স্ট্রিম ডেস্ক

পেরুতে একদিন আগে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া হোসে জেরির বিরুদ্ধেও জেন-জি বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভ চলাকালে এখন পর্যন্ত একজন নিহত ও কয়েক ডজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানী লিমায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দেশটির ন্যায়পাল কার্যালয়ের বরাতে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আর্নেস্তো আলভারেজ বলেছেন, বিক্ষোভের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার লিমায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে। আর ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতা মোকাবিলা করতে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে, দেশটির জেন-জিরা বিক্ষোভের ডাক দেয়। দুর্নীতি ও ক্রমবর্ধমান অপরাধমূলক ঘটনার ক্ষোভ থেকে সদ্য ক্ষমতাচ্যুত হওয়া প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তের বিরুদ্ধে টানা বিক্ষোভ চলছিল। বুধবার রাতে ওই বিক্ষোভ নাটকীয় মোড় নেয়। সেই রাতে জেন-জিদের সঙ্গে পরিবহন কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নাগরিকরাও রাস্তায় নামে। শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই দিনা পদত্যাগে বাধ্য হন। নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন হোসে জেরি। কিন্তু এখন তার বিরুদ্ধেও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
দেশটির পুলিশ প্রধান বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ গুলি চালিয়েছে। দেশজুড়ে হাজার হাজার নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নেয়। আর লিমার কংগ্রেসের বাইরে শত শত বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। আর বিক্ষোভকারীরা পাথর, আতশবাজি এবং বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ করে।
এদিকে, বিক্ষোভকারীরা `সবাইকে অবশ্যই পদত্যাগ‘ করতে হবে বলে স্লোগান দেয়। তারা লোহার ব্যারিকেড ভেঙে কংগ্রেস ভবনে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। আর এতেই সংঘর্ষ বাধে।
বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির পুলিশপ্রধান অস্কার অ্যারোলা সাংবাদিকদের বলেন, লুইস ম্যাগাল্লানেস নামে পুলিশের এক সদস্যকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে বিক্ষোভকারীরা। পরে তিনি গুলি করেন। ম্যাগাল্লানেসকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, নতুন দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট হোসে জেরি এক বিক্ষোভকারী নিহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এই ঘটনার `বস্তুনিষ্ট` তদন্তের কথা বলেছেন। পাশাপাশি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বিশৃঙ্খল করতে অনুপ্রবেশকারীরা সহিংস করে তুলেছে।

পেরুতে একদিন আগে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া হোসে জেরির বিরুদ্ধেও জেন-জি বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভ চলাকালে এখন পর্যন্ত একজন নিহত ও কয়েক ডজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানী লিমায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দেশটির ন্যায়পাল কার্যালয়ের বরাতে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আর্নেস্তো আলভারেজ বলেছেন, বিক্ষোভের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার লিমায় জরুরি অবস্থা জারি করেছে। আর ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতা মোকাবিলা করতে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে, দেশটির জেন-জিরা বিক্ষোভের ডাক দেয়। দুর্নীতি ও ক্রমবর্ধমান অপরাধমূলক ঘটনার ক্ষোভ থেকে সদ্য ক্ষমতাচ্যুত হওয়া প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তের বিরুদ্ধে টানা বিক্ষোভ চলছিল। বুধবার রাতে ওই বিক্ষোভ নাটকীয় মোড় নেয়। সেই রাতে জেন-জিদের সঙ্গে পরিবহন কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নাগরিকরাও রাস্তায় নামে। শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই দিনা পদত্যাগে বাধ্য হন। নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন হোসে জেরি। কিন্তু এখন তার বিরুদ্ধেও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
দেশটির পুলিশ প্রধান বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ গুলি চালিয়েছে। দেশজুড়ে হাজার হাজার নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নেয়। আর লিমার কংগ্রেসের বাইরে শত শত বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। আর বিক্ষোভকারীরা পাথর, আতশবাজি এবং বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ করে।
এদিকে, বিক্ষোভকারীরা `সবাইকে অবশ্যই পদত্যাগ‘ করতে হবে বলে স্লোগান দেয়। তারা লোহার ব্যারিকেড ভেঙে কংগ্রেস ভবনে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। আর এতেই সংঘর্ষ বাধে।
বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির পুলিশপ্রধান অস্কার অ্যারোলা সাংবাদিকদের বলেন, লুইস ম্যাগাল্লানেস নামে পুলিশের এক সদস্যকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে বিক্ষোভকারীরা। পরে তিনি গুলি করেন। ম্যাগাল্লানেসকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, নতুন দায়িত্ব নেওয়া প্রেসিডেন্ট হোসে জেরি এক বিক্ষোভকারী নিহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এই ঘটনার `বস্তুনিষ্ট` তদন্তের কথা বলেছেন। পাশাপাশি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বিশৃঙ্খল করতে অনুপ্রবেশকারীরা সহিংস করে তুলেছে।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৫ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৫ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৬ ঘণ্টা আগে