ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, গত ২ জুলাই মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় চিন প্রদেশে এলাকা দখল নিয়ে সিএনডিএফ ও সিডিএফ-এইচের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর থেকেই প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মিজোরামে প্রবেশ করছে।
স্ট্রিম ডেস্ক

মিয়ানমারে চিন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সামরিক জান্তাবিরোধী সশস্ত্র দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রাণ বাঁচাতে ৬ হাজারের বেশি স্থানীয় বাসিন্দা ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মিজোরামে আশ্রয় নিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ জুলাই) পুলিশের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মিজোরাম রাজ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মিয়ানমারের চিন রাজ্যে গণতন্ত্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো নতুন করে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকেই শরণার্থী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
চলতি বছরের ৫ জুন থেকে চিন ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (সিএনডিএফ) ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স-হুয়ালংরামের (সিডিএফ-এইচ) মধ্যে নতুন করে সংঘাতের শুরু হয়। গতকাল ৭ জুলাই (সোমবার) পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীর হামলা ও পাল্টা হামলা এখনো চলছে।
উল্লেখ্য, মিজোরাম ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী বাণিজ্য এলাকা ‘খাওমাউই’র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিএনডিএফ ও সিডিএফ-এইচ তীব্র সংঘাতে জড়িয়েছে।
ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, গত ২ জুলাই মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় চিন প্রদেশে এলাকা দখল নিয়ে সিএনডিএফ ও সিডিএফ-এইচের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর থেকেই প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মিজোরামে প্রবেশ করছে।
মিজোরাম রাজ্যের জোখাওথার গ্রামের কাউন্সিল সেক্রেটারি লালরাউনকিমা বলেন, ‘গত তিন দিনে ৪ হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক শরণার্থীকে পুলিশ নিবন্ধন করেছে। যেহেতু ১৮ বছরের বেশি বয়সীদেরই নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে, তাই শিশুদের ধরলে মোট সংখ্যা ৫ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।’
লালরাউনকিমা আরও জানান, ‘এখানকার প্রতিটি পরিবার ২৫ থেকে ৩০ জন মানুষকে আশ্রয় দিচ্ছে। বাদবাকিদের কমিউনিটি সেন্টার আর চার্চ হলে জায়গা দেওয়া হয়েছে।’
শরণার্থী শিশুদের প্রকৃত সংখ্যা এখনো পুরোপুরি ওঠে আসেনি। রবিবার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে। শরণার্থীরা অনেকেই হুড়মুড় করে ইন্দো-মিয়ানমার সেতু ও তিয়াও নদী পেরিয়ে এসেছে বলে অনেক শিশুই গণনায় আসেনি।’
এর আগে গত রবিবার (৫ জুলাই) মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা লালমুয়ানপুইয়া জোখাওথার পরিদর্শন করেন। লালমুয়ানপুইয়া নিশ্চিত করেন, চলমান সংঘর্ষের কারণে আরও শরণার্থী মিজোরামে ঢুকেছেন এবং নিরাপত্তা শঙ্কায় অধিকাংশই ফিরে যেতে রাজি নন।
মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে সাপডাঙ্গা বলেছেন, চিন রাজ্যের এই সংঘাত আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। মানুষ এখানে আসছেন। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা এসব মানুষকে পানি, খাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

মিয়ানমারে চিন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সামরিক জান্তাবিরোধী সশস্ত্র দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় প্রাণ বাঁচাতে ৬ হাজারের বেশি স্থানীয় বাসিন্দা ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মিজোরামে আশ্রয় নিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (৮ জুলাই) পুলিশের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মিজোরাম রাজ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মিয়ানমারের চিন রাজ্যে গণতন্ত্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো নতুন করে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকেই শরণার্থী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
চলতি বছরের ৫ জুন থেকে চিন ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স (সিএনডিএফ) ও চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স-হুয়ালংরামের (সিডিএফ-এইচ) মধ্যে নতুন করে সংঘাতের শুরু হয়। গতকাল ৭ জুলাই (সোমবার) পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীর হামলা ও পাল্টা হামলা এখনো চলছে।
উল্লেখ্য, মিজোরাম ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী বাণিজ্য এলাকা ‘খাওমাউই’র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিএনডিএফ ও সিডিএফ-এইচ তীব্র সংঘাতে জড়িয়েছে।
ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, গত ২ জুলাই মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় চিন প্রদেশে এলাকা দখল নিয়ে সিএনডিএফ ও সিডিএফ-এইচের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর থেকেই প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মিজোরামে প্রবেশ করছে।
মিজোরাম রাজ্যের জোখাওথার গ্রামের কাউন্সিল সেক্রেটারি লালরাউনকিমা বলেন, ‘গত তিন দিনে ৪ হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক শরণার্থীকে পুলিশ নিবন্ধন করেছে। যেহেতু ১৮ বছরের বেশি বয়সীদেরই নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে, তাই শিশুদের ধরলে মোট সংখ্যা ৫ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।’
লালরাউনকিমা আরও জানান, ‘এখানকার প্রতিটি পরিবার ২৫ থেকে ৩০ জন মানুষকে আশ্রয় দিচ্ছে। বাদবাকিদের কমিউনিটি সেন্টার আর চার্চ হলে জায়গা দেওয়া হয়েছে।’
শরণার্থী শিশুদের প্রকৃত সংখ্যা এখনো পুরোপুরি ওঠে আসেনি। রবিবার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে। শরণার্থীরা অনেকেই হুড়মুড় করে ইন্দো-মিয়ানমার সেতু ও তিয়াও নদী পেরিয়ে এসেছে বলে অনেক শিশুই গণনায় আসেনি।’
এর আগে গত রবিবার (৫ জুলাই) মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা লালমুয়ানপুইয়া জোখাওথার পরিদর্শন করেন। লালমুয়ানপুইয়া নিশ্চিত করেন, চলমান সংঘর্ষের কারণে আরও শরণার্থী মিজোরামে ঢুকেছেন এবং নিরাপত্তা শঙ্কায় অধিকাংশই ফিরে যেতে রাজি নন।
মিজোরামের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে সাপডাঙ্গা বলেছেন, চিন রাজ্যের এই সংঘাত আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। মানুষ এখানে আসছেন। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা এসব মানুষকে পানি, খাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ থেকে ১৫০ সেনা আহত হয়। কিন্তু দেশটির সামরিক বাহিনী আহতের এ খবর চেপে রাখে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
২১ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
২১ ঘণ্টা আগে