পাকিস্তানের হুনজা উপত্যকায় বন্যায় বন্ধ হয়ে গেছে উত্তর পাকিস্তান ও চীনকে সংযুক্তকারী কারাকোরাম মহাসড়ক।
স্ট্রিম ডেস্ক

পাকিস্তানের গিলগিট-বালটিস্তানের হুনজা উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপত্যকার হিমবাহগুলো দ্রুতগতিতে গলতে থাকায় এ বন্যার সূত্রপাত হয়। এতে বন্ধ হয়ে গেছে উত্তর পাকিস্তান ও চীনকে সংযুক্তকারী কারাকোরাম মহাসড়ক।
পাকিস্তানের দৈনিক দ্য ডন ফায়জুল্লাহ ফারাক নামে সরকারি এক মুখপাত্রের বরাতে এই খবর দিয়েছে।
ফায়জুল্লাহ ফারাক দ্য ডনকে জানান, হুনজা উপত্যকায় কারাকোরাম মহাসড়কের একটি অংশ নদীর আকস্মিক পানি প্রবাহে আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, গিলগিট-বালটিস্তানের নদীগুলোর পানি উপচে পড়ায় হাইওয়ের ওই অংশটি বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি জানান, গিলগিট-বালটিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী করাকোরাম মহাসড়ক দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সড়কটির মরখন এলাকায় পুনরুদ্ধারের কাজে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হ্রদগুলোর পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় নৌকা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যারা পর্যটকদের নৌকায় করে হ্রদে ঘুরতে নিয়ে যাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যাচ্ছে, গ্রাম ও বিভিন্ন অবকাঠামোর ওপর দিয়ে তীব্র স্রোতের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে সড়ক বন্ধ থাকায় দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
জুন মাস থেকে পাকিস্তান একাধিকবার অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, হিমবাহ হ্রদের আকস্মিক পানি উপচে পড়া এবং প্রবল মৌসুমি বৃষ্টিজনিত আকস্মিক বন্যার মুখোমুখি হয়েছে। গিলগিট-বালটিস্তান এসব চরম আবহাওয়ার ঘটনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল।
দু সপ্তাহ আগে বৃষ্টিজনিত বন্যায় গিলগিট-বালটিস্তানের বাবুসার এলাকায় কয়েকজন পর্যটক নিখোঁজ হয়।
এর আগে গত মাসে ভূমিধসের কারণে কারাকোরাম মহাসড়কসহ একাধিক সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিদেশি পর্যটকসহ কয়েক হাজার মানুষ গিলগিট-বালটিস্তানের বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়েন।
বিশেষজ্ঞেরা সতর্ক করেছেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মিলিয়ে হিমবাহ হ্রদের পানির আকস্মিক উপচে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। এই আকস্মিক বন্যা গিলগিট-বালটিস্তানের মতো পার্বত্য অঞ্চলের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

পাকিস্তানের গিলগিট-বালটিস্তানের হুনজা উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপত্যকার হিমবাহগুলো দ্রুতগতিতে গলতে থাকায় এ বন্যার সূত্রপাত হয়। এতে বন্ধ হয়ে গেছে উত্তর পাকিস্তান ও চীনকে সংযুক্তকারী কারাকোরাম মহাসড়ক।
পাকিস্তানের দৈনিক দ্য ডন ফায়জুল্লাহ ফারাক নামে সরকারি এক মুখপাত্রের বরাতে এই খবর দিয়েছে।
ফায়জুল্লাহ ফারাক দ্য ডনকে জানান, হুনজা উপত্যকায় কারাকোরাম মহাসড়কের একটি অংশ নদীর আকস্মিক পানি প্রবাহে আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, গিলগিট-বালটিস্তানের নদীগুলোর পানি উপচে পড়ায় হাইওয়ের ওই অংশটি বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি জানান, গিলগিট-বালটিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী করাকোরাম মহাসড়ক দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সড়কটির মরখন এলাকায় পুনরুদ্ধারের কাজে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হ্রদগুলোর পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় নৌকা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যারা পর্যটকদের নৌকায় করে হ্রদে ঘুরতে নিয়ে যাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা যাচ্ছে, গ্রাম ও বিভিন্ন অবকাঠামোর ওপর দিয়ে তীব্র স্রোতের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে সড়ক বন্ধ থাকায় দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
জুন মাস থেকে পাকিস্তান একাধিকবার অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, হিমবাহ হ্রদের আকস্মিক পানি উপচে পড়া এবং প্রবল মৌসুমি বৃষ্টিজনিত আকস্মিক বন্যার মুখোমুখি হয়েছে। গিলগিট-বালটিস্তান এসব চরম আবহাওয়ার ঘটনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল।
দু সপ্তাহ আগে বৃষ্টিজনিত বন্যায় গিলগিট-বালটিস্তানের বাবুসার এলাকায় কয়েকজন পর্যটক নিখোঁজ হয়।
এর আগে গত মাসে ভূমিধসের কারণে কারাকোরাম মহাসড়কসহ একাধিক সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিদেশি পর্যটকসহ কয়েক হাজার মানুষ গিলগিট-বালটিস্তানের বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়েন।
বিশেষজ্ঞেরা সতর্ক করেছেন, তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মিলিয়ে হিমবাহ হ্রদের পানির আকস্মিক উপচে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। এই আকস্মিক বন্যা গিলগিট-বালটিস্তানের মতো পার্বত্য অঞ্চলের জন্য ক্রমবর্ধমান হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৬ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৮ ঘণ্টা আগে