স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। তেহরানের ভাষ্যমতে, লেবাননে যুদ্ধবিরতির ১০ দিনে এই প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের নিজস্ব রাজনৈতিক ও কৌশলগত উদ্যোগ। এর পেছনে ট্রাম্পের কোনো কৃতিত্ব নেই।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র সাইয়েদ মোহাম্মদ মেহেদি তাবাতাবায়ী এক্সে লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালি আংশিক ও শর্তসাপেক্ষে খুলে দেওয়া মূলত ইরানের উদ্যোগ। এই সিদ্ধান্ত চুক্তির অংশ নয়, বরং প্রতিপক্ষের প্রতিশ্রুতি পরীক্ষার কৌশল মাত্র।’
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান ভবিষ্যতে আর কখনোই হরমুজ প্রণালি বন্ধ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং এর কৃতিত্ব তাঁর নিজের।
ট্রাম্পের বক্তব্যকে তাবাতাবায়ী ‘শত্রুর ভিত্তিহীন মন্তব্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ইরানের এই সিদ্ধান্ত যেমন দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়, তেমনি প্রতিপক্ষকেও পরীক্ষায় ফেলেছে। তাবাতাবায়ী আরও বলেন, ‘যদি তাঁরা (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) তাঁদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেন, তবে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।’
ইরানের পক্ষ থেকে এই জলপথ ব্যবহারের জন্য তিনটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, কেবল বাণিজ্যিক জাহাজগুলোই এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে এবং যেকোনো ধরনের সামরিক জলযান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দ্বিতীয়ত, জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের নির্ধারিত রুট অনুসরণ করতে হবে। তৃতীয়ত, এই জলপথ ব্যবহারের পুরো প্রক্রিয়া ইরানের দায়িত্বপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষক আলেক্সান্দ্রু হুদিস্তেয়ানু আল জাজিরাকে বলেন, ‘ইরান যে “সমন্বিত পথ” অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে, তা জাহাজগুলোকে সরাসরি ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে। এর ফলে তেহরান যেকোনো সময় চাইলে “ট্রিগারে আঙুল রেখে” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পাবে।’
তিনি আরও বলেন, উভয় পক্ষ একে অপরকে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছে না। ফলে কেউই নিজেদের হাতে থাকা ‘চাপ প্রয়োগের অস্ত্র’ সহজে ছাড়তে চাইছে না।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। তেহরানের ভাষ্যমতে, লেবাননে যুদ্ধবিরতির ১০ দিনে এই প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের নিজস্ব রাজনৈতিক ও কৌশলগত উদ্যোগ। এর পেছনে ট্রাম্পের কোনো কৃতিত্ব নেই।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র সাইয়েদ মোহাম্মদ মেহেদি তাবাতাবায়ী এক্সে লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালি আংশিক ও শর্তসাপেক্ষে খুলে দেওয়া মূলত ইরানের উদ্যোগ। এই সিদ্ধান্ত চুক্তির অংশ নয়, বরং প্রতিপক্ষের প্রতিশ্রুতি পরীক্ষার কৌশল মাত্র।’
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান ভবিষ্যতে আর কখনোই হরমুজ প্রণালি বন্ধ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং এর কৃতিত্ব তাঁর নিজের।
ট্রাম্পের বক্তব্যকে তাবাতাবায়ী ‘শত্রুর ভিত্তিহীন মন্তব্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ইরানের এই সিদ্ধান্ত যেমন দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়, তেমনি প্রতিপক্ষকেও পরীক্ষায় ফেলেছে। তাবাতাবায়ী আরও বলেন, ‘যদি তাঁরা (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) তাঁদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেন, তবে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।’
ইরানের পক্ষ থেকে এই জলপথ ব্যবহারের জন্য তিনটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, কেবল বাণিজ্যিক জাহাজগুলোই এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে এবং যেকোনো ধরনের সামরিক জলযান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দ্বিতীয়ত, জাহাজগুলোকে অবশ্যই ইরানের নির্ধারিত রুট অনুসরণ করতে হবে। তৃতীয়ত, এই জলপথ ব্যবহারের পুরো প্রক্রিয়া ইরানের দায়িত্বপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
সামরিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষক আলেক্সান্দ্রু হুদিস্তেয়ানু আল জাজিরাকে বলেন, ‘ইরান যে “সমন্বিত পথ” অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে, তা জাহাজগুলোকে সরাসরি ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে। এর ফলে তেহরান যেকোনো সময় চাইলে “ট্রিগারে আঙুল রেখে” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পাবে।’
তিনি আরও বলেন, উভয় পক্ষ একে অপরকে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছে না। ফলে কেউই নিজেদের হাতে থাকা ‘চাপ প্রয়োগের অস্ত্র’ সহজে ছাড়তে চাইছে না।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের আল-আজরাক বিমানঘাঁটির সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। সেখানে মার্কিন অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে দেশটি। খবর আল জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
ওমান উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও এক ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছেন। খবর আল-জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র নতুন হামলা চালানোর পর কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস এ তথ্য জানায়। খবর আল জাজিরার।
৬ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন (এআরইউ)।
১৬ ঘণ্টা আগে