স্ট্রিম ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ এবার পড়েছেন আরেক মার্ক জাকারবার্গের ঝামেলায়। মার্ক জাকারবার্গের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ একটি মামলা করেছেন।
মামলার আবার অভিযোগও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত। আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ অভিযোগ করেছেন, গত আট বছরে পাঁচবার ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট হারিয়েছেন। কারণ? মেটার কনটেন্ট মডারেশন সিস্টেম মনে করেছে, তিনি নাকি প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গকে নকল করছেন। অথচ তিনি নিজে প্রকৃতই মার্ক জাকারবার্গ অর্থাৎ তাঁর নাম এটিই।
মামলার কাগজে আইনজীবী জাকারবার্গ মজার ছলেই লিখেছেন, যখন ফেসবুকের সিইওর বয়স ছিল মাত্র তিন বছর, তখন থেকেই তিনি আইন পেশায় নেমেছেন। কাজেই এখানে নকলের প্রশ্ন ওঠে কীভাবে!
এক টিভি সাক্ষাৎকারে আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ ক্ষোভ ঝাড়েন, ‘এটা মোটেও রসিকতার বিষয় না। আমার টাকা নিয়ে যখন ওরা (ফেসবুক) অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে, তখন হাসি আসে না, বরং ভীষণ রাগ হয়।’
প্রায় ১১,০০০ ডলারের বেশি খরচ করেছেন বিজ্ঞাপনে, অথচ ফলাফল শূন্য। এমনকি ২০২০ সালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো এক ইমেইলে আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ কটাক্ষ করে লিখেছিলেন—’যদি কখনো বড়লোক পিচ্চি মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে দেখা হয়, তাকে আমার সালাম দেবে। প্রতিদিন সে আমাকে ঝামেলায় ফেলে।’
শুধু অনলাইনে নয়, অফলাইনেও একই বিপত্তি। লাস ভেগাসে একবার বক্তৃতা দিতে গিয়ে এসকেলেটরের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা লিমুজিন চালক হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন—তাতে লেখা ‘মার্ক জাকারবার্গ।’ জনতা ভেবেছিল ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এসেছেন। এক মুহূর্তে ছোটখাটো হুল্লোড় বেঁধে যায়।
তবে এই আইনজীবী শুধু নামের বিভ্রান্তিতেই সীমাবদ্ধ নন। প্রায়ই তার ইনবক্স ভরে যায় ভুল করে পাঠানো হুমকি, টাকা চাওয়া কিংবা প্রেমের মেসেজে। নামের কারণে এই চিঠিপত্র ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গের বদলে চলে আসে আইনজীবী জাকারবার্গের কাছে।
মেটা অবশ্য ঘটনাটা হালকাভাবে নিয়েছে। তাদের বক্তব্য, ‘আমরা জানি পৃথিবীতে একাধিক মার্ক জাকারবার্গ আছেন। বিষয়টা আমরা খতিয়ে দেখছি।’
তবে আইনজীবী জাকারবার্গ প্রতিশোধপরায়ণ নন। নিজের ওয়েবসাইটে লিখেছেন, ‘আমি মার্ক জাকারবার্গের ক্ষতি চাই না। বরং চাই গুগলে ‘মার্ক জাকারবার্গ ব্যাংক্রাপ্সি’ লিখে সার্চ করলে আমার নামটাই শীর্ষে আসুক। আর যদি কোনদিন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা সাহেব দেউলিয়া হয়ে ইন্ডিয়ানায় আসেন, আমাদের নামের মিলের সম্মানে আমি আনন্দের সঙ্গেই তার মামলা লড়ব।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ এবার পড়েছেন আরেক মার্ক জাকারবার্গের ঝামেলায়। মার্ক জাকারবার্গের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ একটি মামলা করেছেন।
মামলার আবার অভিযোগও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত। আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ অভিযোগ করেছেন, গত আট বছরে পাঁচবার ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট হারিয়েছেন। কারণ? মেটার কনটেন্ট মডারেশন সিস্টেম মনে করেছে, তিনি নাকি প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গকে নকল করছেন। অথচ তিনি নিজে প্রকৃতই মার্ক জাকারবার্গ অর্থাৎ তাঁর নাম এটিই।
মামলার কাগজে আইনজীবী জাকারবার্গ মজার ছলেই লিখেছেন, যখন ফেসবুকের সিইওর বয়স ছিল মাত্র তিন বছর, তখন থেকেই তিনি আইন পেশায় নেমেছেন। কাজেই এখানে নকলের প্রশ্ন ওঠে কীভাবে!
এক টিভি সাক্ষাৎকারে আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ ক্ষোভ ঝাড়েন, ‘এটা মোটেও রসিকতার বিষয় না। আমার টাকা নিয়ে যখন ওরা (ফেসবুক) অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে, তখন হাসি আসে না, বরং ভীষণ রাগ হয়।’
প্রায় ১১,০০০ ডলারের বেশি খরচ করেছেন বিজ্ঞাপনে, অথচ ফলাফল শূন্য। এমনকি ২০২০ সালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো এক ইমেইলে আইনজীবী মার্ক জাকারবার্গ কটাক্ষ করে লিখেছিলেন—’যদি কখনো বড়লোক পিচ্চি মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে দেখা হয়, তাকে আমার সালাম দেবে। প্রতিদিন সে আমাকে ঝামেলায় ফেলে।’
শুধু অনলাইনে নয়, অফলাইনেও একই বিপত্তি। লাস ভেগাসে একবার বক্তৃতা দিতে গিয়ে এসকেলেটরের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা লিমুজিন চালক হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন—তাতে লেখা ‘মার্ক জাকারবার্গ।’ জনতা ভেবেছিল ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এসেছেন। এক মুহূর্তে ছোটখাটো হুল্লোড় বেঁধে যায়।
তবে এই আইনজীবী শুধু নামের বিভ্রান্তিতেই সীমাবদ্ধ নন। প্রায়ই তার ইনবক্স ভরে যায় ভুল করে পাঠানো হুমকি, টাকা চাওয়া কিংবা প্রেমের মেসেজে। নামের কারণে এই চিঠিপত্র ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গের বদলে চলে আসে আইনজীবী জাকারবার্গের কাছে।
মেটা অবশ্য ঘটনাটা হালকাভাবে নিয়েছে। তাদের বক্তব্য, ‘আমরা জানি পৃথিবীতে একাধিক মার্ক জাকারবার্গ আছেন। বিষয়টা আমরা খতিয়ে দেখছি।’
তবে আইনজীবী জাকারবার্গ প্রতিশোধপরায়ণ নন। নিজের ওয়েবসাইটে লিখেছেন, ‘আমি মার্ক জাকারবার্গের ক্ষতি চাই না। বরং চাই গুগলে ‘মার্ক জাকারবার্গ ব্যাংক্রাপ্সি’ লিখে সার্চ করলে আমার নামটাই শীর্ষে আসুক। আর যদি কোনদিন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা সাহেব দেউলিয়া হয়ে ইন্ডিয়ানায় আসেন, আমাদের নামের মিলের সম্মানে আমি আনন্দের সঙ্গেই তার মামলা লড়ব।’
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৫ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৫ ঘণ্টা আগে