স্ট্রিম ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান শুধু মানুষ মেরে বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে করা যায় না। খবর আল-জাজিরার।
বৃহস্পতিবার ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেন ভ্যান্স। ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ওয়াশিংটনকে ক্রমাগত চাপ দিয়ে আসা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্যটি করেন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সই করা সমঝোতা স্মারকের পক্ষে সাফাইও দেন তিনি।
চুক্তির কড়া সমালোচনা করা ইসরায়েলের ডানপন্থী মন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ, ইতামার বেন-গভির মতো নেতাদের উদ্দেশে ভ্যান্স বলেন, ‘তাদের প্রতি আমার জবাব হবে, আপনাদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবটা কী? আপনারা ৯ মিলিয়ন মানুষের একটি দেশ। আপনারা প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান শুধু মানুষ মেরে বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে করতে পারবেন না।’
ইসরায়েলকে আলোচনা প্রক্রিয়ার চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে কিছুটা হলেও কৃতিত্ব দিন, যারা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি সরকারের জন্য একটি অসাধারণ মিত্র হিসেবে কাজ করে আসছে।’
ভ্যান্সের এই বক্তব্য ইসরায়েলের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যতিক্রমী কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির সবশেষ উদাহরণ। ইরানের সঙ্গে একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করার হুমকি তৈরি করা দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে এমন অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে একাধিকবার সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। লেবাননে ইরানসমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলকে সংযত থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন।
ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে সাম্প্রতিক যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘অসংখ্য মানুষ মারা গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যখন আপনি একজনকে খুঁজছেন, তখন প্রতিবার একটি বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ ওই অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে প্রচুর মানুষ থাকে এবং তারা সবাই হিজবুল্লাহর সদস্য নয়।’

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান শুধু মানুষ মেরে বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে করা যায় না। খবর আল-জাজিরার।
বৃহস্পতিবার ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেন ভ্যান্স। ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ওয়াশিংটনকে ক্রমাগত চাপ দিয়ে আসা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্যটি করেন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সই করা সমঝোতা স্মারকের পক্ষে সাফাইও দেন তিনি।
চুক্তির কড়া সমালোচনা করা ইসরায়েলের ডানপন্থী মন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ, ইতামার বেন-গভির মতো নেতাদের উদ্দেশে ভ্যান্স বলেন, ‘তাদের প্রতি আমার জবাব হবে, আপনাদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবটা কী? আপনারা ৯ মিলিয়ন মানুষের একটি দেশ। আপনারা প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান শুধু মানুষ মেরে বা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে করতে পারবেন না।’
ইসরায়েলকে আলোচনা প্রক্রিয়ার চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে কিছুটা হলেও কৃতিত্ব দিন, যারা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি সরকারের জন্য একটি অসাধারণ মিত্র হিসেবে কাজ করে আসছে।’
ভ্যান্সের এই বক্তব্য ইসরায়েলের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যতিক্রমী কঠোর দৃষ্টিভঙ্গির সবশেষ উদাহরণ। ইরানের সঙ্গে একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করার হুমকি তৈরি করা দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে এমন অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে একাধিকবার সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। লেবাননে ইরানসমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলকে সংযত থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন।
ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে সাম্প্রতিক যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘অসংখ্য মানুষ মারা গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যখন আপনি একজনকে খুঁজছেন, তখন প্রতিবার একটি বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ ওই অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে প্রচুর মানুষ থাকে এবং তারা সবাই হিজবুল্লাহর সদস্য নয়।’

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির বিষয়ে সরাসরি আলোচনার জন্য পূর্বনির্ধারিত সুইজারল্যান্ড সফর পিছিয়ে দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।
৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হওয়া সত্ত্বেও লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার না করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘যতদিন ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন আমরা দক্ষিণ লেবানন ছেড়ে যাব না।’
১৪ ঘণ্টা আগে
‘মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড’-এর নাম পরিবর্তন করেছে দেশটির যুদ্ধ বিভাগ। এ সামরিক শাখাটির পুরোনো নাম–‘মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ড’ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। নাম থেকে ‘ইন্দো’ শব্দটি বাদ দেওয়া এবং কমান্ডটির ওয়েবসাইটে ভারতের ‘ভুল’ মানচিত্রের প্রদর্শনী নিয়ে দেশটিতে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তির পর নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির একাংশের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিযোগ, এই চুক্তি করদাতাদের বিলিয়ন ডলার অপচয় করবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিতকরণে খুব একটা কাজে আসবে না। খবর আলজাজিরার।
১৯ ঘণ্টা আগে