স্ট্রিম ডেস্ক

জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুরো ভাষণে ট্রাম্পের স্বভাবসুলভ রসিকতা, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও বিস্ফোরক মন্তব্যে ভর্তি। নির্ধারিত ১৫ মিনিটের পরিবর্তে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দেওয়া এই ভাষণে ট্রাম্প জাতিসংঘ থেকে শুরু করে মিত্র দেশ, অভিবাসন নীতি, জলবায়ু পরিবর্তন—কোনো কিছুকেই ছাড় দেননি।
ভাষণের শুরুতে সরাসরি আয়োজক সংস্থা জাতিসংঘকেই তীব্রভাবে আক্রমণ করেন ট্রাম্প। জাতিসংঘকে ‘ফাঁকা বুলির আড্ডাখানা’ বলে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘জাতিসংঘ তার সম্ভাবনার কাছাকাছিও আসছে না... ফাঁকা বুলি দিয়ে যুদ্ধ থামানো যায় না।’
ট্রাম্প তাঁর অতীত জীবনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, একজন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার হিসেবে তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তর পুনর্নির্মাণের জন্য দরপত্র জমা দিয়েছিলেন, কিন্তু সংস্থাটি তা গ্রহণ না করে নিম্নমানের পণ্য তৈরি করেছে।
ট্রাম্প তার ভাষণের একটি বড় অংশজুড়ে ইরানের প্রতি কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। ইরানকে ‘সন্ত্রাসের শীর্ষস্থানীয় পৃষ্ঠপোষক’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রের মতো বিপজ্জনক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যাবে না। চলতি বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে ট্রাম্প বলেন, ‘২২ বছর ধরে মানুষ করতে যা চেয়েছিল, আমরা তা করে দেখিয়েছি।’
বিশ্বজুড়ে উদার অভিবাসন নীতিকে ‘উন্মুক্ত সীমান্তের ব্যর্থ পরীক্ষা’ বলে অভিহিত করে তা শেষ করার আহ্বান জানান ট্রাম্প। সমবেত বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাদের দেশগুলো জাহান্নামে যাচ্ছে।’ ট্রাম্প দাবি করেন, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের মতো দেশের কারাগারগুলো বিদেশি বন্দিতে ভরে গেছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘ইউরোপ গুরুতর সমস্যায় পড়েছে কারণ অবৈধ ভিনদেশিরা স্রোতের মতো ঢুকছে।’ এসময় তিনি লন্ডনের মেয়র সাদিক খানকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে ‘ভয়াবহ মেয়র’ বলেও অভিহিত করেন। কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেন, ‘তারা শরিয়া আইন চালু করতে চায়।’
জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনকে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ট্রাম্প এই দাবি পুরোপুরি উড়িয়ে দেন। ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তন হুমকিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতারণা’ (গ্রেটেস্ট কন জব এভার পার্পেট্রেটেড ইন দ্য ওয়ার্ল্ড) বলে অভিহিত করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আর কোনো গ্লোবাল ওয়ার্মিং নয়, আর কোনো গ্লোবাল কুলিং নয়।’
এছাড়া বিশ্বনেতাদের ‘সবুজ কেলেঙ্কারি’ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘অন্যথায় তোমাদের দেশ ব্যর্থ হবে। এবং আমি ভবিষ্যদ্বাণী করতে সত্যিই পারদর্শী।’
ট্রাম্প তার ভাষণে দাবি করেন যে, তিনি তার দ্বিতীয় মেয়াদে সাতটি দীর্ঘস্থায়ী ও ‘অসমাপ্ত যুদ্ধ’ শেষ করেছেন। এই তালিকায় ট্রাম্প ভারত-পাকিস্তান, ইসরায়েল-ইরান, কসোভো-সার্বিয়া ও কঙ্গো-রুয়ান্ডার মতো জটিল সংঘাতের নাম উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট এর কাছাকাছি কিছুও কখনো করেননি এবং জাতিসংঘ এই সংকট সমাধানে সাহায্যের চেষ্টাও করেনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে তিনি ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, তারা রাশিয়ার জ্বালানি কিনে প্রকারান্তরে নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে অর্থায়ন করছে। ইউরোপকে এই বিষয়ে ‘আরও সক্রিয় হতে হবে’ বলে পরামর্শও দেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার চলমান বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে হামাসের জন্য ‘পুরস্কার’ হিসেবে আখ্যা দেন ট্রাম্প।
সব মিলিয়ে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ভাষণটি ছিল তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির এক বিশ্বমঞ্চীয় আস্ফালন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কোনো কূটনৈতিক বক্তব্য ছিল না, বরং ছিল তার সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া একটি নির্বাচনী সমাবেশের বক্তৃতা।

জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুরো ভাষণে ট্রাম্পের স্বভাবসুলভ রসিকতা, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও বিস্ফোরক মন্তব্যে ভর্তি। নির্ধারিত ১৫ মিনিটের পরিবর্তে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দেওয়া এই ভাষণে ট্রাম্প জাতিসংঘ থেকে শুরু করে মিত্র দেশ, অভিবাসন নীতি, জলবায়ু পরিবর্তন—কোনো কিছুকেই ছাড় দেননি।
ভাষণের শুরুতে সরাসরি আয়োজক সংস্থা জাতিসংঘকেই তীব্রভাবে আক্রমণ করেন ট্রাম্প। জাতিসংঘকে ‘ফাঁকা বুলির আড্ডাখানা’ বলে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘জাতিসংঘ তার সম্ভাবনার কাছাকাছিও আসছে না... ফাঁকা বুলি দিয়ে যুদ্ধ থামানো যায় না।’
