ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে ২৭ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টার অভিযোগের মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।
স্ট্রিম ডেস্ক

ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে ২৭ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টার অভিযোগের মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পাঁচ বিচারপতি নিয়ে গঠিত প্যানেলের চারজনই বলসোনারোকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেন।
২০২২ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার পর বেআইনিভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টার জন্য বলসোনারোকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বিচারপতি কারমেন লুসিয়া বলেন, ‘বলসোনারো গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছিলেন। এর যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে।’ এর আগে বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) আরেক বিচারপতি লুইজ ফাক্স ভিন্নমত পোষণ করে, ৭০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রেসিডেন্টকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
বলসোনারো বর্তমানে গৃহবন্দী আছেন। তার বিরুদ্ধে প্রেসিডিন্ট লুলার সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও ‘অপরাধী সংগঠন’ পরিচালনাসহ মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব অভিযোগে তার ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারত।
রায়ের পর বলসোনারোর আইনজীবীরা আপিল করার কথা জানিয়েছেন। তার সহযোগী ফ্যাবিও ওয়াজনগার্টেন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই সাজা অত্যন্ত কঠোর ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আন্তর্জাতিক পর্যায়সহ সব যথাযথ ফোরামে আমরা আপিল করব।’
বলসোনারোর ছেলে ও সিনেটর ফ্ল্যাভিও বলসোনারো বলেন, ‘আমার বাবা এই নিপীড়নের মুখে মাথা উঁচু করে আছেন। ইতিহাস প্রমাণ করবে যে আমরা সঠিক ছিলাম।’ তাঁর বাবার সহযোগীরা একটি সাধারণ ক্ষমার বিলের জন্য কংগ্রেসে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি ।
সুপ্রিম কোর্ট বলসোনারোর আরও সাত সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। তাঁদের মধ্যে সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়াল্টার ব্রাগা নেটো ও পাওলো সার্জিও নোগুইরা রয়েছেন। এ ছাড়াও বলসোনারোর সাবেক সহকারী মাউরো সিড, সামরিক উপদেষ্টা অগাস্টো হেলেনো রিবেইরো, সাবেক বিচারমন্ত্রী অ্যান্ডারসন টরেস, সাবেক নৌপ্রধান আলমির গার্নিয়ার সান্তোস ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আলেকজান্ডার রামগেমকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই রায়কে ‘অত্যন্ত আশ্চর্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। ‘ভালো প্রেসিডেন্ট’ ও ‘ভালো মানুষ’ হিসেবে বলসোনারোর প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার সঙ্গেও এমনটা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী আলেকজান্ডার দে মোরায়েস ও ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট অন্যায়ভাবে বলসোনারোকে কারারুদ্ধ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এই "উইচ-হান্ট"-এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
এর জবাবে ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা রুবিওর ‘হুমকিতে’ ভয় পাবে না।

ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে ২৭ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টার অভিযোগের মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পাঁচ বিচারপতি নিয়ে গঠিত প্যানেলের চারজনই বলসোনারোকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেন।
২০২২ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হওয়ার পর বেআইনিভাবে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টার জন্য বলসোনারোকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বিচারপতি কারমেন লুসিয়া বলেন, ‘বলসোনারো গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছিলেন। এর যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে।’ এর আগে বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) আরেক বিচারপতি লুইজ ফাক্স ভিন্নমত পোষণ করে, ৭০ বছর বয়সী সাবেক এই প্রেসিডেন্টকে সব অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
বলসোনারো বর্তমানে গৃহবন্দী আছেন। তার বিরুদ্ধে প্রেসিডিন্ট লুলার সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও ‘অপরাধী সংগঠন’ পরিচালনাসহ মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব অভিযোগে তার ৪০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারত।
রায়ের পর বলসোনারোর আইনজীবীরা আপিল করার কথা জানিয়েছেন। তার সহযোগী ফ্যাবিও ওয়াজনগার্টেন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই সাজা অত্যন্ত কঠোর ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আন্তর্জাতিক পর্যায়সহ সব যথাযথ ফোরামে আমরা আপিল করব।’
বলসোনারোর ছেলে ও সিনেটর ফ্ল্যাভিও বলসোনারো বলেন, ‘আমার বাবা এই নিপীড়নের মুখে মাথা উঁচু করে আছেন। ইতিহাস প্রমাণ করবে যে আমরা সঠিক ছিলাম।’ তাঁর বাবার সহযোগীরা একটি সাধারণ ক্ষমার বিলের জন্য কংগ্রেসে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি ।
সুপ্রিম কোর্ট বলসোনারোর আরও সাত সহযোগীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। তাঁদের মধ্যে সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়াল্টার ব্রাগা নেটো ও পাওলো সার্জিও নোগুইরা রয়েছেন। এ ছাড়াও বলসোনারোর সাবেক সহকারী মাউরো সিড, সামরিক উপদেষ্টা অগাস্টো হেলেনো রিবেইরো, সাবেক বিচারমন্ত্রী অ্যান্ডারসন টরেস, সাবেক নৌপ্রধান আলমির গার্নিয়ার সান্তোস ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আলেকজান্ডার রামগেমকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই রায়কে ‘অত্যন্ত আশ্চর্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। ‘ভালো প্রেসিডেন্ট’ ও ‘ভালো মানুষ’ হিসেবে বলসোনারোর প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার সঙ্গেও এমনটা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী আলেকজান্ডার দে মোরায়েস ও ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট অন্যায়ভাবে বলসোনারোকে কারারুদ্ধ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র এই "উইচ-হান্ট"-এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
এর জবাবে ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা রুবিওর ‘হুমকিতে’ ভয় পাবে না।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৯ ঘণ্টা আগে