সিঙ্গাপুরে গান গাইতে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন
স্ট্রিম ডেস্ক

সিঙ্গাপুরে আসামের জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু ঘিরে রহস্য আরও জটিল হচ্ছে। সিঙ্গাপুর হাইকমিশন থেকে মৃত্যুসনদ পাওয়া গেলেও ভারতে আবার নতুন করে ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে সেই রিপোর্ট এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ভক্তরা কেউই স্পষ্ট উত্তর পাচ্ছেন না।
বিশেষ তদন্ত দল (সিট) গঠন
এদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জুবিনের মৃত্যুর তদন্তে বিশেষ তদন্ত দল (সিট) গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ‘জুবিন গর্গের অকাল প্রয়াণে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না ৷ আমি আসামের ডিজিপি, এডিজিপি, সিআইডির উচ্চকর্তারা ও চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমি ডিজিপিকে নির্দেশ দিয়েছি আসামের সেরা পুলিশ অফিসারদের নিয়ে বিশেষ দল বানাতে। ইতিমধ্যেই গায়কের ভিসেরা স্যাম্পেল দিল্লির সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সিটকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে শিল্পীর মৃত্যু তদন্তের জন্য।’
সিবিআই তদন্তের দাবি বিরোধী দলগুলোর
জুবিন ছিলেন আসামের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। তাঁর হঠাৎ মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না ভক্তরা। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো সরাসরি সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছে। বিরোধী দলনেতা দেবব্রত সাইকিয়া রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে সিবিআই তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে, আসাম জাতীয় পরিষদও একই দাবি তুলেছে। এমনকি গুয়াহাটি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন এক ব্যক্তি, যেখানে আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের আবেদন করা হয়েছে।
এদিকে নানা প্রশ্ন উঠছে জুবিনের মৃত্যুকে ঘিরে। শোনা যাচ্ছে, তিনি নাকি প্রথমে সিঙ্গাপুরে নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যেতে চাননি। যাওয়ার আগেও নাকি তিনি ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, তাঁকে জোর করা হয়েছে এই ফেস্টিভ্যালে যোগ দেওয়ার জন্য।
বিরোধী এক নেতার অভিযোগ, জুবিনকে সীমিতসংখ্যক সঙ্গী নিয়ে সিঙ্গাপুরে যেতে বলা হয়েছিল বলে শোনা যাচ্ছে, যা স্বাভাবিক নয়। এতে তাঁর নিরাপত্তা কমে যায় এবং সন্দেহ বাড়ে। তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন ফেস্টিভ্যাল আয়োজক শ্যামকানু মহন্তের বিপরীতধর্মী বক্তব্য নিয়েও।
আয়োজক শ্যামকানু মহন্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
আসাম সরকার ইতিমধ্যেই আয়োজক শ্যামকানু মহন্ত ও তাঁর ইভেন্ট ম্যানেজম্যান্ট প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করেছে। শ্যামকানু বর্তমানে রাজ্য তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার ভাস্কর জ্যোতি মহন্তের ছোট ভাই।
শ্যামকানুর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ব্যক্তিগত লাভের জন্য গোপনে সিঙ্গাপুরে ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করেন তিনি। এমনকি অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও জুবিনকে সিঙ্গাপুরে যেতে চাপ প্রয়োগ করেছেন।
এদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা করেছেন, রাজ্যে শ্যামকানু বা তাঁর প্রতিষ্ঠানের কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনে অনুমতি দেওয়া হবে না। সরকার তাঁদের সঙ্গে জড়িত কোনো আয়োজনকে অর্থ, বিজ্ঞাপন বা পৃষ্ঠপোষকতাও দেবে না।
অভিযোগ অনুযায়ী, শ্যামকানু দীর্ঘদিন ধরে জুবিনকে দিয়ে অনুষ্ঠান করিয়ে সরকার ও কেন্দ্রের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করেছেন। নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি আসামের বাইরে আত্মগোপনে আছেন।
এদিকে শ্যামকানু মহন্ত ও জুবিন গার্গের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ৫০টিরও বেশি মামলা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এসব মামলা একত্রিত করে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হবে। যেভাবেই হোক গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু ও এর পেছনের আসল কারণ খুঁজে বের করবে সিআইডি।