ট্রাম্প তাঁর অতীত জীবনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, একজন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার হিসেবে তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তর পুনর্নির্মাণের জন্য দরপত্র জমা দিয়েছিলেন, কিন্তু সংস্থাটি তা গ্রহণ না করে নিম্নমানের পণ্য তৈরি করেছে।
ট্রাম্প তার ভাষণের একটি বড় অংশজুড়ে ইরানের প্রতি কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। ইরানকে ‘সন্ত্রাসের শীর্ষস্থানীয় পৃষ্ঠপোষক’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রের মতো বিপজ্জনক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যাবে না। চলতি বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে ট্রাম্প বলেন, ‘২২ বছর ধরে মানুষ করতে যা চেয়েছিল, আমরা তা করে দেখিয়েছি।’
বিশ্বজুড়ে উদার অভিবাসন নীতিকে ‘উন্মুক্ত সীমান্তের ব্যর্থ পরীক্ষা’ বলে অভিহিত করে তা শেষ করার আহ্বান জানান ট্রাম্প। সমবেত বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাদের দেশগুলো জাহান্নামে যাচ্ছে।’ ট্রাম্প দাবি করেন, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের মতো দেশের কারাগারগুলো বিদেশি বন্দিতে ভরে গেছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘ইউরোপ গুরুতর সমস্যায় পড়েছে কারণ অবৈধ ভিনদেশিরা স্রোতের মতো ঢুকছে।’ এসময় তিনি লন্ডনের মেয়র সাদিক খানকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে ‘ভয়াবহ মেয়র’ বলেও অভিহিত করেন। কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেন, ‘তারা শরিয়া আইন চালু করতে চায়।’
জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তনকে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ট্রাম্প এই দাবি পুরোপুরি উড়িয়ে দেন। ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তন হুমকিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতারণা’ (গ্রেটেস্ট কন জব এভার পার্পেট্রেটেড ইন দ্য ওয়ার্ল্ড) বলে অভিহিত করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আর কোনো গ্লোবাল ওয়ার্মিং নয়, আর কোনো গ্লোবাল কুলিং নয়।’
এছাড়া বিশ্বনেতাদের ‘সবুজ কেলেঙ্কারি’ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘অন্যথায় তোমাদের দেশ ব্যর্থ হবে। এবং আমি ভবিষ্যদ্বাণী করতে সত্যিই পারদর্শী।’
ট্রাম্প তার ভাষণে দাবি করেন যে, তিনি তার দ্বিতীয় মেয়াদে সাতটি দীর্ঘস্থায়ী ও ‘অসমাপ্ত যুদ্ধ’ শেষ করেছেন। এই তালিকায় ট্রাম্প ভারত-পাকিস্তান, ইসরায়েল-ইরান, কসোভো-সার্বিয়া ও কঙ্গো-রুয়ান্ডার মতো জটিল সংঘাতের নাম উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট এর কাছাকাছি কিছুও কখনো করেননি এবং জাতিসংঘ এই সংকট সমাধানে সাহায্যের চেষ্টাও করেনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে তিনি ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, তারা রাশিয়ার জ্বালানি কিনে প্রকারান্তরে নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে অর্থায়ন করছে। ইউরোপকে এই বিষয়ে ‘আরও সক্রিয় হতে হবে’ বলে পরামর্শও দেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার চলমান বৈশ্বিক প্রচেষ্টাকে হামাসের জন্য ‘পুরস্কার’ হিসেবে আখ্যা দেন ট্রাম্প।
সব মিলিয়ে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ভাষণটি ছিল তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির এক বিশ্বমঞ্চীয় আস্ফালন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কোনো কূটনৈতিক বক্তব্য ছিল না, বরং ছিল তার সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া একটি নির্বাচনী সমাবেশের বক্তৃতা।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর পুনর্গঠনে জব্দ করা ইরানি সম্পদ ব্যবহারের চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের চিন্তাভাবনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্রের বরাতে এমন তথ্য দিয়েছে সিএনএন।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলায় লেবাননে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। শনিবার দেশটিতে বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন একজন বিগ্রেডিয়ার জেনারেলসহ অন্তত ১২ জন। অথচ কয়েক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দেশ দুটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান শক্তিশালী ও অহংকারী হওয়ায় এখনো শান্তি চুক্তিতে সই করেনি বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, শেষ পর্যন্ত চুক্তি করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই তাঁদের।
১৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর ইসরায়েলের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির আশঙ্কায় মিত্রদেশটিকে ‘চরম’ নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (৬ জুন) এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে