স্ট্রিম ডেস্ক

নির্বাচনের আগে আবারও ভাঙনের মুখে পড়ল নেপালের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল ‘নেপালি কংগ্রেস’। এ নিয়ে ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটি তৃতীয়বারের মতো ভাঙনের মুখে পড়ল। আগামী মার্চের নেপালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দলটির সভাপতি শের বাহাদুর দেউবার সঙ্গে দুই প্রভাবশালী সাধারণ সম্পাদক—গগন থাপা ও বিশ্ব প্রকাশ শর্মার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বের জেরে এই ভাঙন দেখা দেয়। এর আগে ১৯৫৩ সালে বিশ্বেশ্বর প্রসাদ কৈরালা এবং মাতৃকা প্রসাদ কৈরালার দ্বন্দ্ব এবং ২০০২ সালে মাওবাদী বিদ্রোহ চলাকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা সংসদ ভেঙে দিলে দলটি বিভক্ত হয়েছিল। খবর
নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের এক খবরে বলা হয়, গতকাল দলের সভাপতি শের বাহাদুর দেউবা এবং দুই সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে সমঝোতার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দলের ৫৪ শতাংশ প্রতিনিধি একটি বিশেষ সম্মেলনের দাবি জানালেও দেউবা পক্ষ তা নাকচ করে দেয়। এরপরই থাপা ও শর্মা পক্ষ আলাদাভাবে বিশেষ সম্মেলনের ডাক দেন এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় গতকালই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পূর্ণ বাহাদুর খড়কার সভাপতিত্বে দেউবাপন্থী কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গগন থাপা, বিশ্ব প্রকাশ শর্মা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারমুল্লাহ মনসুরকে পাঁচ বছরের জন্য দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এই ভাঙনের ফলে আগামী ৫ মার্চের সংসদীয় নির্বাচন নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উভয় পক্ষই এখন ‘আসল’ নেপালি কংগ্রেস হিসেবে আইনি স্বীকৃতি পেতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। থাপা-শর্মা পক্ষ দাবি করেছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধিদের সমর্থন থাকায় তাদের বিশেষ সম্মেলনই বৈধ। অন্যদিকে, দেউবা পক্ষ কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের কথা কমিশনকে জানিয়ে দিয়েছে।
বহিষ্কারের খবরের প্রতিক্রিয়ায় গগন থাপা বলেন, নেপালি কংগ্রেস কারও ব্যক্তিগত কোম্পানি নয়। দেউবা নেতৃত্বাধীন কমিটি অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে, তাই তাদের কোনো সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি নেই। নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করে তারা দলীয় প্রতীক ‘গাছ’ নিয়েই নির্বাচনে লড়বেন।
সাধারণ সম্পাদক বিশ্ব প্রকাশ শর্মা বলেন, পরিবর্তিত সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দলকে আধুনিক করার চেষ্টা করায় আমাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তবে যে পদ আমি আজ সকালেই ছেড়েছি, সেখান থেকে আমাকে বহিষ্কার করার কোনো মানে হয় না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক শ্রীকৃষ্ণ অনিরুদ্ধ গৌতমের মতে, এই আইনি লড়াই দীর্ঘায়িত হতে পারে। উভয় পক্ষই এখন বৈধতা পাওয়ার লড়াইয়ে নামবে। বিষয়টি আদালতে গড়ালে ৫ মার্চের নির্বাচনে তার বড় প্রভাব পড়বে।
উল্লেখ্য, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বহিষ্কারের আগে অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার নিয়ম আছে। কিন্তু দেউবাপন্থী কমিটি তা অনুসরণ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে নেপালের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচনের আগে আবারও ভাঙনের মুখে পড়ল নেপালের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল ‘নেপালি কংগ্রেস’। এ নিয়ে ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটি তৃতীয়বারের মতো ভাঙনের মুখে পড়ল। আগামী মার্চের নেপালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দলটির সভাপতি শের বাহাদুর দেউবার সঙ্গে দুই প্রভাবশালী সাধারণ সম্পাদক—গগন থাপা ও বিশ্ব প্রকাশ শর্মার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্বের জেরে এই ভাঙন দেখা দেয়। এর আগে ১৯৫৩ সালে বিশ্বেশ্বর প্রসাদ কৈরালা এবং মাতৃকা প্রসাদ কৈরালার দ্বন্দ্ব এবং ২০০২ সালে মাওবাদী বিদ্রোহ চলাকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা সংসদ ভেঙে দিলে দলটি বিভক্ত হয়েছিল। খবর
নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের এক খবরে বলা হয়, গতকাল দলের সভাপতি শের বাহাদুর দেউবা এবং দুই সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে সমঝোতার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দলের ৫৪ শতাংশ প্রতিনিধি একটি বিশেষ সম্মেলনের দাবি জানালেও দেউবা পক্ষ তা নাকচ করে দেয়। এরপরই থাপা ও শর্মা পক্ষ আলাদাভাবে বিশেষ সম্মেলনের ডাক দেন এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় গতকালই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পূর্ণ বাহাদুর খড়কার সভাপতিত্বে দেউবাপন্থী কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গগন থাপা, বিশ্ব প্রকাশ শর্মা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারমুল্লাহ মনসুরকে পাঁচ বছরের জন্য দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এই ভাঙনের ফলে আগামী ৫ মার্চের সংসদীয় নির্বাচন নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উভয় পক্ষই এখন ‘আসল’ নেপালি কংগ্রেস হিসেবে আইনি স্বীকৃতি পেতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। থাপা-শর্মা পক্ষ দাবি করেছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধিদের সমর্থন থাকায় তাদের বিশেষ সম্মেলনই বৈধ। অন্যদিকে, দেউবা পক্ষ কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের কথা কমিশনকে জানিয়ে দিয়েছে।
বহিষ্কারের খবরের প্রতিক্রিয়ায় গগন থাপা বলেন, নেপালি কংগ্রেস কারও ব্যক্তিগত কোম্পানি নয়। দেউবা নেতৃত্বাধীন কমিটি অনেক আগেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে, তাই তাদের কোনো সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি নেই। নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করে তারা দলীয় প্রতীক ‘গাছ’ নিয়েই নির্বাচনে লড়বেন।
সাধারণ সম্পাদক বিশ্ব প্রকাশ শর্মা বলেন, পরিবর্তিত সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দলকে আধুনিক করার চেষ্টা করায় আমাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তবে যে পদ আমি আজ সকালেই ছেড়েছি, সেখান থেকে আমাকে বহিষ্কার করার কোনো মানে হয় না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক শ্রীকৃষ্ণ অনিরুদ্ধ গৌতমের মতে, এই আইনি লড়াই দীর্ঘায়িত হতে পারে। উভয় পক্ষই এখন বৈধতা পাওয়ার লড়াইয়ে নামবে। বিষয়টি আদালতে গড়ালে ৫ মার্চের নির্বাচনে তার বড় প্রভাব পড়বে।
উল্লেখ্য, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বহিষ্কারের আগে অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার নিয়ম আছে। কিন্তু দেউবাপন্থী কমিটি তা অনুসরণ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে নেপালের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

হোয়াইট হাইসের ওভাল অফিসে অদ্ভূত এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে একটি দ্বিপক্ষীয় বিল সই করেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে দেশটির বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ নেওয়ার বারবার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জেরে ইরানও বলে আসছিল ওয়াশিংটন কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিলে, তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো আঘান হানবে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে নিজেদের সমুদ্রবন্দর সীমার বাইরে ইরানের কয়েক ডজন বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙর করে আছে।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন একটি কড়া আইনকে সমর্থন দিয়েছেন। এই আইনের নাম ‘স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যাক্ট অব ২০২৫’। এই আইনের আওতায়, যারা এখনো রাশিয়ার তেল কিনছে, তাদের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।
৫ ঘণ্টা আগে