক।
তিনি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে উত্তর তেহরানে একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে চালানো গুলিতে নিহতরা রয়েছেন। ওই বিক্ষোভকারী ‘ঘটনাস্থলেই’ মারা যান। অধিকারকার কর্মীরা বলেছিলেন, পুলিশ স্টেশনের বাইরের ওই ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি ওই চিকিৎসকের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম বলে জানিয়েছে। যদিও রিপোর্টিংয়ের বিভিন্ন মানদণ্ডের কারণে এই অসঙ্গতি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। ইরান ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (হরানা) শুধু ভুক্তভোগীদের তালিকা করেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী বিক্ষোভ শুরুর পর এখন পর্যন্ত ৬৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৯ জনই বেসামরিক ব্যক্তি।
তবে টাইম ম্যাগাজিন স্বতন্ত্রভাবে নিহতের এ সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার এলিট ফোর্স ইরানের বিপ্লবী গার্ডের আট সদস্যও নিহত হয়েছেন।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ক্রমশ তীব্র আকার ধারণ করছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হওয়া বিক্ষোভে সরকারি বাহিনী গুলি ছুড়েছে। এতে অন্তত ২১৭ জন আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চিকিৎসকের বরাতে এই খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন। রাজধানী তেহরানের ওই চিকিৎসক টাইমকে বলেন, রাজধানীর ছয়টি হাসপাতালে অন্তত ২১৭ জন আন্দোলনকারী নিহতের হওয়ার রেকর্ড করা হয়েছে। আর এদের অধিকাংশই ‘গুলিতে নিহত হয়েছেন’।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে দেশটিতে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাই নিহতের এই সংখ্যা যদি সত্য হয়ে থাকে তবে আন্দোলনকারীদের ওপর সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়নের ইঙ্গিত বলে মনে করছে টাইম। এছাড়া এর মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়া বলেও মনে করছে সাময়িকীটি। কারণ ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে হস্তক্ষেপ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত আছে।
ওই চিকিৎসক আরও বলেন, শুক্রবার হাসপাতাল থেকে নিহতদের মরদেহ নিয়ে গেছে কর্তৃপক্ষ। নিহতদের অধিকাংশই তরুণ-যুবক।
তিনি আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে উত্তর তেহরানে একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে চালানো গুলিতে নিহতরা রয়েছেন। ওই বিক্ষোভকারী ‘ঘটনাস্থলেই’ মারা যান। অধিকারকার কর্মীরা বলেছিলেন, পুলিশ স্টেশনের বাইরের ওই ঘটনায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি ওই চিকিৎসকের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম বলে জানিয়েছে। যদিও রিপোর্টিংয়ের বিভিন্ন মানদণ্ডের কারণে এই অসঙ্গতি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। ইরান ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (হরানা) শুধু ভুক্তভোগীদের তালিকা করেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী বিক্ষোভ শুরুর পর এখন পর্যন্ত ৬৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৯ জনই বেসামরিক ব্যক্তি।
তবে টাইম ম্যাগাজিন স্বতন্ত্রভাবে নিহতের এ সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার এলিট ফোর্স ইরানের বিপ্লবী গার্ডের আট সদস্যও নিহত হয়েছেন।
.png)

ভারতে কয়েক দশক ধরে চলা মাওবাদি বিদ্রোহ অনেকটাই নির্মূল করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে আন্দোলনটির আদর্শিক সমর্থকদের কাছ থেকে এখনো হুমকি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
৫ মিনিট আগে
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হয়। বিভিন্ন এলাকায় এক মিটারের কম উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হয়। খবর রয়টার্স
৫ ঘণ্টা আগে-ba9dc7.jpg)
আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পাঁচ বছরে বদলে গেছে নারী ও মেয়েদের জীবন। শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা ও চলাফেরাসহ নানা ক্ষেত্রে তাঁদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইউনেস্কোর হিসাবে, বর্তমানে দেশটির প্রায় ২৪ লাখ মেয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ শেষে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভূখণ্ড’ হিসেবে ঘোষণার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলীয় প্রচার সভায় এ কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘যুদ্ধে ইরান শোচনীয়ভাবে পরাজিত হচ্ছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আমরা আনুষ্ঠানিকভাব
৯ ঘণ্টা আগে