স্ট্রিম ডেস্ক

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অভিবাসন পথে অন্তত ৭ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানায়, ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত অভিবাসন পথে মৃত্যুর সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
আইওএম-এর মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন পথ না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রাপথ বেছে নিচ্ছে। সংস্থাটি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, অভিবাসন পথে প্রাণহানি বন্ধে এখনই কার্যকর রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
২০২৫ সালের ৭ হাজার ৯০৪ জনের মৃত্যুর সংখ্যা ২০২৪ সালের ৯ হাজার ২০০ জনের চেয়ে কম হলেও, সংস্থাটি একে ‘বৈশ্বিক ব্যর্থতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
২০২৫ সালে আইওএম ইউরোপগামী সমুদ্রপথে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু বা নিখোঁজের ঘটনা রেকর্ড করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৩০ জন মারা গেছেন ভূমধ্যসাগরীয় পথে এবং ১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছেন পশ্চিম আফ্রিকা থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জগামী আটলান্টিক রুটে।
অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরে সমুদ্রযাত্রার সময় গত বছর প্রায় ৯০০ জনের মৃত্যু বা নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে, যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা শরণার্থী।
আইওএম-এর প্রধান অ্যামি পোপ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নীতিগত পরিবর্তনের কারণে অভিবাসনের পথ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। কিন্তু ঝুঁকিগুলো এখনো বাস্তব। এখনো অসংখ্য পরিবার তাঁদের স্বজনের অপেক্ষায় আছেন—যাঁরা হয়তো আর কখনোই আসবেন না।’
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আরও জানিয়েছে, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ অভিবাসীদের সংকটে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বজনদের নিখোঁজ হওয়ার ফলে এই পরিবারগুলো ভয়াবহ মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অভিবাসন পথে অন্তত ৭ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানায়, ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত অভিবাসন পথে মৃত্যুর সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
আইওএম-এর মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন পথ না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রাপথ বেছে নিচ্ছে। সংস্থাটি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, অভিবাসন পথে প্রাণহানি বন্ধে এখনই কার্যকর রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
২০২৫ সালের ৭ হাজার ৯০৪ জনের মৃত্যুর সংখ্যা ২০২৪ সালের ৯ হাজার ২০০ জনের চেয়ে কম হলেও, সংস্থাটি একে ‘বৈশ্বিক ব্যর্থতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
২০২৫ সালে আইওএম ইউরোপগামী সমুদ্রপথে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু বা নিখোঁজের ঘটনা রেকর্ড করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৩০ জন মারা গেছেন ভূমধ্যসাগরীয় পথে এবং ১ হাজার ২০০ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছেন পশ্চিম আফ্রিকা থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জগামী আটলান্টিক রুটে।
অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরে সমুদ্রযাত্রার সময় গত বছর প্রায় ৯০০ জনের মৃত্যু বা নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে, যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা শরণার্থী।
আইওএম-এর প্রধান অ্যামি পোপ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নীতিগত পরিবর্তনের কারণে অভিবাসনের পথ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। কিন্তু ঝুঁকিগুলো এখনো বাস্তব। এখনো অসংখ্য পরিবার তাঁদের স্বজনের অপেক্ষায় আছেন—যাঁরা হয়তো আর কখনোই আসবেন না।’
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আরও জানিয়েছে, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ অভিবাসীদের সংকটে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বজনদের নিখোঁজ হওয়ার ফলে এই পরিবারগুলো ভয়াবহ মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে