ইরানের টানা ক্ষেপণাস্ত্রে আয়রন ডোম উন্নয়নে জোর ইসরায়েলের

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ১১: ০৯
তেল আবিবের আকাশে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলকে নজিরবিহীন ও ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল। ওই অভিজ্ঞতার পর নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোম নিয়ে বিস্তৃত পরীক্ষা চালিয়েছে ইসরায়েল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, দেশটির মিসাইল ডিফেন্স অর্গানাইজেশন এবং রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস যৌথভাবে আয়রন ডোমের বিস্তৃত পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ করেছে। তবে পরীক্ষা কোথায় বা কবে হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের উন্নত হুমকি মোকাবিলার সক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

মিসাইল ডিফেন্স অর্গানাইজেশনের পরিচালক মোশে প্যাটেল বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েল টানা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখোমুখি হয়েছে, যার নজির আগে ছিল না।

প্যাটেল বলেন, রকেট, ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে আয়রন ডোম এখনো ইসরায়েলের বহুস্তরবিশিষ্ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুদ্ধ চলাকালে আয়রন ডোম হাজারো রকেট ও আকাশপথের হুমকি প্রতিহত করেছে বলে দাবি করলেও, তাদের নিজেদের ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম এ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে, কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে আয়রন ডোম ব্যর্থ হয়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের চ্যানেল ১২–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনীর তদন্তে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা শুরুর সময় আয়রন ডোমে ‘গুরুতর ব্যর্থতার’ প্রমাণ মিলেছে।

তদন্তে দেখা যায়, হামলার প্রথম চার ঘণ্টায় ছোড়া প্রায় ৩ হাজার ৭০০টি রকেটের প্রায় অর্ধেকই প্রতিহত করা যায়নি। তখন কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাটারিগুলোর মজুতও শেষ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

বিষয়:

Ad 300x250

সম্পর্কিত