ফরেন পলিসির প্রতিবেদন
স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ তৃতীয় মাসে গড়িয়েছে। গত দুইশ বছরের আন্তর্জাতিক সংঘাতের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এই ধরনের যুদ্ধ সাধারণত তিন-চার মাস স্থায়ী হয়। কিন্তু ইরান যুদ্ধের তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ তো নেই-ই, বরং দীর্ঘস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী অচলাবস্থার দিকে মোড় নিচ্ছে।
এই যুদ্ধের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে পরিবর্তন এবং ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক অ্যারন ডেভিড মিলার এবং ড্যানিয়েল কার্টজারের মতে, এই যুদ্ধ শেষমেশ ট্রাম্পের জন্য গভীর অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শুক্রবার (১ মে) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম ফরেন পলিসির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের লাভের বদলে হতাশার ঝুলি ভারি হচ্ছে বেশি।
শান্তি চুক্তির আলোচনা হলেও মধ্যপ্রাচ্যের অচলাবস্থা ‘নিউ নরমাল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। বিপরীতে মার্কিন নৌ-অবরোধ ইরানকে বিপর্যস্ত করছে। কিন্তু কোনো পক্ষই চূড়ান্ত বিজয় পায়নি।
নৌ-অবরোধ তুলে নিলে হরমুজ খুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে ইরান। ট্রাম্প প্রশাসন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত অর্ধশতাব্দীর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের দিকে তাকালে দেখা যায়, সংঘাত ও সমঝোতার এই চক্র বারবার ফিরে এসেছে। এবারের যুদ্ধে কুশীলব ভিন্ন হতে পারে, কৌশল আরও কঠোর হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাব বেশি বিধ্বংসী হতে পারে, কিন্তু ফলাফল আগের মতোই অমীমাংসিত থাকার সম্ভাবনা বেশি।
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আদর্শিক চুক্তি করা অসম্ভব। বিগত মার্কিন প্রশাসনগুলো এই বাস্তবতা অনুধাবন করেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে জন্য ‘জেসিপিওএ’র মতো পথ বেছে নিয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প সেই পথ থেকে সরে এসে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছেন।
জাতীয়তাবাদ ও ধর্মতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ইরানের শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তিই হলো জায়নবাদ ও আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদের’ বিরোধিতা। দুই মাসের এই যুদ্ধ ইরানিদের মনোভাবকে আরও কঠোর করেছে এবং দেশের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ইচ্ছাকে আরও দৃঢ় করেছে।
এমতাবস্থায় কোনো পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছানোর যে ক্ষীণ সম্ভাবনা যুদ্ধের শুরুতে ছিল, তাও এখন মিলিয়ে যাচ্ছে। তেহরান এখন নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে এতটাই মরিয়া, কোনো ছাড় দেওয়াকে তারা পরাজয় হিসেবে গণ্য করবে।
এই যুদ্ধের আগে হরমুজ খোলা ছিল। যুদ্ধ শুরুর পরেই ইরান এই জলপথ বন্ধ করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র এখন আবার হরমুজ খুলে দেওয়ার জন্য নৌ-অবরোধ দিয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিহাস হলো—এখন হরমুজ খোলার জন্য ট্রাম্পকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এত সহজে বা সস্তায় ছেড়ে দেবে না। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি পথ খোলা আছে। প্রথমত, ইরানের নতি স্বীকারের আশায় অবরোধ বজায় রাখা; দ্বিতীয়ত, নৌ ও স্থল অভিযান চালিয়ে জোর করে প্রণালি খোলা; তৃতীয়ত, হরমুজ খুলে দেওয়ার বিনিময়ে অবরোধ তুলে নেওয়া।
এই প্রতিটি বিকল্পই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লজ্জার এবং প্রমাণ করে, ট্রাম্প আসলে ইরানের পাতানো ফাঁদেই পা দিয়েছেন।
যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভূমিকা যাই থাক না কেন, যুদ্ধের সমাপ্তিতে তার প্রভাব খুব একটা কার্যকর হবে না। তবে ইসরায়েল নিশ্চিত করতে চাইবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই সংঘাত কোনো না কোনোভাবে যেন টিকে থাকে।
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে মিল থাকলেও একটি জায়গায় তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত। ইসরায়েলের জন্য ইরান অস্তিত্বের সংকট হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়।
নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছিলেন, এই যুদ্ধ সংক্ষিপ্ত হবে এবং এর মাধ্যমে ইরানের পতন ঘটবে। কিন্তু উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় নেতানিয়াহুর এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গ্রহণযোগ্যতা এখন তলানিতে।
অন্যদিকে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ ট্রাম্পের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েলের এমন উদ্ধত আচরণ ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
সংঘাত নিরসনের তাত্ত্বিক কাঠামো অনুযায়ী, যুদ্ধ তখনই থামে যখন উভয় পক্ষ বুঝতে পারে, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে সমঝোতাই বেশি লাভজনক। কিন্তু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয়ই মনে করছে তারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে এবং যুদ্ধের খরচ বহন করতে পারবে।
তবে কে বিজয়ী—এই প্রশ্নের জবাবে ইরান বিশেষ সুবিধা পাবে। দেশটির ব্যাপক সামরিক ক্ষতি হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক লক্ষ্যমাত্রা পিছিয়ে গেছে। কিন্তু ইরানের কাছে বিজয়ের অর্থ হলো বর্তমান শাসনব্যবস্থার টিকে থাকা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।
ফরেন পলিসির প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প এক ঝটকায় বিজয় আর সস্তা জনপ্রিয়তার খোঁজে এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ট্রাম্প এখন চোরাবালিতে আটকে গেছেন। এই ‘যুদ্ধ’ হয়তো ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় অনুশোচনা হয়ে ইতিহাসে লেখা থাকবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ তৃতীয় মাসে গড়িয়েছে। গত দুইশ বছরের আন্তর্জাতিক সংঘাতের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এই ধরনের যুদ্ধ সাধারণত তিন-চার মাস স্থায়ী হয়। কিন্তু ইরান যুদ্ধের তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ তো নেই-ই, বরং দীর্ঘস্থায়ী ও রক্তক্ষয়ী অচলাবস্থার দিকে মোড় নিচ্ছে।
এই যুদ্ধের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে পরিবর্তন এবং ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক অ্যারন ডেভিড মিলার এবং ড্যানিয়েল কার্টজারের মতে, এই যুদ্ধ শেষমেশ ট্রাম্পের জন্য গভীর অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শুক্রবার (১ মে) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম ফরেন পলিসির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের লাভের বদলে হতাশার ঝুলি ভারি হচ্ছে বেশি।
শান্তি চুক্তির আলোচনা হলেও মধ্যপ্রাচ্যের অচলাবস্থা ‘নিউ নরমাল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে। বিপরীতে মার্কিন নৌ-অবরোধ ইরানকে বিপর্যস্ত করছে। কিন্তু কোনো পক্ষই চূড়ান্ত বিজয় পায়নি।
নৌ-অবরোধ তুলে নিলে হরমুজ খুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে ইরান। ট্রাম্প প্রশাসন সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত অর্ধশতাব্দীর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের দিকে তাকালে দেখা যায়, সংঘাত ও সমঝোতার এই চক্র বারবার ফিরে এসেছে। এবারের যুদ্ধে কুশীলব ভিন্ন হতে পারে, কৌশল আরও কঠোর হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাব বেশি বিধ্বংসী হতে পারে, কিন্তু ফলাফল আগের মতোই অমীমাংসিত থাকার সম্ভাবনা বেশি।
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আদর্শিক চুক্তি করা অসম্ভব। বিগত মার্কিন প্রশাসনগুলো এই বাস্তবতা অনুধাবন করেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে জন্য ‘জেসিপিওএ’র মতো পথ বেছে নিয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প সেই পথ থেকে সরে এসে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছেন।
জাতীয়তাবাদ ও ধর্মতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ইরানের শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তিই হলো জায়নবাদ ও আমেরিকার ‘সাম্রাজ্যবাদের’ বিরোধিতা। দুই মাসের এই যুদ্ধ ইরানিদের মনোভাবকে আরও কঠোর করেছে এবং দেশের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ইচ্ছাকে আরও দৃঢ় করেছে।
এমতাবস্থায় কোনো পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছানোর যে ক্ষীণ সম্ভাবনা যুদ্ধের শুরুতে ছিল, তাও এখন মিলিয়ে যাচ্ছে। তেহরান এখন নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে এতটাই মরিয়া, কোনো ছাড় দেওয়াকে তারা পরাজয় হিসেবে গণ্য করবে।
এই যুদ্ধের আগে হরমুজ খোলা ছিল। যুদ্ধ শুরুর পরেই ইরান এই জলপথ বন্ধ করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র এখন আবার হরমুজ খুলে দেওয়ার জন্য নৌ-অবরোধ দিয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিহাস হলো—এখন হরমুজ খোলার জন্য ট্রাম্পকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান তাদের এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এত সহজে বা সস্তায় ছেড়ে দেবে না। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন তিনটি পথ খোলা আছে। প্রথমত, ইরানের নতি স্বীকারের আশায় অবরোধ বজায় রাখা; দ্বিতীয়ত, নৌ ও স্থল অভিযান চালিয়ে জোর করে প্রণালি খোলা; তৃতীয়ত, হরমুজ খুলে দেওয়ার বিনিময়ে অবরোধ তুলে নেওয়া।
এই প্রতিটি বিকল্পই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লজ্জার এবং প্রমাণ করে, ট্রাম্প আসলে ইরানের পাতানো ফাঁদেই পা দিয়েছেন।
যুদ্ধের শুরুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভূমিকা যাই থাক না কেন, যুদ্ধের সমাপ্তিতে তার প্রভাব খুব একটা কার্যকর হবে না। তবে ইসরায়েল নিশ্চিত করতে চাইবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই সংঘাত কোনো না কোনোভাবে যেন টিকে থাকে।
ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে মিল থাকলেও একটি জায়গায় তাদের অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত। ইসরায়েলের জন্য ইরান অস্তিত্বের সংকট হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়।
নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছিলেন, এই যুদ্ধ সংক্ষিপ্ত হবে এবং এর মাধ্যমে ইরানের পতন ঘটবে। কিন্তু উদ্দেশ্য সফল না হওয়ায় নেতানিয়াহুর এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের গ্রহণযোগ্যতা এখন তলানিতে।
অন্যদিকে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ ট্রাম্পের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েলের এমন উদ্ধত আচরণ ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
সংঘাত নিরসনের তাত্ত্বিক কাঠামো অনুযায়ী, যুদ্ধ তখনই থামে যখন উভয় পক্ষ বুঝতে পারে, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে সমঝোতাই বেশি লাভজনক। কিন্তু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয়ই মনে করছে তারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে এবং যুদ্ধের খরচ বহন করতে পারবে।
তবে কে বিজয়ী—এই প্রশ্নের জবাবে ইরান বিশেষ সুবিধা পাবে। দেশটির ব্যাপক সামরিক ক্ষতি হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক লক্ষ্যমাত্রা পিছিয়ে গেছে। কিন্তু ইরানের কাছে বিজয়ের অর্থ হলো বর্তমান শাসনব্যবস্থার টিকে থাকা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।
ফরেন পলিসির প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প এক ঝটকায় বিজয় আর সস্তা জনপ্রিয়তার খোঁজে এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ট্রাম্প এখন চোরাবালিতে আটকে গেছেন। এই ‘যুদ্ধ’ হয়তো ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় অনুশোচনা হয়ে ইতিহাসে লেখা থাকবে।

দক্ষিণ লেবাননে এক ইসরায়েলি সেনার হাতে যিশুর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রধান ধর্মীয় সংস্থা ‘চিফ রাব্বিনেট’।
৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে ইরানের কূটনৈতিক সূত্র আল-জাজিরাকে জানিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
একটি ভিডিও গেমের দৃশ্যের মতো—সাদা তুষারের পোশাক পরা তিন ক্লান্ত সৈনিক একটি ধ্বংসস্তূপ থেকে হাত তুলে বেরিয়ে আসে। তারা নির্দেশ শুনে হাঁটু গেড়ে বসে। তাদের মুখে স্পষ্ট ভয় আর হতভম্ব ভাব।
৩ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ভোট গণনার আগে ইভিএম কারচুপির অভিযোগে তৃণমূল ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে গণনাকেন্দ্র পরিদর্শন করে জালিয়াতির অভিযোগ তুললে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়।
৭ ঘণ্টা আগে