আল-জাজিরার বিশ্লেষণ
স্ট্রিম ডেস্ক

সাম্প্রতিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধে ইরান অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়ছে। অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার হারাচ্ছে এবং তাদের সামরিক ও পুলিশ বাহিনী বেতন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।’
গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে এই নৌ-অবরোধ কার্যকর হয়েছে। এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পতাকাবাহী অন্তত একটি ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে এবং খোলা সমুদ্রে ইরানমুখী পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে সরিয়ে দিচ্ছে। ইরান একে ‘অবৈধ জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এর জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বিদেশি জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছে এবং বেশ কয়েকটি বিদেশি জাহাজ আটক করেছে।
তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য সাধারণত সমুদ্রপথে রপ্তানি করে ইরান। কেপলারের তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধের আগে ইরান প্রতিদিন প্রায় ১ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করত। অবাক করার মতো বিষয় হলো, যুদ্ধের পুরো মার্চ মাসে ইরান গড়ে ১ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন এবং এপ্রিল মাসে ১ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এক মাসে ইরান ৫ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করে অন্তত ৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। অথচ যুদ্ধের আগে তারা মাসে আয় করত ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ যুদ্ধের গত এক মাসে ইরান তার স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি আয় করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অবরোধে ইরান কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই সংকট সহ্য করার রাজনৈতিক ক্ষমতা দেশটির রয়েছে। গত মাসে উচ্চ মূল্যের কারণে ইরান তেলের বাজারে ভালো করেছে।
মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের জ্যেষ্ঠ ফেলো ফ্রেডেরিক স্নাইডার বলেন, ‘যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহ তেলের আয়ের দিক থেকে ইরানের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল। তবে মার্কিন নৌ-অবরোধের ফলে এখন পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।’ যদিও ইরানের কাছে ১২ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে, তবুও নতুন করে লোডিং ও রপ্তানি করতে না পারলে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হবে তারা।
আইনগতভাবে ট্রাম্পের পক্ষে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ৬০ দিনের বেশি বিদেশের মাটিতে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা কঠিন। ১ মে এই সময়সীমা শেষ হবে। এছাড়া চীনের বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বেইজিংয়ের প্রতিক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মাথাব্যথার কারণ।
এ প্রসঙ্গে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যাডাম এরেলি বলেন, ‘ইরানিরা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তারা আমাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি যন্ত্রণা সয়ে নিতে পারে। ট্রাম্পের রাজনৈতিক ধৈর্য এবং আমেরিকান জনগণের ধৈর্যের চেয়ে ইরানের টিকে থাকার জেদ বেশি শক্তিশালী হতে পারে।’
ইরানের অভ্যন্তরীণ শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা প্রতিদিন ২৬ লাখ ব্যারেল। কেপলারের বিশ্লেষক মুয়ু শু’র মতে, অনশোর স্টোরেজে ইরানের প্রায় ২০ দিনের উৎপাদন মজুত করার জায়গা আছে। তা ছাড়া সমুদ্রে ভাসমান ট্যাঙ্কারে তাদের প্রায় ১৮ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে, যা আগস্ট পর্যন্ত তাদের রাজস্ব প্রবাহ সচল রাখতে সাহায্য করতে পারে। ট্রাম্প কি আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবেন? এটিই এখন বড় প্রশ্ন।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালিতে চালু করা টোলের মাধ্যমে তারা কোটি কোটি ডলার আয় করছে। লয়েডস লিস্টের তথ্যমতে, অন্তত দুটি জাহাজ ইউয়ানে টোল পরিশোধ করেছে। পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি-বাবাই জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এই টোল বাবদ প্রথম দফার আয় জমা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরানের নেতৃত্ব বিভক্ত হয়ে গেছে। এই দাবি অস্বীকার করে ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ বলেন, ‘বিপদের সময় আমরা এক পতাকার নিচে। এক আত্মা ও এক জাতি।’
সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঐক্যের কথা বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি লিখেছেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্র এবং কূটনীতি একই যুদ্ধের দুটি সমন্বিত ফ্রন্ট। ইরানিরা আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।’
সামরিক সক্ষমতা ও জাতীয় ঐক্য বিষয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কোনো ‘কট্টরপন্থী’ বা ‘মধ্যপন্থী’ নয়, বরং তারা সবাই একই পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক বৈচিত্র্যই আমাদের গণতন্ত্র, কিন্তু বিপদের সময় আমরা এক হাত।’
সাবেক রাষ্ট্রদূত এরেলি বলেন, ‘ইরান ও আইআরজিসির মধ্যে এক ধরনের বৈপ্লবিক উদ্দীপনা কাজ করে। আমাদের এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য হলো—আমাদের কাছে যা ম্যাপে সৈন্য সরানো, তাদের কাছে তা অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।’
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

সাম্প্রতিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধে ইরান অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়ছে। অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার হারাচ্ছে এবং তাদের সামরিক ও পুলিশ বাহিনী বেতন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে।’
গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে এই নৌ-অবরোধ কার্যকর হয়েছে। এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পতাকাবাহী অন্তত একটি ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে এবং খোলা সমুদ্রে ইরানমুখী পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে সরিয়ে দিচ্ছে। ইরান একে ‘অবৈধ জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এর জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বিদেশি জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছে এবং বেশ কয়েকটি বিদেশি জাহাজ আটক করেছে।
তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য সাধারণত সমুদ্রপথে রপ্তানি করে ইরান। কেপলারের তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধের আগে ইরান প্রতিদিন প্রায় ১ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করত। অবাক করার মতো বিষয় হলো, যুদ্ধের পুরো মার্চ মাসে ইরান গড়ে ১ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন এবং এপ্রিল মাসে ১ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এক মাসে ইরান ৫ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করে অন্তত ৪ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। অথচ যুদ্ধের আগে তারা মাসে আয় করত ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ যুদ্ধের গত এক মাসে ইরান তার স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি আয় করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অবরোধে ইরান কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই সংকট সহ্য করার রাজনৈতিক ক্ষমতা দেশটির রয়েছে। গত মাসে উচ্চ মূল্যের কারণে ইরান তেলের বাজারে ভালো করেছে।
মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের জ্যেষ্ঠ ফেলো ফ্রেডেরিক স্নাইডার বলেন, ‘যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহ তেলের আয়ের দিক থেকে ইরানের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল। তবে মার্কিন নৌ-অবরোধের ফলে এখন পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।’ যদিও ইরানের কাছে ১২ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেলের মজুত রয়েছে, তবুও নতুন করে লোডিং ও রপ্তানি করতে না পারলে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হবে তারা।
আইনগতভাবে ট্রাম্পের পক্ষে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ৬০ দিনের বেশি বিদেশের মাটিতে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা কঠিন। ১ মে এই সময়সীমা শেষ হবে। এছাড়া চীনের বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বেইজিংয়ের প্রতিক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মাথাব্যথার কারণ।
এ প্রসঙ্গে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যাডাম এরেলি বলেন, ‘ইরানিরা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তারা আমাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি যন্ত্রণা সয়ে নিতে পারে। ট্রাম্পের রাজনৈতিক ধৈর্য এবং আমেরিকান জনগণের ধৈর্যের চেয়ে ইরানের টিকে থাকার জেদ বেশি শক্তিশালী হতে পারে।’
ইরানের অভ্যন্তরীণ শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা প্রতিদিন ২৬ লাখ ব্যারেল। কেপলারের বিশ্লেষক মুয়ু শু’র মতে, অনশোর স্টোরেজে ইরানের প্রায় ২০ দিনের উৎপাদন মজুত করার জায়গা আছে। তা ছাড়া সমুদ্রে ভাসমান ট্যাঙ্কারে তাদের প্রায় ১৮ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে, যা আগস্ট পর্যন্ত তাদের রাজস্ব প্রবাহ সচল রাখতে সাহায্য করতে পারে। ট্রাম্প কি আগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবেন? এটিই এখন বড় প্রশ্ন।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালিতে চালু করা টোলের মাধ্যমে তারা কোটি কোটি ডলার আয় করছে। লয়েডস লিস্টের তথ্যমতে, অন্তত দুটি জাহাজ ইউয়ানে টোল পরিশোধ করেছে। পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি-বাবাই জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এই টোল বাবদ প্রথম দফার আয় জমা হয়েছে।
অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরানের নেতৃত্ব বিভক্ত হয়ে গেছে। এই দাবি অস্বীকার করে ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ বলেন, ‘বিপদের সময় আমরা এক পতাকার নিচে। এক আত্মা ও এক জাতি।’
সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ঐক্যের কথা বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি লিখেছেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্র এবং কূটনীতি একই যুদ্ধের দুটি সমন্বিত ফ্রন্ট। ইরানিরা আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।’
সামরিক সক্ষমতা ও জাতীয় ঐক্য বিষয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং আইআরজিসি স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কোনো ‘কট্টরপন্থী’ বা ‘মধ্যপন্থী’ নয়, বরং তারা সবাই একই পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক বৈচিত্র্যই আমাদের গণতন্ত্র, কিন্তু বিপদের সময় আমরা এক হাত।’
সাবেক রাষ্ট্রদূত এরেলি বলেন, ‘ইরান ও আইআরজিসির মধ্যে এক ধরনের বৈপ্লবিক উদ্দীপনা কাজ করে। আমাদের এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য হলো—আমাদের কাছে যা ম্যাপে সৈন্য সরানো, তাদের কাছে তা অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।’
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদ পাঠাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ট্রাম্প প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তা সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় ন্যাটো মিত্রদের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়ে ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনের একটি গোপন অভ্যন্তরীণ ই-মেইলে এ নিয়ে একাধিক কঠোর পদক্ষেপের প্রস্তাব আলোচনা হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) পাকিস্তানের সরকারি সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামাবাদে দুই দেশের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির ‘উচ্চ সম্ভাবনা’ রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতকে ‘হেলহোল’ বা ‘নরকের গর্ত’ মন্তব্য করা করা একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্তব্যটিকে ‘অজ্ঞতাপ্রসূত, অনুচিত ও রুচিহীন’ বলে অভিহিত করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে