স্ট্রিম ডেস্ক

কাশ্মীরের শ্রীনগরের দক্ষিণের নওগাম এলাকার একটি থানায় জব্দ করা বিস্ফোরকের মজুদে বিস্ফোরণ ঘটে অন্তত ৭ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে বিস্ফোরক পরীক্ষার সময় এই 'দুর্ঘটনা' ঘটে।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সূত্র জানায়, নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক দলের কর্মকর্তা, যাঁরা নয়াদিল্লিতে বিস্ফোরণের তদন্তের অংশ হিসেবে বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন। শ্রীনগর প্রশাসনের আরও দুই কর্মকর্তা এ ঘটনায় মারা গেছেন। এখনো পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে।
এনডিটিভির সিনিয়র নির্বাহী সম্পাদক আদিত্য রাজ কৌল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, 'এটি সন্ত্রাসী হামলা নয়। পুলিশ বলেছে, এটি খুবই দুঃখজনক একটি দুর্ঘটনা। বিস্ফোরকগুলো পরীক্ষা করার সময় ফরেনসিক দল এবং পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতেই বিস্ফোরণ ঘটে।'
গত সোমবার নয়াদিল্লিতে গাড়ি বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত হওয়ার মাত্র ৪ দিন পর এ বড় বিস্ফোরণটি ঘটল।
রাজধানীতে বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা আগে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁদের কাছ থেকে বিস্ফোরক, হামলার অস্ত্র এবং অ্যাসল্ট রাইফেল উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেএম) সদস্য, যারা ভারত থেকে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে নিতে চায়। জেএম কাশ্মীরি সংগঠন আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত।
নয়াদিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণের তদন্তের অংশ হিসেবে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।
খবরে বলা হয়, নওগাম থানায় যেখানে শুক্রবারের বিস্ফোরণটি ঘটে, সেই থানা এলাকাজুড়ে জেএম-এর নামে লাগানো পোস্টার নিয়ে তদন্ত করছিল। ওই পোস্টারে নিরাপত্তা বাহিনী ও 'বহিরাগতদের' ওপর হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, পোস্টার-সংক্রান্ত তদন্তে তারা একটি 'ভদ্রবেশী সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক' উদ্ঘাটন করেছে, যেখানে র্যাডিকালাইজড পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীরা বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যোগাযোগ রাখছিল।
পুলিশ প্রায় ৩ হাজার কেজি (৩ টন) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও উদ্ধার করে, যা সাধারণত বোমা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। পুলিশ বলছে, 'জঙ্গি' সংগঠনটি ভারতে বড় ধরনের হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত করছিল।

কাশ্মীরের শ্রীনগরের দক্ষিণের নওগাম এলাকার একটি থানায় জব্দ করা বিস্ফোরকের মজুদে বিস্ফোরণ ঘটে অন্তত ৭ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে বিস্ফোরক পরীক্ষার সময় এই 'দুর্ঘটনা' ঘটে।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সূত্র জানায়, নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক দলের কর্মকর্তা, যাঁরা নয়াদিল্লিতে বিস্ফোরণের তদন্তের অংশ হিসেবে বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন। শ্রীনগর প্রশাসনের আরও দুই কর্মকর্তা এ ঘটনায় মারা গেছেন। এখনো পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে পারে।
এনডিটিভির সিনিয়র নির্বাহী সম্পাদক আদিত্য রাজ কৌল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, 'এটি সন্ত্রাসী হামলা নয়। পুলিশ বলেছে, এটি খুবই দুঃখজনক একটি দুর্ঘটনা। বিস্ফোরকগুলো পরীক্ষা করার সময় ফরেনসিক দল এবং পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতেই বিস্ফোরণ ঘটে।'
গত সোমবার নয়াদিল্লিতে গাড়ি বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত হওয়ার মাত্র ৪ দিন পর এ বড় বিস্ফোরণটি ঘটল।
রাজধানীতে বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা আগে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁদের কাছ থেকে বিস্ফোরক, হামলার অস্ত্র এবং অ্যাসল্ট রাইফেল উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেএম) সদস্য, যারা ভারত থেকে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে নিতে চায়। জেএম কাশ্মীরি সংগঠন আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত।
নয়াদিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণের তদন্তের অংশ হিসেবে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ৬৫০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।
খবরে বলা হয়, নওগাম থানায় যেখানে শুক্রবারের বিস্ফোরণটি ঘটে, সেই থানা এলাকাজুড়ে জেএম-এর নামে লাগানো পোস্টার নিয়ে তদন্ত করছিল। ওই পোস্টারে নিরাপত্তা বাহিনী ও 'বহিরাগতদের' ওপর হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ জানায়, পোস্টার-সংক্রান্ত তদন্তে তারা একটি 'ভদ্রবেশী সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক' উদ্ঘাটন করেছে, যেখানে র্যাডিকালাইজড পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীরা বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যোগাযোগ রাখছিল।
পুলিশ প্রায় ৩ হাজার কেজি (৩ টন) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও উদ্ধার করে, যা সাধারণত বোমা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। পুলিশ বলছে, 'জঙ্গি' সংগঠনটি ভারতে বড় ধরনের হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত করছিল।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৫ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে