পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন
স্ট্রিম ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ভোট গণনার আগে ইভিএম কারচুপির অভিযোগে তৃণমূল ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে গণনাকেন্দ্র পরিদর্শন করে জালিয়াতির অভিযোগ তুললে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়।
তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের অনুপস্থিতিতেই নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি যোগসাজশ করে ব্যালট বক্স ও ইভিএম খুলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও শেয়ার করে তৃণমূল দাবি করে, এটি প্রকাশ্যে ভোট জালিয়াতির একটি নজির। স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল একে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের গণনাকেন্দ্র শাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছান। তিনি অভিযোগ করেন, কর্মকর্তাদের ওপর ‘চাপ’ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে প্রথমে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজে দেখেছি নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে বহিরাগতরা ঢুকেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী বা এজেন্টকে সিল করা ঘরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রথমে আমাকে ঢুকতে দেয়নি। কোনো অদৃশ্য সুপারপাওয়ার এই কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিচ্ছে।’
তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে খুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে ধরনায় বসেন। কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাঁদের জানানো হয়েছে পোস্টাল ব্যালট আলাদা করা হচ্ছে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় এজেন্টদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়নি।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, বিজেপি বহিরাগতদের এনে স্টেডিয়ামের বাইরে মিডিয়া তামাশা তৈরি করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়াচ্ছে।
বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় তৃণমূলের এই অভিযোগকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘তারা হার নিশ্চিত জেনেই এমন মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। সেখানে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে এবং সবকিছু নিয়ম মেনেই হচ্ছে। ভোট গণনার আগে ভয় পেয়ে তারা এসব রটাচ্ছে।’
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও মমতার এই তৎপরতাকে ‘নিয়মের বাইরে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং মমতাকে নিয়ম মেনে চলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করা হয়নি এবং স্ট্রংরুমের ফুটেজ লাইভ টেলিকাস্ট করা হচ্ছে। তিনি জানান, ইভিএম রাখা স্ট্রংরুমগুলো পুরোপুরি সিল করা আছে এবং শুধুমাত্র পোস্টাল ব্যালটের কক্ষ নিয়মানুযায়ী খোলা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: দ্য ওয়্যার

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ভোট গণনার আগে ইভিএম কারচুপির অভিযোগে তৃণমূল ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে গণনাকেন্দ্র পরিদর্শন করে জালিয়াতির অভিযোগ তুললে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়।
তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের অনুপস্থিতিতেই নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি যোগসাজশ করে ব্যালট বক্স ও ইভিএম খুলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও শেয়ার করে তৃণমূল দাবি করে, এটি প্রকাশ্যে ভোট জালিয়াতির একটি নজির। স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল একে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের গণনাকেন্দ্র শাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছান। তিনি অভিযোগ করেন, কর্মকর্তাদের ওপর ‘চাপ’ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে প্রথমে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজে দেখেছি নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে বহিরাগতরা ঢুকেছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী বা এজেন্টকে সিল করা ঘরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রথমে আমাকে ঢুকতে দেয়নি। কোনো অদৃশ্য সুপারপাওয়ার এই কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিচ্ছে।’
তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে খুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে ধরনায় বসেন। কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাঁদের জানানো হয়েছে পোস্টাল ব্যালট আলাদা করা হচ্ছে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় এজেন্টদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়নি।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, বিজেপি বহিরাগতদের এনে স্টেডিয়ামের বাইরে মিডিয়া তামাশা তৈরি করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়াচ্ছে।
বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় তৃণমূলের এই অভিযোগকে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘তারা হার নিশ্চিত জেনেই এমন মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। সেখানে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে এবং সবকিছু নিয়ম মেনেই হচ্ছে। ভোট গণনার আগে ভয় পেয়ে তারা এসব রটাচ্ছে।’
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও মমতার এই তৎপরতাকে ‘নিয়মের বাইরে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং মমতাকে নিয়ম মেনে চলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করা হয়নি এবং স্ট্রংরুমের ফুটেজ লাইভ টেলিকাস্ট করা হচ্ছে। তিনি জানান, ইভিএম রাখা স্ট্রংরুমগুলো পুরোপুরি সিল করা আছে এবং শুধুমাত্র পোস্টাল ব্যালটের কক্ষ নিয়মানুযায়ী খোলা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: দ্য ওয়্যার

যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র অসত্য তথ্য দিচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তাঁর মতে, এই যুদ্ধে আমেরিকার ১০০ বিলিয়ন ডলারের (১২ লক্ষ কোটি টাকা) বেশি খরচ হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফর ইরানের যুদ্ধের বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখতে পারে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো। চীন সফর এগিয়ে আসায় ট্রাম্প এখন এই যুদ্ধে তার হাতে থাকা সুযোগগুলো যাচাই-বাছাই করছেন। খবর আলজাজিরার।
৭ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দিত্বে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। বৃহস্পতিবার একটি ছবিও প্রচার করা হয়েছে, যেখানে সু চি দুজন ইউনিফর্ম পরা ব্যক্তির সঙ্গে বসে আছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে রক্ষার ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পারস্য উপসাগর দিবসে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেন তিনি।
১ দিন আগে