স্ট্রিম ডেস্ক

রাশিয়ার দুটি বড় তেল কোম্পানিকে নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘোষণা দিয়েছে—এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কোনো দেশ তেল কিনলে তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। তবে ইউরোপে একমাত্র হাঙ্গেরি এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
শুক্রবার (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ট্রাম্প বলেন, ‘রাশিয়া ছাড়া অন্য কোনো দেশ থেকে তেল বা গ্যাস কেনা হাঙ্গেরির পক্ষে খুব কঠিন। তাই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে ওদের ছাড় দেওয়া হবে।’ তবে হোয়াইট হাউজ শনিবার স্পষ্ট করে জানায়, ছাড়টি এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।
প্রায় চার বছর ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ চলছে। ওয়াশিংটনের দাবি, রাশিয়া তেলের ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ দিয়েই যুদ্ধ পরিচালনা করছে। তাই রুশ তেলের রপ্তানি বন্ধ করে চাপ বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। একই কারণে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর মার্কিন পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
হাঙ্গেরির ছাড়কে তাই ইউরোপে ব্যতিক্রম হিসেবেই দেখা হচ্ছে। দেশটি ইউরোপের মাঝখানে স্থলবেষ্টিত—চারদিকেই অন্য দেশ, নেই কোনো সমুদ্রপথ। প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, ইউক্রেন, রোমানিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে ঘেরা এই দেশের জন্য রাশিয়ার তেলই প্রধান জ্বালানি উৎস।
সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অরবানের যুক্তি ছিল, ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে রাশিয়া ছাড়া বিকল্প উৎস পাওয়া সম্ভব নয়। আগামী বছর সে দেশে নির্বাচন সামনে রেখে সস্তা তেলের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
বৈঠকের পর ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তাঁর ভাষায়, ‘পুতিনকে বোঝেন অরবান, ওঁকে খুব ভালো করে চেনেন। তিনিও মনে করছেন, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে।’
রাশিয়ার জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হাঙ্গেরি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটি রাশিয়া থেকে ৭৪ শতাংশ গ্যাস ও ৮৬ শতাংশ তেল আমদানি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তবে হাঙ্গেরির জিডিপির ৪ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইএমএফ।
অরবানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সমঝোতা না হলে জ্বালানির দাম বেড়ে অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনে ‘অসহনীয় চাপ’ পড়ত।
সূত্র: আল-জাজিরা

রাশিয়ার দুটি বড় তেল কোম্পানিকে নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘোষণা দিয়েছে—এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কোনো দেশ তেল কিনলে তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। তবে ইউরোপে একমাত্র হাঙ্গেরি এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
শুক্রবার (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ট্রাম্প বলেন, ‘রাশিয়া ছাড়া অন্য কোনো দেশ থেকে তেল বা গ্যাস কেনা হাঙ্গেরির পক্ষে খুব কঠিন। তাই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে ওদের ছাড় দেওয়া হবে।’ তবে হোয়াইট হাউজ শনিবার স্পষ্ট করে জানায়, ছাড়টি এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।
প্রায় চার বছর ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ চলছে। ওয়াশিংটনের দাবি, রাশিয়া তেলের ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ দিয়েই যুদ্ধ পরিচালনা করছে। তাই রুশ তেলের রপ্তানি বন্ধ করে চাপ বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। একই কারণে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর মার্কিন পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
হাঙ্গেরির ছাড়কে তাই ইউরোপে ব্যতিক্রম হিসেবেই দেখা হচ্ছে। দেশটি ইউরোপের মাঝখানে স্থলবেষ্টিত—চারদিকেই অন্য দেশ, নেই কোনো সমুদ্রপথ। প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, ইউক্রেন, রোমানিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে ঘেরা এই দেশের জন্য রাশিয়ার তেলই প্রধান জ্বালানি উৎস।
সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেন হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অরবানের যুক্তি ছিল, ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে রাশিয়া ছাড়া বিকল্প উৎস পাওয়া সম্ভব নয়। আগামী বছর সে দেশে নির্বাচন সামনে রেখে সস্তা তেলের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
বৈঠকের পর ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তাঁর ভাষায়, ‘পুতিনকে বোঝেন অরবান, ওঁকে খুব ভালো করে চেনেন। তিনিও মনে করছেন, যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে।’
রাশিয়ার জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হাঙ্গেরি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটি রাশিয়া থেকে ৭৪ শতাংশ গ্যাস ও ৮৬ শতাংশ তেল আমদানি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তবে হাঙ্গেরির জিডিপির ৪ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইএমএফ।
অরবানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সমঝোতা না হলে জ্বালানির দাম বেড়ে অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনে ‘অসহনীয় চাপ’ পড়ত।
সূত্র: আল-জাজিরা
.png)

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তরুণদের আন্দোলনে চ্যালেঞ্জে পড়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) কয়েক দিনের আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।
১৫ মিনিট আগে
যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৫ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৭ ঘণ্টা আগে