স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন, দেশটিতে সবশেষ বিক্ষোভের সময় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।
শনিবার এক ভাষণে খামেনি বলেন, এই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে ‘অমানবিক ও নৃশংসভাবে’ হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর উস্কানিদাতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ও বলেন তিনি। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি’র (এইচআরএএনএ) তথ্যানুযায়ী, অস্থিরতা দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংস প্রতিক্রিয়ায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে কিছু অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ দাবি করেছে, নিহতের সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি।
ইরানে অর্থনৈতিক মন্দার প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই দেশটির বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর পতনের দাবিতে রূপ নেয়। বিক্ষোভের শুরুতেই এতে সমর্থন দেয় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার ইরানিদের ‘বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার’ আহ্বান জানান। এ ছাড়া ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের হত্যা করলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপ করবে বলে ক্রমাগত হুমকিও দিয়ে আসছিলেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে শনিবার খামেনি বলেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরাই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি এবং ইরানি জাতির উপর যে অপবাদ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমরা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একজন অপরাধী হিসেবে গণ্য করি।’ এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ‘জবাবদিহি’ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আয়াতুল্লাহ খামেনির এই বক্তব্যে বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে সবশেষ কয়েকদিনে ইরানের খুব অল্প কিছু স্থানে বিক্ষোভের তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও দেশটিতে ইন্টারনেট কার্যত বন্ধ থাকায় তা যাচাই করা যায়নি।
দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের শিরাজ শহরের এক নারী বিবিসি পার্সিয়ানকে জানান, ‘নিরাপত্তা বাহিনী যে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে টহল দিচ্ছে, তবে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক।’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছেন, দেশটিতে সবশেষ বিক্ষোভের সময় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।
শনিবার এক ভাষণে খামেনি বলেন, এই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে ‘অমানবিক ও নৃশংসভাবে’ হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর উস্কানিদাতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ও বলেন তিনি। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি’র (এইচআরএএনএ) তথ্যানুযায়ী, অস্থিরতা দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংস প্রতিক্রিয়ায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে কিছু অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ দাবি করেছে, নিহতের সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি।
ইরানে অর্থনৈতিক মন্দার প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুতই দেশটির বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর পতনের দাবিতে রূপ নেয়। বিক্ষোভের শুরুতেই এতে সমর্থন দেয় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার ইরানিদের ‘বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার’ আহ্বান জানান। এ ছাড়া ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের হত্যা করলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপ করবে বলে ক্রমাগত হুমকিও দিয়ে আসছিলেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে শনিবার খামেনি বলেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরাই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি এবং ইরানি জাতির উপর যে অপবাদ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমরা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একজন অপরাধী হিসেবে গণ্য করি।’ এই অস্থিরতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ‘জবাবদিহি’ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আয়াতুল্লাহ খামেনির এই বক্তব্যে বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিকে সবশেষ কয়েকদিনে ইরানের খুব অল্প কিছু স্থানে বিক্ষোভের তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও দেশটিতে ইন্টারনেট কার্যত বন্ধ থাকায় তা যাচাই করা যায়নি।
দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের শিরাজ শহরের এক নারী বিবিসি পার্সিয়ানকে জানান, ‘নিরাপত্তা বাহিনী যে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে টহল দিচ্ছে, তবে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক।’

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৫ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে