স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের বাজারি হিসেবে পরিচিতি দোকানদাররা সাধারণত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শাসন ব্যবস্থার সমর্থক ছিল। কিন্তু এবারই এর ব্যতিক্রম ঘটল। এই প্রথমবার এই বাজারিরা তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাস্তায় নেমে এসেছেন।
বলতে গেলে এবার আন্দোলন শুরুই করেছেন তাঁরা। ইরানি রিয়ালের মান পতন ঘটে ইতিহাসের সর্বনিম্নে চলে আসে। পাশাপাশি গভীর অর্থনৈতিক সংকটতো এমনিতেই ছিল। সব মিলিয়ে যখন ব্যবসায়ীরা আর কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না, তখনই তেহরানের গ্রান্ড বাজারের এ বাজারিরা দোকানপাট বন্ধ করে দিয়ে রাস্তায় নামেন। তারপর তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন নানা শ্রেণি পেশার ইরানিরা। সেই আন্দোলন এখন ইরানের শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক খবরে বলা হয়েছে, ইরানের ব্যবসায়ীদের ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেশ বড় শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর এ ব্যবসায়ীরা সাধারণত বর্তমান শাসকদের প্রতি অনুগতই ছিল। কিন্তু এরা ক্ষুব্ধ হলো কেন?
শুরুটা হয় দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সিদ্ধান্তের কারণে। সরকারের এক কর্মসূচির আওতায় এসব ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেক আমদানিকারক ছিলেন; যাঁরা অন্যান্য বাজারের চেয়ে কম মূল্যে ব্যাংক থেকে মার্কিন ডলার পেতেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়। এর জেরে অনেক দোকানি জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। আবার অনেক দোকানি দোকান বন্ধ করে বিক্ষোভের উদ্যোগ নেন।
বাজারি হিসেবে পরিচিত এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠী প্রথাগতভাবে ইসলামিক রিপাবলিকের সমর্থক ছিল। ইরানের এই বাজারি এবং ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে এক ধরনের স্থায়ী জোটও আছে। আর ইরানের ইতিহাসে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে এ বাজারি দোকানদারদের জোটই দেশটির শাসক কে হবেন তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অর্থাৎ এই জোটই ছিল ‘কিং মেকার’।
এই বাজারিদের সমর্থনেই মোল্লাদের নেতৃত্ব ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবকে সফল করেছিল। এই বাজারিরাই তৎকালীন বিদ্রোহীদের আর্থিক সমর্থন দিয়েছিল যা শাহ বা রাজার পতন ঘটিয়েছিল।
সেই রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকেই এই বাজারিরা প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আরও প্রতীকী হয়ে উঠে। কিন্তু সাম্প্রতিক ইরানি মুদ্রার ওঠানামায় তাঁদের ব্যবসায় গুরুতর প্রভাব ফেলে। ফলশ্রুতিতে তাঁরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হন। যা এখন সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

ইরানের বাজারি হিসেবে পরিচিতি দোকানদাররা সাধারণত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শাসন ব্যবস্থার সমর্থক ছিল। কিন্তু এবারই এর ব্যতিক্রম ঘটল। এই প্রথমবার এই বাজারিরা তাঁদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রাস্তায় নেমে এসেছেন।
বলতে গেলে এবার আন্দোলন শুরুই করেছেন তাঁরা। ইরানি রিয়ালের মান পতন ঘটে ইতিহাসের সর্বনিম্নে চলে আসে। পাশাপাশি গভীর অর্থনৈতিক সংকটতো এমনিতেই ছিল। সব মিলিয়ে যখন ব্যবসায়ীরা আর কুলিয়ে উঠতে পারছিলেন না, তখনই তেহরানের গ্রান্ড বাজারের এ বাজারিরা দোকানপাট বন্ধ করে দিয়ে রাস্তায় নামেন। তারপর তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন নানা শ্রেণি পেশার ইরানিরা। সেই আন্দোলন এখন ইরানের শতাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক খবরে বলা হয়েছে, ইরানের ব্যবসায়ীদের ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেশ বড় শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর এ ব্যবসায়ীরা সাধারণত বর্তমান শাসকদের প্রতি অনুগতই ছিল। কিন্তু এরা ক্ষুব্ধ হলো কেন?
শুরুটা হয় দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি সিদ্ধান্তের কারণে। সরকারের এক কর্মসূচির আওতায় এসব ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেক আমদানিকারক ছিলেন; যাঁরা অন্যান্য বাজারের চেয়ে কম মূল্যে ব্যাংক থেকে মার্কিন ডলার পেতেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়। এর জেরে অনেক দোকানি জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। আবার অনেক দোকানি দোকান বন্ধ করে বিক্ষোভের উদ্যোগ নেন।
বাজারি হিসেবে পরিচিত এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠী প্রথাগতভাবে ইসলামিক রিপাবলিকের সমর্থক ছিল। ইরানের এই বাজারি এবং ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে এক ধরনের স্থায়ী জোটও আছে। আর ইরানের ইতিহাসে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে এ বাজারি দোকানদারদের জোটই দেশটির শাসক কে হবেন তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অর্থাৎ এই জোটই ছিল ‘কিং মেকার’।
এই বাজারিদের সমর্থনেই মোল্লাদের নেতৃত্ব ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবকে সফল করেছিল। এই বাজারিরাই তৎকালীন বিদ্রোহীদের আর্থিক সমর্থন দিয়েছিল যা শাহ বা রাজার পতন ঘটিয়েছিল।
সেই রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকেই এই বাজারিরা প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আরও প্রতীকী হয়ে উঠে। কিন্তু সাম্প্রতিক ইরানি মুদ্রার ওঠানামায় তাঁদের ব্যবসায় গুরুতর প্রভাব ফেলে। ফলশ্রুতিতে তাঁরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হন। যা এখন সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

চলমান বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী ইরানের শিরিন এবাদি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ইরান কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং তথ্যপ্রবাহ বন্ধ করে বিক্ষোভকারীদের ওপর চালানো ভয়াবহ দমন-পীড়ন গোপনের চেষ্টা করছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে বিক্ষোভ চলছে। তবে এই বিক্ষোভে নেতা নেই। আবার কোনো সংগঠনও নেই এই বিক্ষোভের পেছনে। তাই চলমান বিক্ষোভ কতদিন চলবে সে ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
৯ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচার দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ইরানি নাগরিকদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন—‘সাহায্য আসছে।’
১০ ঘণ্টা আগে
ইলন মাস্কের গ্রোক এআই চ্যাটবট ব্যবহার করে সম্মতি ছাড়াই মানুষের অন্তরঙ্গ ছবি তৈরির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সতর্ক করেছেন, এক্স যদি এটি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে তারা ‘স্বনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারাতে পারে’।
১২ ঘণ্টা আগে