সিঙ্গাপুরে আসামের জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু ঘিরে রহস্য আরও জটিল হচ্ছে। সিঙ্গাপুর হাইকমিশন থেকে মৃত্যুসনদ পাওয়া গেলেও ভারতে আবার নতুন করে ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে সেই রিপোর্ট এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ভক্তরা কেউই স্পষ্ট উত্তর পাচ্ছেন না।
বিশেষ তদন্ত দল (সিট) গঠন
এদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জুবিনের মৃত্যুর তদন্তে বিশেষ তদন্ত দল (সিট) গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, ‘জুবিন গর্গের অকাল প্রয়াণে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না ৷ আমি আসামের ডিজিপি, এডিজিপি, সিআইডির উচ্চকর্তারা ও চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমি ডিজিপিকে নির্দেশ দিয়েছি আসামের সেরা পুলিশ অফিসারদের নিয়ে বিশেষ দল বানাতে। ইতিমধ্যেই গায়কের ভিসেরা স্যাম্পেল দিল্লির সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সিটকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে শিল্পীর মৃত্যু তদন্তের জন্য।’
সিবিআই তদন্তের দাবি বিরোধী দলগুলোর
জুবিন ছিলেন আসামের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। তাঁর হঠাৎ মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না ভক্তরা। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো সরাসরি সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছে। বিরোধী দলনেতা দেবব্রত সাইকিয়া রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে সিবিআই তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে, আসাম জাতীয় পরিষদও একই দাবি তুলেছে। এমনকি গুয়াহাটি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন এক ব্যক্তি, যেখানে আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের আবেদন করা হয়েছে।
এদিকে নানা প্রশ্ন উঠছে জুবিনের মৃত্যুকে ঘিরে। শোনা যাচ্ছে, তিনি নাকি প্রথমে সিঙ্গাপুরে নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যেতে চাননি। যাওয়ার আগেও নাকি তিনি ঘনিষ্ঠদের বলেছেন, তাঁকে জোর করা হয়েছে এই ফেস্টিভ্যালে যোগ দেওয়ার জন্য।
বিরোধী এক নেতার অভিযোগ, জুবিনকে সীমিতসংখ্যক সঙ্গী নিয়ে সিঙ্গাপুরে যেতে বলা হয়েছিল বলে শোনা যাচ্ছে, যা স্বাভাবিক নয়। এতে তাঁর নিরাপত্তা কমে যায় এবং সন্দেহ বাড়ে। তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন ফেস্টিভ্যাল আয়োজক শ্যামকানু মহন্তের বিপরীতধর্মী বক্তব্য নিয়েও।
আয়োজক শ্যামকানু মহন্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
আসাম সরকার ইতিমধ্যেই আয়োজক শ্যামকানু মহন্ত ও তাঁর ইভেন্ট ম্যানেজম্যান্ট প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করেছে। শ্যামকানু বর্তমানে রাজ্য তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার ভাস্কর জ্যোতি মহন্তের ছোট ভাই।
শ্যামকানুর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, ব্যক্তিগত লাভের জন্য গোপনে সিঙ্গাপুরে ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করেন তিনি। এমনকি অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও জুবিনকে সিঙ্গাপুরে যেতে চাপ প্রয়োগ করেছেন।
এদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা করেছেন, রাজ্যে শ্যামকানু বা তাঁর প্রতিষ্ঠানের কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনে অনুমতি দেওয়া হবে না। সরকার তাঁদের সঙ্গে জড়িত কোনো আয়োজনকে অর্থ, বিজ্ঞাপন বা পৃষ্ঠপোষকতাও দেবে না।
অভিযোগ অনুযায়ী, শ্যামকানু দীর্ঘদিন ধরে জুবিনকে দিয়ে অনুষ্ঠান করিয়ে সরকার ও কেন্দ্রের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করেছেন। নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি আসামের বাইরে আত্মগোপনে আছেন।
এদিকে শ্যামকানু মহন্ত ও জুবিন গার্গের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ৫০টিরও বেশি মামলা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এসব মামলা একত্রিত করে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হবে। যেভাবেই হোক গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু ও এর পেছনের আসল কারণ খুঁজে বের করবে সিআইডি।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৫ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৭ ঘণ্টা আগে