২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ভাষণ দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। এই ভাষণটি সমসাময়িক ভূ-রাজনীতির ইতিহাসে একটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’ মনে করছেন অনেকে। তিনি মার্কিন আধিপত্যের অবসান এবং প্রথাগত নিয়ম-ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার ভাঙনকে সরাসরি স্বীকার করে নিয়েছেন। কার্নি বিশ্বের মধ্যম শক্তিগুলোকে ‘মিথ্যার মধ্যে বসবাস’ বাদ দিয়ে সার্বভৌমত্ব ও বাস্তববাদের ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জোট গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্ট্রিম ডেস্ক

তাহলে আমাদের হাতে বিকল্প কী? ১৯৭৮ সালে চেক ভিন্নমতালম্বী (পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট) ভাসলাভ হাভেল দা পাওয়ার অব পাওয়ারলেস নামে একটি লেখা প্রবন্ধ লিখেছিলেন। সেখানে তিনি একটি সহজ প্রশ্ন করেছিলেন: কমিউনিস্ট ব্যবস্থা কীভাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখত? তিনি একজন সবজি বিক্রেতার উদাহরণ দিয়ে উত্তর শুরু করেছিলেন। সেই দোকানদার প্রতিদিন সকালে তার জানলায় একটি স্লোগান ঝোলাত—‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’। সে নিজে এই শ্লোগান বিশ্বাস করে না। কিন্তু ঝামেলা এড়াতে আর সে যে অনুগত তা বোঝাতে সে এই কাজ করে। যেহেতু প্রতিটি রাস্তার প্রতিটি দোকানদার একই কাজ করে, তাই সিস্টেমটি টিকে থাকে। এই ব্যবস্থা শুধু সহিংসতার মাধ্যমে নয়, টিকে থাকে সাধারণ মানুষের কিছু রীতিনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। যদিও তারা মনে মনে জানে যে এসব রীতিনীতি মিথ্যা। হাভেল একে বলেছিলেন ‘মিথ্যার মধ্যে বসবাস’। সিস্টেমের শক্তি তা সত্য বলে তৈরি হয় এমন নয়। সিস্টেমের মধ্যে সবাই সত্যের মতো অভিনয় করতে রাজি থাকে বলেই তার শক্তি তৈরি হয়। এর ভঙ্গুরতাও ঠিক একই জায়গায়। যখন একজন মানুষও অভিনয় করা বন্ধ করে দেয়, যখন সবজি বিক্রেতা তার সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলে, তখন সেই মায়া বা ভ্রম কেটে যেতে শুরু করে।

তাহলে আমাদের হাতে বিকল্প কী? ১৯৭৮ সালে চেক ভিন্নমতালম্বী (পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট) ভাসলাভ হাভেল দা পাওয়ার অব পাওয়ারলেস নামে একটি লেখা প্রবন্ধ লিখেছিলেন। সেখানে তিনি একটি সহজ প্রশ্ন করেছিলেন: কমিউনিস্ট ব্যবস্থা কীভাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখত? তিনি একজন সবজি বিক্রেতার উদাহরণ দিয়ে উত্তর শুরু করেছিলেন। সেই দোকানদার প্রতিদিন সকালে তার জানলায় একটি স্লোগান ঝোলাত—‘দুনিয়ার মজদুর এক হও’। সে নিজে এই শ্লোগান বিশ্বাস করে না। কিন্তু ঝামেলা এড়াতে আর সে যে অনুগত তা বোঝাতে সে এই কাজ করে। যেহেতু প্রতিটি রাস্তার প্রতিটি দোকানদার একই কাজ করে, তাই সিস্টেমটি টিকে থাকে। এই ব্যবস্থা শুধু সহিংসতার মাধ্যমে নয়, টিকে থাকে সাধারণ মানুষের কিছু রীতিনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। যদিও তারা মনে মনে জানে যে এসব রীতিনীতি মিথ্যা। হাভেল একে বলেছিলেন ‘মিথ্যার মধ্যে বসবাস’। সিস্টেমের শক্তি তা সত্য বলে তৈরি হয় এমন নয়। সিস্টেমের মধ্যে সবাই সত্যের মতো অভিনয় করতে রাজি থাকে বলেই তার শক্তি তৈরি হয়। এর ভঙ্গুরতাও ঠিক একই জায়গায়। যখন একজন মানুষও অভিনয় করা বন্ধ করে দেয়, যখন সবজি বিক্রেতা তার সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলে, তখন সেই মায়া বা ভ্রম কেটে যেতে শুরু করে।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের জনমত চীনের পক্ষে স্পষ্টভাবে ঝুঁকেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার। সংস্থাটির ২০২৪ ও ২০২৬ সালের বৈশ্বিক জনমত জরিপের তুলনামূলক বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে।
১ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম তীরে দুটি মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। রোববার (২৬ জুলাই) তুলকারেমের দক্ষিণে কুর গ্রাম এবং নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা শহরে এই ঘটনা ঘটে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তরুণদের আন্দোলনে চ্যালেঞ্জে পড়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) কয়েক দিনের আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
১১ ঘণ্টা আগে